ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ৯০৪ কোটি টাকা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাত প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে গত এক বছরে কোম্পানিটির জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে প্রায় ৯০৪ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে কোম্পানিটি।

আর্থিক প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির সমন্বিত জীবন বিমা তহবিলের (লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড) স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১০২ কোটি ৬ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের একই সময় শেষে এ তহবিলের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ১৯৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানির জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ৯০৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির মোট আয় থেকে মোট ব্যয় ও দাবি (ক্লেইম) পরিশোধের পর উদ্বৃত্ত (সারপ্লাস) দাঁড়িয়েছে ২০৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ উদ্বৃত্ত ছিল ১৬৯ কোটি ৮ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির মোট আয় থেকে মোট ব্যয় ও দাবি পরিশোধের পর উদ্বৃত্ত হয়েছে ৮৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের একই সময়ে যা ছিল ২০১ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এছাড়া, ২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (কনসোলিডেটেড এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ৬২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৩ টাকা ১৯ পয়সা।




ভারি বৃষ্টিতে ধসে পড়ল চট্টগ্রামের আউটার রিং রোডের একাংশ

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারের প্রভাবে পতেঙ্গা এলাকায় আউটার রিং রোডের একাংশ ধসে পড়েছে। এ কারণে সড়কটির এক পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে অন্য পাশ দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে যান চলাচল অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকার ট্রাফিক পুলিশ বক্সসংলগ্ন অংশে এ ধসের ঘটনা ঘটে।

এই সড়কটি চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরমুখী যানবাহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। ফলে দ্রুত সংস্কার কাজ শেষ না হলে বন্দরকেন্দ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এবং বিমানবন্দরগামী যান চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

উড়ালসড়ক নির্মাণের জন্য ওই বাইপাস সড়কটি তৈরি করা হয়েছিল। ভারী বৃষ্টিতে গতকাল রাতে সড়কটি ভেঙে যায়।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল জানান, পতেঙ্গায় আউটার রিং রোডের সঙ্গে একটি উড়ালসড়কের নির্মাণকাজ চলছে। এ জন্য একটি বাইপাস সড়ক করা হয়েছিল। সেটি ভেঙে গেছে। তবে এখন মেরামতের কাজ শেষ পর্যায়ে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বলেন, সড়কের এক পাশে ধস হওয়ায় অন্য পাশ দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে যান চলাচল করানো হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।

এদিকে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা, কুয়াইশ, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট ও কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক এলাকায় বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।




ন্যাশনাল লাইফের ৩৭% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সভায় বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন।

সভায় কোম্পানির পরিচালক মতিউর রহমান, এস আই চৌধুরী, ব্রিগিডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাসুদ হোসেন, মামুনুর রশিদ, ডা. শামীম খান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন, ডিএমডি খসরু চৌধুরী, ডিএমডি এন্ড সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত শেয়ার হোল্ডারগণ তাদের বক্তব্যে কোম্পানির বর্তমান অগ্রগতি ও সাফল্যের জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৫ সালের ব্যালেন্সসীট ও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যমানের শেয়ারের বিপরীতে ৩৭% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন।

সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন অংশগ্রহণকারী শেযারহোল্ডার, পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে কোম্পানির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




ন্যাশনাল লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত

বীমা খাতের ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৩ সালের ব্যালেন্সসিট ও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যমানের শেয়ারের বিপরীতে ৩৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম। সভায় আরও অংশ নেন পরিচালক মতিউর রহমান, মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, বিলকিস নাহার, এএসএম মাঈন উদ্দিন মোনেম, ডা. শামীম খান, সৈয়দ মিনহাজ আহমেদ, জাকির আহমেদ খান, দাস দেব প্রসাদ, উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার শফিকুর রহমান টিটু ও মো. ইমরুল আলম, কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন, এডিশনাল এমডি মো. খসরু চৌধুরী, ডিএমডি এন্ড সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ ও কোম্পানি সচিব মো. আব্দুল ওহাব মিয়ান।

সভায় কোম্পানির বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া শেয়ারহোল্ডাররা তাদের বক্তব্যে কোম্পানির বর্তমান অগ্রগতি ও সাফল্যের জন্য পরিচালনা পর্ষদকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সভাপতির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম সংযুক্ত শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে কোম্পানির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন




ন্যাশনাল লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরের জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৩৮ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটি পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

