ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের লভ্যাংশ পরির্তন

ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানির টায়ার-১ মূলধন শক্তিশালী করা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পুনঃবিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হবে।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিএফআইটি। রোববার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, প্রথমে তারা বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে, তাতে সম্মতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন জানায়। বাংলাদেশ ব্যাংক ওই নগদ লভ্যাংশে সম্মতি না দিয়ে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিতে সম্মতি দিয়েছে। সেই অনুযায়ী কোম্পানির পর্ষদ ১০ শতাংশ নগদের পরিবর্তে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এই লভ্যাংশ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন চাইবে কোম্পানিটি।

এদিকে ঘোষিত এই লভ্যাংশ এবং চলতি বছরের অন্যান্য এজেন্ডাসমূহে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১২টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে তারা। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ছিল গত ৩০ জুলাই।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা হয়েছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির ব্যবসা সংকুচিত হচ্ছে। কোম্পানির নগদ পরিচালন সক্ষমতা ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে শেয়ারপ্রতি নগদ পরিচালন প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ঋণাত্মক ২১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর শেষে যা ছিল ধনাত্মক ২৫ টাকা ২০ পয়সা।




ন্যাশনাল হাউজিংয়ের নাম পরিবর্তনের অনুমতি

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোম্পানিটি দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কাছে নাম পরিবর্তনের অনুমতি চেয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সার্বিক দিক বিবেচনা করে কোম্পানির নাম পরিবর্তন করার অনুমতি দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির নাম ‘ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড’ এর পরিবর্তে ‘ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসি’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সিএসই। বুধবার (২৬ নভেম্বর) থেকে কোম্পানির নতুন নাম কার্যকর হবে।

নাম পরিবর্তন ছাড়া অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।




৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- জনতা ইন্স্যুরেন্স, নিটল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং ইসলামী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

জনতা ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটি ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ১১ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) এক টাকা ২০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল এক টাকা ১৫ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৪ টাকা ১ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৮৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল এক টাকা ৮৩ পয়সা।

আগামী ১১ জুলাই’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ মে ২০২৩।

নিটল ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটি ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ১০ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ১৩ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৯৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৪ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৯ টাকা ১৬ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১২ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৩৭ পয়সা।

আগামী ২০ জুন’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৭ মে ২০২৩।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২ টাকা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪ টাকা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১ টাকা ৮৫ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩২ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৯ টাকা ৬৭ পয়সা।

আগামী ২১ জুন’ ২০২৩ দুপুর ১২টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ মে ২০২৩।

ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স : কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ১৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ২৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৮ টাকা ৬৫ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১৯ টাকা ১৬ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৯ টাকা ১১ পয়সা।

আগামী ১১ জুন’ ২০২৩ দুপুর ১২টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ মে ২০২৩।

ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৭২ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩১ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৮ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা।

আগামী ১৮ জুন’ ২০২৩ বেলা সাড়ে ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৪ মে ২০২৩।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ১২.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৭ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ১১ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৮০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭ টাকা ৫১ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৫৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩১ পয়সা।

আগামী ১৪ জুন’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ মে ২০২৩।