তিতাসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি। একই সভায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ প্রদান সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




ঢাকার বাইরেও বসছে তিতাসের প্রিপেইড মিটার

ঢাকার বাইরের গ্রাহকদেরও প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনছে তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানি। প্রথম পর্যায়ে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসানো হবে ১১ লাখ প্রিপেইড মিটার। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় তিন হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস কোম্পানি এই মিটার বসানোর কাজ শুরু করবে শিগগিরই। এরপর অন্যান্য জেলায়ও প্রিপেইড মিটার বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। তিতাসের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

তিতাস সূত্র বলছে, প্রিপেইড মিটারের সুবিধা হলো, গ্রাহকরা বিল দিয়ে পরে গ্যাস ব্যবহার করে। এতে বিল বকেয়া থাকার সুযোগ নেই। এছাড়া প্রিপেইড মিটার বসানোর জন্য তিতাসের ওপরের সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

জানা গেছে, প্রথমে সীমিত পরিসরে রাজধানীতে প্রিপেইড মিটার বসানোর কাজ করে তিতাস। তবে গ্রাহকের চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত মিটার দিতে পারছিল না কোম্পানিটি। বরং কোনও কোনও এলাকা থেকে ১০ বছরের পুরনো মিটার খুলে আনছে সংস্থাটি। এতে ওই সব এলাকায় আবারও আগের মতো মাস শেষে বিল নিচ্ছে তিতাস।

এ অবস্থায় ঢাকার বাইরের গ্রাহকদেরও প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে তিতাস কোম্পানি। সম্প্রতি বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে তিতাসের উন্নয়ন কার্যক্রমের বিষয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে ঢাকার বাইরের গ্রাহকদেরও প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানানো হয়।

জ্বালানি বিভাগের একজন কর্মকর্তা না প্রকাশ না করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ২৭ লাখ ৮৩ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এরমধ্যে ২৭ লাখ ৬৪ হাজার গ্রাহক বাসাবাড়ির।’ জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ভিন্ন একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৭ সালে ঢাকার কিছু এলাকায় প্রিপেইড মিটার বসায় তিতাস বলে জানান তিনি।

তিতাস বলছে, এ ছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ঢাকা (দক্ষিণ) এবং নারায়ণগঞ্জের জন্য আরও সাড়ে ছয় লাখ মিটার বসানো হবে। এই প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে এডিবির সঙ্গে তিতাস আলোচনা করছে। প্রকল্পটি জ্বালানি বিভাগের যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে।

এছাড়া আরও তিন লাখ ২০ হাজার গ্রাহকের আঙিনায় প্রিপেইড মিটার বসানোর জন্য জাইকার অর্থায়নে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।

এই তিনটি প্রকল্প শেষ হলে আর কতজন প্রিপেইড মিটারের আওতার বাইরে থাকবে, তা যাচাই করে আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, যেন সব গ্রাহক এর আওতায় আসে।

তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ মোল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা প্রিপেইড মিটারের বিষয়টি গ্রাহককে উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। গ্রাহক চাইলে নিজেই প্রিপেইড মিটার কিনে এনে আমাদের লোকদের দিয়ে বসাতে পারতেন। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কেউ মিটার কিনতে চায় না। এ কারণে আমরা বিনা পয়সায় গ্রাহককে মিটার সংযোজন করে দিচ্ছি।’ পর্যায়ক্রমে তিতাসের সব গ্রাহক প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসবে বলে জানান তিনি।




আবাসিকে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তিতাসের

দেশে চলছে গ্যাস সংকট। এর মধ্যে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আবেদন করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। এক চুলার ১৩৭৯ টাকা এবং দুই চুলার (ডাবল বার্নার) ১৫৯১ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিতাস সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে তিতাস। প্রস্তাবে আবাসিকে মিটারবিহীন এক এবং দুই চুলার গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৩৯ থেকে ৪৭ শতাংশ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয় । গ্রাহকরা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহার করেন এমন দাবি করে মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করা হয়ছে। এক চুলার ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৫৫ ঘনমিটার এবং দ্বিমুখী চুলার ক্ষেত্রে ৬০ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করেন এমন বিবেচনায় কমিশন সর্বশেষ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করেছে। প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১৮ টাকা হিসাবে বর্তমানে মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকের মাসিক বিল যথাক্রমে ৯৯০ ও ১০৮০ টাকা দিতে হয়। বর্তমানে মিটারবিহীন গ্রাহকের সংখ্যা ২৫ লাখ ২৫ হাজার। তিতাসের নতুন দাম কার্যকর হলে প্রতি মাসে তাদের বাড়তি আয় হবে ১২৮ কোটি টাকা।

আবেদনে আরও বলা হয়, গ্রাহকরা রান্নার পাশাপাশি গ্যাস ব্যবহার করে পানি ফুটায়। অনেক বাসায় সাবলেট ভাড়াটিয়া থাকে। এতে কমিশন নির্ধারিত গ্যাসের চেয়ে বেশি পরিমাণে গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা এক যুগ আগের একটি সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়েছে। তাদের দাবি, ২০০০-২০০১ অর্থবছরে রাজধানীর গুলশান, বনানী এলাকায় প্রায় ১০০ আবাসিক গ্রাহকের বাসায় স্থাপিত মিটারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গ্যাসের মাসিক ব্যবহারের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৮৭ দশমিক শূন্য ৫ ঘনমিটার এবং ১১২ দশমিক ৪২ ঘনমিটার।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিতাসের এ দাবি একেবারেই অযৌক্তিক। গ্রাহকরা প্রতি মাসে ৪৫ থেকে ৫০ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার করেন, যা কমিশন নির্ধারিত পরিমাণের চেয়েও কম। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সর্বশেষ গণশুনানিতে এটি প্রমাণিতও হয়েছে। তাছাড়া, বর্তমানে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী ৪ সদস্যের একটি পরিবারে দুই চুলা এক হাজার টাকার গ্যাস দিয়ে গড়ে প্রায় দুই মাস চলে। অন্যদিকে মিটারবিহীন গ্রাহক গ্যাস ব্যবহার করুক বা নাই করুক, এমনকি কোনো মাসে এক দিনও চুলা না জ্বালালেও তাকে দুই চুলার জন্য প্রতি মাসে ১০৮০ টাকা গুণতে হচ্ছে। অনেক গ্রাহকের বাসায় আবার বেশির ভাগ সময়ই গ্যাস থাকে না। থাকলেও চাপ থাকে কম। মাসিক বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্যাসের স্বল্পতার এ বিষয়গুলো কখনোই আমলে নেওয়া হয় না।

তারা আরও বলেন, তিতাস দীর্ঘদিন ধরেই গ্রাহকের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায় করে আসছিল। এর আগে ৭৩ দশমিক ৪১ ঘনমিটার থেকে ৭৭ দশমিক ৩৮ ঘনমিটার গ্যাস হিসাব করে বিল নিত গ্রাহকের কাছ থেকে। সর্বশেষ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির শুনানিতে নানা যুক্তি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এর সত্যতা খুঁজে পাওয়ায় কমিশন মাসিক গ্যাসের ব্যবহারের পরিমাণ কম বিবেচনা করে দাম নির্ধারণ করেছিল।

এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মকর্তা বলেন, কোনো সমীক্ষা ছাড়া মিটারবিহীন গ্রাহকের ক্ষেত্রে কমিশন যে মাসিক বিল নির্ধারণ করেছে, তাতে প্রতিষ্ঠানটির সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এক ও দুই চুলার গ্রাহকের মাসিক গ্যাস ব্যবহার যথাক্রমে ৫৫ থেকে বাড়িয়ে ৭৬ দশমিক ৬৫ ঘনমিটার ও ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৮৮ দশমিক ৪৪ ঘনমিটার পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বিইআরসির সাবেক সদস্য (গ্যাস) মোহাম্মদ মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, তিতাস কেন মাত্র ১০০ গ্রাহকের ওপর জরিপ করে দাবি করছে গ্রাহকরা বেশি গ্যাস ব্যবহার করেন। তাদের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মিটারযুক্ত যে গ্রাহক রয়েছেন, তারা প্রতি মাসে মোট কত গ্যাস ব্যবহার করেন, সেটা হিসাব করলেই তো প্রকৃত হিসাব বের হবে । গণশুনানিতে তিতাসের হিসাবেই প্রমাণ হয়েছিল এক মাসে সর্বোচ্চ গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ৪৫ ঘনমিটার। ভোক্তারাও যুক্তি এবং তথ্যপ্রমাণ দিয়ে এটা দেখিয়ে দিয়েছেন। আমরাও এটা বিশ্বাস করি। তারপরও আমরা ৬০ ঘনমিটার করেছিলাম। কারণ একবারে বেশি না কমিয়ে তাদের একটা সুযোগ দিয়েছিলাম। ধাপে ধাপে গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল কমিশনের। বর্তমান কমিশনও আগের তথ্যপ্রমাণ আমলে নিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে । তিতাসের এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) গণশুনানিতে সবার সামনে ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রতি মাসে কী পরিমাণ গ্যাস চুরি হচ্ছে তা তিনি নিয়মিত জানাবেন। কিন্তু পরে তিনি তা করেননি। তিতাস তো এখন আর চুরি করছে না, বরং তারা ডাকাতির ওপর ডাকাতি করছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সিনিয়র সহসভাপতি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, তিতাস গ্রাহককে ঠকিয়ে মুনাফা করছে। গ্রাহক ঠিকমতো গ্যাস পান না। এরপরও তাদের ১২ পয়সা হারে গ্যাসের দাম বেশি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিশাল নেটওয়ার্কে হাজার হাজার জায়গায় পাইপলাইন ছিদ্র হয়ে গ্যাসের অপচয় হচ্ছে। প্রায় ২৮ লাখ মিটারবিহীন গ্রাহককে নামমাত্র গ্যাস দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুণ্ঠন করছে। পাশাপাশি অবৈধ সংযোগের মাধ্যমেও টাকা আদায় করছে তারা। এভাবে তারা যে ধরনের একটা প্রাতিষ্ঠানিক লুণ্ঠনের প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করেছে, এর কারণে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়টি তিতাস গ্যাসের কাজ নয়, আমরা শুধু গ্যাস বিতরণ করি আর ১৩ পয়সা হারে মার্জিন পাই। যারা প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করে না তারা আনলিমিটেড গ্যাস ব্যবহার করে, বেশি পরিমাণ গ্যাস ইউজ করে। বিইআরসি প্রি পেইড মিটারে গ্যাসের ব্যবহার বিবেচনায় নিয়ে সিঙ্গেল বার্নারের জন্য ৫৫ ঘনমিটার আর ডাবল বার্নারের জন্য ৬০ ঘনমিটার বরাদ্দ করেছে। মানুষের জন্য প্রি-পেইড মিটার থাকে তখন তারা কনসাসলি অনেক কম গ্যাস ব্যবহার করে। মিটার যখন থাকে না তখন আনলিমিটেড গ্যাস ব্যবহার করে। আমরা কমিশনকে এটা বলার চেষ্টা করেছি।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, তিতাসের একটি প্রস্তাব আমরা পেয়েছি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ ধরনের কোনো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। তিতাসের প্রস্তাবটির যৌক্তিকতা বিবেচনা করতে কমিশন সভায় উত্থাপন করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টির সুরাহা করা হবে।




রাজধানীতে তিতাসের  ১৩৮ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

অবৈধ সংযোগ ব্যবহার এবং বকেয়া বিল পরিশোধ না করার অভিযোগে রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ১৩৮টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটে। গত দুই দিনে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

তিতাস জানায়, মেট্রো ঢাকা বিপণন ও রাজস্ব বিভাগ-২ এর অধিভুক্ত এলাকায় মঙ্গলবার (৯ মে) বকেয়া আদায় এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। মেট্রো ঢাকা (উত্তর ও দক্ষিণ)-এর বিভিন্ন বিভাগ থেকে অগত টিমগুলো গ্রাহক আঙ্গিনা পরিদর্শন করে মঙ্গলবার মোট ৬০টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এরমধ্যে বকেয়ার কারণে ৫৩টি এবং অবৈধ কার্যকলাপের জন্য সাতটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একইভাবে সোমবারও ৭৮টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তিতাস। এর বাইরে সোমবার রূপনগরের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ১৮টি কারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে পুরো এলাকার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে সেই ১৮টি কারখানা বন্ধের শর্তে মঙ্গলবার আবার সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

অভিযানের সমন্বয়কারী মহাব্যবস্থাপক (মেট্রো ঢাকা রাজস্ব ডিভিশন) মো. রশিদুল আলম  জানান, গতকাল এবং আজ রাজধানীর পল্টন, সেগুনবাগিচা, তোপখানা, বিজয়নগর, শাহজাহানপুর, কমলাপুর, মানিকনগর, নাজিমউদ্দিন রোড, ওয়াইজঘাট, বকসিবাজারসহ সদরঘাট পর্যন্ত এলাকায় অভিযান চালিয়েছে তিতাস। অভিযানে সোমবার ৭৮টি এবং মঙ্গলবার ৬০টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই অভিযানের অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহের সোমবার ও মঙ্গলবার রাজধানীর মুগদা, মান্ডা, খিলগাঁও, বনশ্রীসহ আশেপাশের এলাকায় অভিযান চালাবে তিতাস।’