আগামী ৩০ জুন দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ জুন।




ন্যাশনাল লাইফের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড দেশব্যাপী কর্মরত মাঠ পর্যায়ের উনয়ন্ন কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে।

সম্প্রতি কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মশালা উদ্বোধন করেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন।

এতে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে পলিসি বিপণনের কৌশল নিয়ে উন্নয়ন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ভারতের প্রখ্যাত ট্রেইনার চন্দ্রানী সরকার।

গতকাল কর্মশালার তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খসরু চৌধুরী, সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ, ট্রেইনার চন্দ্রানী সরকার, দৈনিক ব্যাংক বীমা অর্থনীতির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক জনকন্ঠের বিজনেস এডিটর রহিম শেখ, ভারতীয় প্রশিক্ষক রাকেশ আগরওয়াল ও কোম্পানির বৃহত্তর ঢাকা এরিয়ার উন্নয়ন প্রধান বাহার উদ্দিন মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।




ন্যাশনাল লাইফ পরিচালকের শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন

পূর্বঘোষণা অনুসারে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী কোম্পানিটির ৩০০ শেয়ার কিনেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল মার্কেটের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার কিনেছেন তিনি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

১৯৯৫ সালে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৮ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৮৫ লাখ ২১ হাজার ৯৮১। এর মধ্যে ৫৫ দশমিক ৮৭ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে।

 




ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে বীম খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে রেটিং দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং অ্যাজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ক্রেডিট রেটিং অ্যাজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের অনুযায়ী, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে সার্ভিল্যান্স রেটিং হয়েছে ‘এএ+’।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২ প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে রেটিং দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং অ্যাজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ক্রেডিট রেটিং অ্যাজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের অনুযায়ী, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে সার্ভিল্যান্স রেটিং হয়েছে ‘এএ+’।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২ প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




ন্যাশনাল লাইফের ৩৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারের বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ফলে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ৩.৮০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এই লভ্যাংশ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ জুন বেলা ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৯ মে। মঙ্গলবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কোনো সীমা থাকছে না।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৫.৭৮ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৩.৮৪ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৮.২২ টাকা।

এর আগের হিসাব বছরে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।




ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি  লিমিটেড ৩৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করছে । এ উপলক্ষে বুধবার (২৬ এপ্রিল) কাওরান বাজারস্থ কোম্পানির প্রধান কার্যালয় এনএলআই টাওয়ারে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজিম উদ্দিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খসরু চৌধুরী, সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ ও কোম্পানি সচিব মো. আব্দুল ওয়াব মিয়ানসহ কোম্পানির নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কোম্পানির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি বলেন, ১৯৮৫ সালের ২৩ এপ্রিল দেশের প্রথম বেসরকারী লাইফ বীমা কোম্পানি হিসেবে ন্যাশনাল লাইফ যাত্রা শুরু করে। ন্যাশনাল লাইফের পথ ধরে আজ দেশে বহু বেসরকারী লাইফ বীমা কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বীমা দেশের অর্থনীতিতে অন্যতম চালিকা শক্তি। বীমার প্রিমিয়ামের টাকা ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ হয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ সময়ে ন্যাশনাল লাইফ বিপুল জনগোষ্ঠীকে সঞ্চয়মুখী করার পাশাপাশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে ন্যাশনাল লাইফে দেড় লাখেরও বেশি কর্মী কাজ করছে।

পরে চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি নির্বাহীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা দিবসের কেক কাটেন।

উল্লেখ্য, ন্যাশনাল লাইফ এ পর্যন্ত প্রায় ৬১ লাখ লোককে বীমার আওতায় নিয়ে এসেছে এবং প্রায় ২৮ লাখ গ্রাহককে তাদের বীমার টাকা সর্বোচ্চ বোনাসসহ যথাসময়ে পরিশোধ করেছে। পরিশোধিত বীমা দাবীর পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা।

বর্তমানে কোম্পানির লাইফ ফান্ড ৪৮৪৭ কোটি টাকা, স্থায়ী সম্পদ ৫৭২৩ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ প্রায় ৫০৩৬ কোটি টাকা। কোম্পানির বর্তমান বেতন ভিত্তিক কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার এবং কমিশন ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার।

ন্যাশনা লাইফ সর্বোচ্চ বীমা দাবি পরিশোধের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে জাতীয় সম্মাননা ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশী ও বিদেশী অসংখ্য অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে।