ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২২ জুলাই বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ জুন, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-২৫ থেকে জুন-২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




ন্যাশনাল ব্যাংকের মৃত চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের ৪২বিও হিসাব অবরুদ্ধ

সিকদার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত জয়নুল হক সিকদার ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ৪২টি বিও হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। যদিও তিনি ২০২১ সনের ১০ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।

রোববার (৯ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান এসব হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের জয়নুল হক সিকদার ও সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, নামে-বেনামে জনগণের আমানতের অর্থ লুটপাটসহ ঘুষের বিনিময়ে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ দেওয়া ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্য বিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ অনুসন্ধানকালে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিকদার পরিবারের সদস্য কর্তৃক জনগণের আমানতকৃত হাজার হাজার কোটি টাকা বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ প্রদান ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের তথ্য পাওয়া যায়। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের লিগ্যাল ডিভিশন থেকে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদার ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ছত্রছায়ায় দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান চলমান।

এদিকে গত ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৫০৬তম সভার নির্দেশনা অনুযায়ী সিকদার পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নামে ন্যাশনাল ব্যাংক লি. এবং এনবিএল সিকিউরিটিজ লি. এর ধারণকৃত শেয়ারের তালিকা প্রেরণ করা হয়। উল্লিখিত শেয়ারগুলোর হস্তান্তর স্থগিত/ব্লক করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যাংক ও ব্যাংকের আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ব্যাংক থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

প্রাপ্ত তথ্যমতে বর্তমানে সিকদার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য বিদেশে অবস্থান করছেন। বিদেশে থেকে তারা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলো বিক্রি/স্থানান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মর্মে তথ্য পাওয়া যায়। যেহেতু উক্ত বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সিকদার পরিবারের সদস্য এবং তাদের নিকট আত্মীয়দের নামে অর্জিত শেয়ারগুলো বিক্রি/স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সেজন্য এসব বিও হিসাব অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা একান্ত আবশ্যক।




ন্যাশনাল ব্যাংকের নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ বা লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির নতুন বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ জানুয়ারি।

এর আগে লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩০ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ জুলাই।




ন্যাশনাল ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ,ভাইস চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম

ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে উদ্যোক্তা পরিচালক আবদুল আউয়াল মিন্টু ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে উদ্যোক্তা পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ব্যাংকের ৫০৫তম পর্ষদ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাদের নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এর মাধ্যমে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়।

আবদুল আউয়াল মিন্টু দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব। তিনি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি। এছাড়া চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লাল তীর সিড লিমিটেড, নর্থ সাউথ সিড লিমিটেড, প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ পেট্রো কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড, মাল্টিমোড টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, মাল্টিসোর্সিং লিমিটেডসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।

১৯৬৮ সালে তিনি চট্টগ্রামের মার্কেন্টাইল মেরিন একাডেমি থেকে নটিক্যাল সায়েন্সে ডিপ্লোমা অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক মেরিটাইম কলেজ থেকে বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পরবর্তীতে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে কৃষি অর্থনীতিতে এমএসসি এবং লন্ডন ইউনিভার্সিটির অধীনে কুইন মেরি কলেজ থেকে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ল-এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রের বিস্তারেও আবদুল আউয়াল মিন্টুর রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা। তার পৈতৃক গ্রামে ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এবং অসংখ্য সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে। লন্ডনের অ্যাথেনা প্রেস দ্বারা প্রকাশিত “বাংলাদেশ অ্যানাটমি অফ চেঞ্জ” সহ বেশ কয়েকটি খণ্ডের লেখক হিসেবেও তিনি পরিচিত।

অপরদিকে, মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলাদেশের একজন নেতৃস্থানীয় এবং সফল উদ্যোক্তা। তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের একজন উদ্যোক্তা পরিচালক এবং সাবেক চেয়ারম্যান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শেষ করার পর, তিনি ১৯৬৮ সালে জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যান। নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করে ১৯৭৪ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। জাপানে থাকার সময়, তিনি ১৯৭১ সালে বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সে তিনি সফলভাবে নিজেকে সর্বকনিষ্ঠ উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার হাত ধরেই জাপান থেকে দেশে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আসা শুরু হয়। হোসাফ গ্রুপ অব কোম্পানিজের প্রতিষ্ঠাতা মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলাদেশের সেই উদ্যোক্তাদের মধ্যে একজন যিনি দেশে ও বিদেশে তার ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন। তিনি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য প্রথম জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে হোসাফ গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও মোয়াজ্জেম হোসেন প্রগতি ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ এনার্জি কোম্পানি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।




ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে লোকসান হয়েছিল ৯৭ পয়সা।

৩১ মার্চ, ২০২৩ তারিখে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৯২ পয়সা।




ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৫ মে দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




ন্যাশনাল ব্যাংকের নতুন ডিএমডি ইমরান আহমেদ

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন ইমরান আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ পদে যোগদান করেন তিনি।

