মেসির মায়ামিতে যাওয়া নিয়ে যা বললেন নেইমার

পিএসজি ছেড়ে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন নেইমার। আর্জেন্টাইন এই সতীর্থের প্যারিস ছাড়া প্রসঙ্গে ব্রাজিলের একটি ইউটিউব চ্যানেলে অনুভূতি জানাতে গিয়ে নেইমার দাবি করে বলেন, ‘আমি আগে থেকেই সব জানতাম।’

সম্প্রতি ছুটি কাটাতে মায়ামিতে গিয়েছেন নেইমার। মায়ামি হিট বনাম ডেনভার নাগেটসের মধ্যকার এনবিএ ফাইনাল ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।

২০১৩-১৭ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় মেসির সঙ্গে খেলা নেইমার গত দুই মৌসুমে আবারো আর্জেন্টাইন মহাতারকার সঙ্গে পিএসজিতে খেলেছেন। নেইমার বলেন, ‘আমি জানতাম সে মায়ামিতে আসবে। আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। আমি তাকে জানিয়েছি মায়ামিতে সে বেশ আনন্দেই থাকবে। মেসির জন্য আমি দারুণ খুশী। একইসঙ্গে চলে যাচ্ছে বলে কিছুটা খারাপ তো লাগছেই।’

ইনজুরি আক্রান্ত মৌসুমের পর নেইমারেরও পিএসজির ভবিষ্যৎ শঙ্কার মুখে। মেজর লিগ সকারকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মেসি সহায়তা করবেন বলে নেইমার আত্মবিশ্বাসী। এ সম্পর্কে নেইমার বলেন, ‘এই লিগ আরও বেশী জনপ্রিয়তা পাবে। দর্শকসংখ্যা বাড়বে এবং এতে কার্যত এখানকার ফুটবলই এগিয়ে যাবে। এর সঙ্গে জড়িত প্রতিটি মানুষ উপকৃত হবে।’




জুয়ায় ১১ কোটি টাকা হেরেছেন নেইমার!

মারাত্মক ইনজুরিতে পড়ার পর অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছেন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার। আর এই অলস সময়ে মাথায় ভুত চেপেছে তারা। ফুটবলের বাইরে পোকারে আসক্ত নেইমার খেলেছেন জুয়া। তাতেই হেরেছে দশ লাখ ইউরো। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

ফুটবলের বাইরে নেইমারের পছন্দ যে পোকারে, তা আর বলার উপেক্ষা রাখে না। কিছুদিন আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্নের বিপক্ষে পিএসজি হারের পরও পোকার খেলতে গিয়েছিলেন তিনি। এত সমালোচনা করেছিলেন সতীর্থ এমবাপ্পে। কিন্তু অবসরে নেইমারের কার্যক্রমে কোনো ভুল দেখেননি তাদের হেড কোচ।

সম্প্রতি একটি মজার কাণ্ড ঘটিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী নেইমার। একটি ভিডিও ছেড়েছেন তিনি। যেখানে দেখা যায় পোকারে হেরেছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ। আর হারের পরই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুতই ভাইরাল হয়। তবে কান্নাটা যে নিছক অভিনয় ছিল, সেটা বুঝেছে সবাই।

মূলত এটি ছিল একটি ইতিবাচক বিজ্ঞাপন। ব্রাজিলের সংবাদ মাধ্যম গ্লোবের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জুয়া খেলে নেইমার কোন টাকা হারেননি। আসলে ওটা ছিল একটি ইতিবাচক প্রচারণা। জুয়ায় অর্থ ঢাললে অনলাইন প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এই বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে ওই ভিডিওতে।