৫ বীমা কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ বীমা কোম্পানির ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেসব কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সেগুলো হলো: পিপলস ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি।

বুধবার (২৬ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পিপলস ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন, ২৩) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৪ পয়সা। জানুয়ারি থেকে জুন, ২৩ পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৫১ পয়সা।

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন,২৩) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৪ পয়সা। জানুয়ারি থেকে জুন,২৩ পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৪৫ পয়সা।

তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন, ২৩) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৪ পয়সা। জানুয়ারি থেকে জুন,২৩ পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭০ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৪৬ পয়সা।

প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন, ২৩) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় হয়েছিল ৬৪ পয়সা। জানুয়ারি থেকে জুন,২৩ পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৯১ পয়সা।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন, ২৩) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৫ পয়সা। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৮৫ পয়সা।




পিপলস ইন্স্যুরেন্সের সাড়ে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের প্রতিষ্ঠান পিপলস ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ হিসেবে প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নগদ এক টাকা ৫ পয়সা করে পাবেন।

লভ্যাংশ ঘোষণার পাশাপাশি কোম্পানিটি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি থেকে মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের তুলনায় কমেছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

লভ্যাংশের বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের নেওয়া সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ জুন। আর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ২ টাকা ৬১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৪৪ পয়সা।

ডিএসই জানিয়েছে, লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে কোনো সার্কিট ব্রেকার থাকবে না। অর্থাৎ শেয়ার দাম যত খুশি বাড়তে পারবে। তবে ফ্লোর প্রাইসের নিচে শেয়ার দাম নামতে পারবে না।

এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে এই বিমা কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি মুনাফা করেছে ৫২ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫৮ পয়সা। এ হিসেবে গত বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা ৬ পয়সা কমেছে।

মুনাফা কমলেও কোম্পানিটির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৯৭ পয়সা, যা ২০২২ সালের মার্চ শেষে ছিল ৩০ টাকা ৬৬ পয়সা।