শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে : ফারুক-ই আজম

শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম।

বুধবার (১ অক্টোবর) তিনি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কচিকাঁচা গোষ্ঠী দুর্গা মন্দির এবং রামকৃষ্ণ মিশন দুর্গা মন্দির পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম বলেন, ধর্মমত নির্বিশেষে বহুকাল ধরে আমরা বাঙালিরা দূর্গোৎসব উদযাপন করে আসছি। সে হিসেবে সনাতনীদের জন্য এটি দুর্গাপূজা হলেও সমাজের জন্য এটি দুর্গোৎসব। তাই এই দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে রাষ্ট্র, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং স্থানীয় সকল জনসাধারণ একাকার হয়ে আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে, যাতে নির্বিঘ্নভাবে এই উৎসব সমাপ্ত হয়।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আনোয়ারা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সাগর মিত্রের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু।

তিনি বলেন, আমরা বাঙালি এক সংবেদনশীল জাতি। যুগ যুগ ধরে একে অপরের প্রতি সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা বজায় রেখে আসছি। সেই ধারাবাহিকতায় দুর্গাপূজার উৎসবও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম পরিদর্শন শেষে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির অনন্য নজির ধরে রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন– ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ট্রাষ্টি দীপক কুমার পালিত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) পাঠান মো. সাইফুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার ও আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সোহানুর রহমান সোহাগ।




দুর্গাপূজা ঘিরে গুজব ছড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রবিবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান।

স্বরাষ্ট উপদেষ্টা বলেন, এ বছর সারা দেশে পূজা মন্ডপের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৫৫ টি। গত বছরের থেকে এবছর প্রায় ১ হাজারের মণ্ডপ বেড়েছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব শুরু করেছে, তারা আগামী ২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৯ দিন দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি জানান, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য সারাদেশে ৭০ হাজার পুলিশ কাজ করবে। এছাড়া দেশব্যাপী প্রায় ১ লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি নিয়োজিত থাকবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রতিটি পূজা মণ্ডপের কমিটির ৭ জন সদস্য পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করেছে। প্রতি পূজা মণ্ডপের কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের এনটিএমসি অ্যাপ এর সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া মহিলা ও শিশু অধিদপ্তর থেকে ৮০ হাজারের মতো লোক দূর্গাপূজার নিরাপত্তায় নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতি জেলায় ছাত্র-জনতাকে অন্তর্ভুক্ত করে মনিটরিং করা হয়েছে। ঝুকিপূর্ণ মন্দির পূজা মণ্ডপে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্প্রতি চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকার একাধিক পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ বিষয়টি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, কারও ভেতরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই।

এ সময় খাগড়াছড়ির ঘটনা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা সব পক্ষকে নিয়ে বসেছেন বলেও জানান তিনি।




দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৩৭ প্রতিষ্ঠানকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর ভারতে এক হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানি করবে বাংলাদেশ। রপ্তানির জন্য এরই মধ্যে ৩৭ প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ অনুমতি সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে। এরআগে ৮ সেপ্টেম্বর এক আদেশে ইলিশ রপ্তানির নীতিগত সিদ্ধান্ত জানায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতি বছর ইলিশ রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ইলিশের চাহিদা বেশি।

৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ওই আদেশে রপ্তানির জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছিল রপ্তানিকারকদের। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ৩৭ প্রতিষ্ঠান অনুমতি পেলো। এ বছর প্রতি কেজি ইলিশের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ১২ মার্কিন ডলার।

গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রথমে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে শেষ পর্যন্ত ২ হাজার ৪২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। এবার এর অর্ধেক ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো। গতবার সব মিলিয়ে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ৪৯ প্রতিষ্ঠানকে।
মানতে হবে যেসব শর্ত

রপ্তানিকারকদের রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ এর বিধি-বিধান অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এ অনুমতির মেয়াদ চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। পরবর্তী আবেদনের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী অনুমোদিত পরিমাণ থেকে প্রকৃত রপ্তানির পরিমাণ সংক্রান্ত সব তথ্য প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

আদেশে আরও বলা হয়, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না। প্রতিটি পণ্যচালান রপ্তানিকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষ অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম (ASYCUDA World System) পরীক্ষা করে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানি না করার বিষয়টি নিশ্চিত হবেন।

এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয়, অনুমোদিত রপ্তানিকারক কোনোক্রমেই নিজে রপ্তানি না করে সাব-কন্ট্রাক্ট দিতে পারবে না। সরকার প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ রপ্তানি অনুমতি বাতিল করতে পারবে। যদিও সব সময়ই এসব শর্ত থাকে।




