টেকনো ড্রাগসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

সদ্য পুঁজিবাজারে আসা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র অনুসারে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩১ পয়সা। তবে আইপিও পরবর্তী শেয়ার সংখ্যার নিরিখে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির বেসিক ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ১ টাকা ৯০ পয়সা ছিল। তবে আইপিও পরবর্তী শেয়ার সংখ্যার নিরিখে তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ২৫ টাকা ৫১ পয়সা।




তৃতীয় প্রান্তিকে ভিয়েতনামে কফি রপ্তানি কমার আশঙ্কা

লম্বা সময় ধরে নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভিয়েতনামের কফি রপ্তানি। অপর্যাপ্ত সরবরাহ রপ্তানি কমার প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকেও (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কমার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বৈদেশিক বাণিজ্য সংস্থা শনিবার এ তথ্য জানায়। খবর ভিয়েতনাম প্লাস।

ভিয়েতনাম বিশ্বের শীর্ষ রোবাস্তা কফি রপ্তানিকারক। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে রপ্তানি কমলেও আয়ের ধারা ঊর্ধ্বমুখী। সম্প্রতি অ্যারাবিকার তুলনায় রোবাস্তার চাহিদা বেশি থাকার কারণেও কফি বাণিজ্যে সুবিধা পাচ্ছে দেশটি।

২০২২-২৩ কফি বর্ষের (অক্টোবর ২০২২-আগস্ট ২০২৩) ১১ মাসে ভিয়েতনাম ১৬ লাখ টন কফি রপ্তানি করে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি ২ শতাংশ কমেছে। উৎপাদন কমেছে ১০-১৫ শতাংশ। বর্তমানে দেশটির কাছে রপ্তানিযোগ্য কফি সরবরাহ খুবই কম। আগামী নভেম্বর থেকে ফের সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে তলানিতে থাকা মজুদের কারণে আগস্টে কফির দাম নতুন রেকর্ড স্পর্শ করে। প্রতি টনের মূল্য দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৪ ডলারে, যা আগের মাসের তুলনায় ৮ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে কফির গড় দাম ৯ শতাংশ বেড়েছে।

ভিয়েতনামের কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশটি ১২ লাখ টন কফি রপ্তানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ ৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে আয় ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৩০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় কফি রপ্তানি বাজার জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান।

দেশটির শুল্ক বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, আগস্টে কফি রপ্তানির পরিমাণ কমে নয় মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। এ সময় ৮৪ হাজার ৬৪৭ টন কফি রপ্তানি করা হয়। এক মাসের ব্যবধানে রপ্তানির পরিমাণ ২২ দশমিক ৩ শতাংশ ও আয় ১৬ শতাংশ কমেছে।