দীর্ঘ ২৬ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ফিন্যান্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি বিভাগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য অনন্য অবদান রেখে এসেছেন। ইতোপূর্বে তিনি সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে জেনারেল ম্যানেজার ও চিফ অডিট অফিসার, এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ অপারেটিং এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার পদে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।

এছাড়াও তিনি ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ফিন্যান্স ও একাউন্টস বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, ইমরান আহমেদ ১৯৯৮ সালে এশিয়ান ভেজিটেবল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে (এভিআরডিসি) একজন একাউন্টেন্ট হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি একজন ফেলো চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (FCA), সার্টিফাইড ইনফরমেশন সিস্টেম অডিটর (CISA), সার্টিফাইড শরিয়াহ উপদেষ্টা ও অডিটর (CSAA)। এছাড়াও তিনি মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রশিক্ষিত একজন সার্টিফাইড সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং স্পেশালিস্ট (CSRS)।

ইমরা আহমেদ হিসাব বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি একজন গ্রিন ফাইন্যান্স কনসালটেন্ট হিসেবে বিভিন্ন সময় জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপের (জার্মানি) সঙ্গে কাজ করেছেন।




ন্যাশনাল ব্যাংকের ডিএমডি শেখ আকতার উদ্দিন

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (‌ডিএম‌ডি) হিসেবে নিয়োগ পে‌য়ে‌ছেন শেখ আকতার উদ্দিন আহমেদ। এর আগে তিনি ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

সোমবার (১ জানুয়া‌রি) ব্যাং‌কের পক্ষ থে‌কে এ তথ্য জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে। গত ২৭ ডিসেম্বর তা‌কে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

শেখ আকতার উদ্দিন আহমেদ ১৯৯৮ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২৫ বছরের দীর্ঘ ব্যাংকিং কর্মজীবনে তিনি ফরেন এক্সচেঞ্জ অপারেশন্স, ক্রেডিট অপারেশন্স, ফরেন রেমিট্যান্স, জেনারেল ব্যাংকিংসহ ওভারসিজ অপারেশন্স এর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষত, দীর্ঘ এক যুগ তিনি মালয়েশিয়ায় এনবিএল মানি ট্রান্সফার এসডিএন বিএইচডি এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেখ আকতার উদ্দিন আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি দেশে-বিদেশে অনেক পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।




ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, নতুন পর্ষদ গঠন

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিধিবিধান লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদন করা, পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরিচালক নির্বাচনসহ কয়েকটি কারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সুপারিশে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আজ বৃহস্পতিবার পৃথক দুই আদেশে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চিঠিতে বলা হয়েছে, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও জনস্বার্থে ন্যাশনাল ব্যাংকের বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকটিকে রক্ষায় আমরা বুধবার বৈঠক করে বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নিই। এরপর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছি। বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমরা মনে করি, এতে ব্যাংকটির গ্রাহকের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থও রক্ষা হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক আদেশে জানিয়েছে, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক ‘ঋণনিয়মাচার ও বিধিবিধান লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদন প্রদান করা, পর্ষদ কর্তৃক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ করা, পর্ষদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকের শেয়ার একই পরিবারে কেন্দ্রীভূত করা, পরিচালক নির্বাচন বা পুনর্র্নিবাচন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি, পর্ষদের গোচরে পরিচালকগণ কর্তৃক আর্থিক অনিয়ম সংঘটন, পর্ষদের নীতিনির্ধারণী দুর্বলতার কারণে ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার অবনতি, ব্যাংকিং সুশাসন ও শৃঙ্খলা বিঘ্ন করার মাধ্যমে ব্যাংক-কোম্পানি ও আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকান্ডে পর্ষদ কর্তৃক সম্পৃক্ত থাকার ঘটনা ঘটেছে।’

ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের এসব কর্মকান্ডের কারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ৪৭ (১) এবং ৪৮ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও জনস্বার্থে ন্যাশনাল ব্যাংকের বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আদেশে বলা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, ব্যাংকটির পর্ষদের দায়িত্ব ছিল আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু তারা সেটি না করতে পারায় আগের পর্ষদ বাতিল করে নতুন পর্ষদ গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন পর্ষদ গঠন
আরেক আদেশে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুনভাবে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের লক্ষ্যে সাতজনকে পরিচালক ও স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত সাত সদস্যের পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক হয়েছেন তিনজন; আর পরিচালক হয়েছেন সাতজন।

স্বতন্ত্র পরিচালকেরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম কামাল হোসেন।

তাঁদের মধ্যে পর্ষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন আইবিএর সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। মেঘনা ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগের শর্তে তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে নতুন চার পরিচালক হলেন পারভীন হক সিকদার, উদ্যোক্তা পরিচালক খলিলুর রহমান, সিকদার ইনস্যুরেন্স কোম্পানির পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক মো. সফিকুর রহমান ও উদ্যোক্তা শেয়ারধারী হিসেবে পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন।