দুর্গাপূজায় ৩ হাজার টন ইলিশ যাচ্ছে ভারতে

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানি করবে কি না এ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে আলোচনা চলছে। এরমধ্যে এমন সিদ্ধান্ত এলো।

সাধারণত ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়ে থাকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তার আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে সুপারিশ আসতে হয়।

তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এতোদিন বলছিল, এবার ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে না।




প্রথম চালানে ৪৫ হাজার ৮০০ কেজি ইলিশ গেলো ভারতে

দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিন হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই রফতানির প্রথম চালানে আজ ভারতে গেলো ৪৫ মেট্রিক টন ৮০০ কেজি ইলিশ।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২টি ট্রাকে করে এই ইলিশ ভারতে পাঠানো হয়েছে। কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইলিশের চালান প্রবেশ করে।বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২টি ট্রাকে করে ৪৫ মেট্রিক টন ৮০০ কেজি ইলিশ ভারতে পাঠানো হয়েছে
আজ যেসব রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ইলিশ মাছ রফতানি করছে সেগুলো হলো– মাহিমা এন্টারপ্রাইজ, তানিসা এন্টারপ্রাইজ, সেভেন স্টার ফিশ প্রসেসিং, রিপা এন্টারপ্রাইজ ও প্যাসিফিক সি ফুড। এই মাছের ভারতের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো এসআর ইন্টারন্যাশনাল, নাজ ইমপেক্স প্রাইভেট লিমিটেড, বিমল রায় ও বারখা বিকাস ফিস এজেন্সি।

চালানটি বন্দর থেকে ছাড় করাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করে এমি এন্টারপ্রাইজ এবং গনি অ্যান্ড সন্স নামে দুটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান। প্রতি কেজি ইলিশের রফতানি মূল্য ধরা হয়েছে ১০ ডলার।

গত বছর পূজা উপলক্ষে ২ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমোদন দেওয়া হলেও মাত্র এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি হয়েছিল।

দুই দেশেই শুল্কমুক্ত সুবিধায় এ ইলিশ ভারতে রফতানি করা হয়। এ জন্য বাংলাদেশি ৭৯টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পেয়েছে।

বেনাপোল মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ অফিসের পরিদর্শক মাহাবুবুর রহমান জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার বাংলাদেশের ৭৯ জন রফতানিকারককে ৫০ টন করে মোট ৩ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সব ইলিশ ভারতে রফতানির নির্দেশনা রয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।

বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ৩ হাজার ৯৫০ কেজি ইলিশ মাছ ভারতে রফতানি নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার প্রথম চালানের ৪৫ মেট্রিক টন ৮০০ কেজি ইলিশ মাছ আজ ভারতে রফতানি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে দুর্গাপূজার মৌসুমে কলকাতায় ইলিশ পাঠিয়ে আসছে বাংলাদেশ।




ভারতে ইলিশ রপ্তানি করতে চেয়ে ১০০ প্রতিষ্ঠানের আবেদন

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ প্রতিষ্ঠান ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে।

মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি শাখা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবারও সে ধারাবাহিকতায় অনুমতি দেয়া হবে। তবে কত প্রতিষ্ঠানকে কী পরিমাণ ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি শাখা সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এবারও ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয়া হবে। তবে কী পরিমাণ অনুমোদন দেবে সেটি চূড়ান্ত হয়নি। অনেকেই আবেদন করেছেন, সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রায় ১০০ প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এর মধ্যে মৌসুমি ব্যবসায়ী বেশি। সেখান থেকে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হবে। আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে বৈঠক করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

ওই সূত্র আরও জানায়, গতবার যেসব প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে অনেকে নির্ধারিত পরিমাণ মাছ রপ্তানি করতে পারেনি। অনেকে একেবারেই রপ্তানি করতে পারেনি। মাছ রপ্তানির বিষয়টি মূলত কী পরিমাণ মাছ ধরা পড়ল সেটির ওপরও অনেকটা নির্ভর করে। তাই এবার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা দেখে অনুমতি দেয়া হবে।

গত বছর দুর্গাপূজায় ১১৫টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার ৬০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সে সময় ইলিশ সংকটের কারণে মাত্র ১ হাজার ১০৮ টন ২৮০ কেজি ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল। ইলিশ রপ্তানির শর্তে বলা হয়েছিল, রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে; শুল্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা রপ্তানি করা পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করাতে হবে। প্রতিটি কনসাইনমেন্ট শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত কাগজপত্র রপ্তানি-২ অধিশাখায় দাখিল করতে হবে; অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ইলিশ পাঠানো যাবে না।