নাভানা ফার্মার পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৪-ডিসেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




নাভানা ফার্মার ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড। নাভানা ফার্মার দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ’ রেটিং হয়েছে। আর স্বল্প মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে এসটি-২।

কোম্পানিটির গত ৩০ জুন,২০২৪ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৩% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ৩৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগন ৩০ জুন, ২০২৩ সমাপ্ত বছরের জন্য ১৩% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ জোনায়েদ শফিক ও অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, কোম্পানির অডিটর ও ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেয়ারহোল্ডারগণ ২০২২-২০২৩ সমাপ্ত বছরে ১৩% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত এবং ধারাবাহিকভাবে ভাল লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোম্পানির প্রশংসা করেন। তাছারা শেয়ারহোল্ডারগণ বিক্রয় রাজস্ব, নিট মুনাফা এবং ইপিএসের টেকসই বৃদ্ধি বজায় রাখার জন্য ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।




নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (এনসিআরএল)।

সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের রেটিং অনুযায়ী, কোম্পানির দীর্ঘ মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এএ’। আর বল্প মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এসটি-২’।

২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




নাভানা ফার্মার ১৫০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড বন্ড ইস্যু করার অনুমোদন পেয়েছে। বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। বিএসইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বন্ড ইস্যুর বিষয়ে কোম্পানিটির বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

তথ্য মতে, আলোচিত বন্ডটি হবে আন-সিকিউরড ও কুপনযুক্ত। বন্ডটি মেয়াদ হবে ৫ বছর। এর কুপন রেট তথা সুদের হার হবে ৮ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে। নির্দিষ্ট সময়ের পর এই বন্ডের ৬০ ভাগ নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ সম্পদধারী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এই বন্ডের ইউনিট বরাদ্দ করা হবে। আর এর ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১ লাখ টাকা।

বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোম্পানিটি তার ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে। নাভানা ফার্মার এই বন্ডের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আর এর অ্যারেঞ্জারের দায়িত্বে থাকবে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড। আলোচিত বন্ডটি স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।




পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, ডিএসইতে লেনদেন ছাড়াল ৬০০ কোটি

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেড়েছে সব কটি সূচকের মান। তবে সিএসইতে লেনদেন কমলেও; বেড়েছে ডিএসইতে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

ডিএসইতে রোববার বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। এদিন লেনদেন হয়েছে ৬১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার, আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার।

ডিএসইতে এদিন বেড়েছে সব কটি সূচকের মানও। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১২ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩১১ দশমিক ৬০ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ১৭ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪৬ দশমিক ৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ১ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

এছাড়া রোববার ডিএসইতে ৩৩২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১২২টি কোম্পানির, কমেছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এছাড়া ইস্টার্ন হাউজিং, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জেমিনী সী ফুড, রূপালি লাইফ ইন্সুরেন্স, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ডেফোডিল কম্পিউটারস ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সব সূচকের মান। রোববার সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩০ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৬৩ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসসিএক্স সূচক ১৯ দশমিক ২০ পয়েন্ট ও সিএসই-৫০ সূচক ১ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১ হাজার ১৫৮ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৩০৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে।

আর সিএসই-৩০ সূচক ২৪ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪১৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসআই সূচক অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

তবে সিএসইতে রোববার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা।

সিএসইতে ১৭০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ২১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৬টির কোম্পানির শেয়ারদর।




৩ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো- সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) লিমিটেড।

বুধবার (২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি তিনটির মধ্যে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। আর বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




৩ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি তিনটি হলো- সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) লিমিটেড।

বুধবার (২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি তিনটির মধ্যে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড। আর বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে আর্গুস ক্রেডিট রেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড।

সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স দীর্ঘমেয়াদী রেটিং হয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।




 ১৫০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে নাভানা ফার্মা

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ আংশিক রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বন্ড ছেড়ে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

সোমবার (১২ জুন) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, এ বন্ডের মেয়াদকাল হবে ৫ বছর। এটি হবে আংশিক রূপান্তরোযগ্য বন্ড। অর্থাৎ এই বন্ডের অংশ বিশেষ শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে। এটি একইসঙ্গে ফুললি রিডিমেবল। মেয়াদ শেষে এই বন্ডের সম্পূর্ণ অবসায়ন হবে। আলোচিত বন্ডটি হবে কুপনযুক্ত। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় পর পর বন্ডধারীকে প্রাপ্য সুদ পরিশোধ করা হবে। আর এর সুদের হার হবে ভাসমান। প্রতি ৬ মাস পর পর বন্ডধারীকে প্রাপ্য সুদ প্রদান করা হবে। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এই বন্ড বরাদ্দ করা হবে।

নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আংশিক ব্যাংক ঋণ রিশোধে ব্যয় করবে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যু সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তবে তারও আগে প্রয়োজন হবে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি। তাই বন্ড ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের মতামত নিতে আগামী ৩১ জুলাই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। ওই দিন দুপুর ১২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঘোষিত ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এই ইজিএমে যোগদানের যোগ্যতা নির্ধারণে আগামী ৫ জুলাই রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।