ন্যাশনাল ব্যাংকের এজিএম স্থগিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংকের ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) স্থগিত করা হয়েছে। কোম্পানিটির এজিএম আগামীকাল ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর উচ্চ আদালতের দেওয়া আদেশে ব্যাংকটির এজিএম স্থগিত করা হয়েছে। পরবরতী নির্দেশ না দেওয়া পরযন্ত কোম্পানির এজিএম স্থগিত থাকবে।

প্রসঙ্গত, ৩১ ডিসেম্বর,২০২২ সমাপ্ত হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।




এজিএমের নতুন তারিখ নির্ধারণ ন্যাশনাল ব্যাংকের

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ব্যাংকের এজিএমের (বার্ষিক সাধারণ সভা) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংকটির স্থগিত হওয়া ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ২৬ জুলাই ৪০তম এজিএম করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু অনিবার্য কারণে এজিএম স্থগিত করা হলে পুনরায় সভার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আলোচ্য বাংকটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।




১৩ কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৩ কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ সংক্রান্ত পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা কোম্পানিগুলো হলো- ন্যাশনাল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, নিটল ইন্স্যুরেন্স এবং হাইডেলবার্গ সিমেন্ট।

সভায় এই কোম্পানিগুলো তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন, ২০২৩ সাল) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে। একই সঙ্গে পর্ষদ সদস্যরা এই প্রতিবেদন অনুমোদন শেষে সবার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করবে।

এদের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ সভা আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৩টায়, যমুনা ব্যাংকের আগামী ২৬ জুলাই বিকেল ৪টায়, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের আগামী ২৬ জুলাই বিকেল ৪টায়, এনআরবিসি ব্যাংকের আগামী ২৪ জুলাই দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে, সাউথইস্ট ব্যাংকের ২৬ জুলাই বিকেল ৩টায়, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায়, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ২৭ জুলাই বিকেল ৩টায়, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩০ জুলাই বিকেল ৩টায়, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ২৭ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায়, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৩টায়, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের আগামী ২৬ জুলাই বিকেল ৩টায়, নিটল ইন্স্যুরেন্সের আগামী ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং হাইডেলবার্গ সিমেন্টের আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৩টায় পরিচালনা পর্ষদ সভা শুরু হবে।




পুঁজিবাজারের জন্য বিশেষ তহবিল না থাকায় ৪ ব্যাংকের ব্যাখ্যা তলব

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে ২০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি একটি নির্দেশনা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পুঁজিবাজারের তারল্য প্রবাহ বাড়াতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ উদ্যোগ নিয়েছে।

ইতোমধ্যে বিশেষ তহবিল গঠন করে বেশকিছু ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা এবং কিছু ব্যাংক ২০০ কোটি টাকার কম পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি ব্যাংক এখনো কোনো ধরনের বিশেষ তহবিল গঠন করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা থাকা সত্বেও এত দীর্ঘ সময়ে এ বিশেষ তহবিল গঠন না করার বিষয়ে ব্যাংকগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি। ব্যাংকগুলো হলো—ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক।

সম্প্রতি এ বিষয়ে পৃথক পৃথক চিঠি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ব্যাংকগুলোকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনার বিষয়টি উল্লেখ করে ব্যাংকগুলোকে দেওয়া বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের লক্ষ্যে ও তারল্য বৃদ্ধিতে ২০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কমিশন বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং এ উদ্যোগে তফসিলি ব্যাংকের অংশগ্রহণেরও প্রশংসা করে। কিন্তু, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক এখনো বিশেষ তহবিল গঠন করেনি। তাই, এ বিষয়ে ব্যাংককে এই চিঠি প্রাপ্তির সাত কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।

২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশে বিশেষ তহবিল গঠন এবং বিনিয়োগের নীতিমালা বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত রেপোর মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়। তবে, ২০২১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকে গঠিত ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মেয়াদ বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন এবং বিনিয়োগের নীতিমালা সম্পর্কে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জারি করা নির্দেশনায় আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, বেসরকারি উদ্যোক্তা কর্তৃক নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে বিএসইসি’র অনুমোদিত ও স্পেশাল পারপাস ভেহিকল (এসপিভি) ইস্যুকৃত গ্রিন সুকুক বন্ডে বর্ণিত বিশেষ তহবিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত পন্থায় তফসিলি ব্যাংকের বিনিয়োগের মেয়াদ ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

 

এছাড়া, নির্দেশনায় পুঁজিবাজারের বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রতিটি ব্যাংককে ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করার সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বিশেষ তহবিলের আওতায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা অর্থ ব্যাংকের এক্সপোজার হিসেবে গণ্য করা হবে না। ব্যাংকগুলো নিজস্ব অর্থ ছাড়াও ট্রেজারি বিল বা ট্রেজারি বন্ড রেপোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তহবিল গঠন করেছে। এই সুবিধার মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তা বাড়িয়ে ২০২৮ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে।