ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাউবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

ঢাবি উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, ওই দিন সকালে উপাচার্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন ড. নিয়াজ আহমদ খান। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে নির্বাচনের আগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি অনেকটাই দূর হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দায়িত্ব পালনের এই পর্যায়ে এসে তিনি মনে করছেন, এখন সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

তবে তিনি তখন আরও বলেন, যেন কোনো ধরনের শূন্যতা তৈরি না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। সরকারের প্রয়োজন হলে তিনি আরও কিছু সময় দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনি সরে দাঁড়াতে চান যাতে রাজনৈতিক সরকার তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। প্রয়োজনে তিনি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন বলেও উল্লেখ করেন।

পাশাপাশি তিনি সরকারকে অনুরোধ জানান, যেন দ্রুত তাকে ডেপুটেশন থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ বিভাগে শিক্ষকতার কাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।




ঢাবিতে ২৮৪১ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দেড় বছরে ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন প্রকাশ করা হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সব হলের প্রভোস্ট এবং ডাকসু ও হল সংসদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান জানান, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—আবাসন সংকটের সমাধান ও প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের আবাসন নিশ্চিতকরণ, র‍্যাঙ্কিংয়ে ২০০ ধাপ উন্নতি, প্রথমবারের মতো ইউনেস্কো চেয়ার স্থাপন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে রিসোর্সের পরিমাণ বৃদ্ধি, যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন বন্ধে উদ্যোগ, মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুবিধা প্রদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ইত্যাদি

উপাচার্য বলেন, এ সময়ে আমাদের অন্যতম বড় সাফল্য সুন্দরভাবে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন। তিনি বলেন, নিয়মিত ডাকসু আয়োজনের লক্ষ্যে অচিরেই ডাকসুকে ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আমরা যতটুকু এসেছি আপনাদের সহযোগিতায় এসেছি। এটা (ঢাবি) জাতীয় প্রতিষ্ঠান। জাতি যেন এটি থেকে তাদের ন্যায্য হিস্যা বুঝে নেয়।

এ সময় ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি মেগা প্রকল্পের আউটলুক প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়। জানা যায়, প্রকল্পের অধীনে সর্বমোট ৩১টি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ছয়টি ছাত্র হল ও চারটি ছাত্রী হলের পুরাতন ভবন ভেঙে নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়া এই প্রকল্পের অধীনে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন আধুনিকায়ন, অটোমান ডিজাইনে কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ করে সেটিকে কালচারাল সেন্টারে রূপদান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও ডাকসু ভবনের আধুনিকায়ন ইত্যাদি।

এ সময় শিক্ষক মূল্যায়ন চালু সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এটি চালুর কাছাকাছি পর্যায়ে আছে। ডাকসু এটি নিয়ে কাজ করছে। এছাড়া শিক্ষক মূল্যায়নের জন্য সিন্ডিকেট থেকে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়ে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, নিয়োগ নিয়ে ফুল স্কেল রিভিউ কমিটি করা হয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য আলাদা দুটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও বেশি স্বচ্ছ হবে।




কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ মিছিল শুরু

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘অপমানজনক’ বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের একদফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে শিক্ষার্থীদের মিছিলটি শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে ঢাবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার কথা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজও যোগ দিয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘চেয়েছিলাম অধিকার-হয়ে গেলাম রাজাকার’, ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা-দেশটা কারো বাপের না’, ‘তুমি নও আমি নই-রাজাকার রাজাকার’, ‘কে রাজাকার কে রাজাকার-তুই রাজাকার তুই রাজাকার’, ‘আমরা নাকি রাজাকার-ধিক্কার ধিক্কার’, ‘এসো ভাই এসো বোন-গড়ে তুলি আন্দোলন’, ‘কোটা না মেধা-মেধা মেধা’, ‘আপস না সংগ্রাম-সংগ্রাম সংগ্রাম’,-স্লোগান দিচ্ছেন।

বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দেলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবিকে দমাতে গতকাল রাতে বিভিন্ন জায়গায় হামলা করা হয়েছে। তারই প্রতিবাদে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ফুঁসে উঠেছে। আমাদের দাবি, কোটার যৌক্তিক সংস্কার করেই আমরা রাজপথ থেকে সরে যাবো। আমরা এখানে আন্দোলন করতে আসিনি, আমরা পড়ালেখা করতে এসেছি।




উন্নয়নের সবচেয়ে বড় জোগানদার হচ্ছে ব্যাংক : ড. আতিউর রহমান

ব্যাংককে উন্নয়নের সবচেয়ে বড় জোগানদার মন্তব্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, আমরা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করছি সেটা আমরা ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি।

আমাদের ব্যাংকিং খাত ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রথম স্তম্ভ স্থাপন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংকিং খাত মূল্যস্ফীতিকে স্থিতিশীল করে।

শনিবার (২৩ মার্চ) প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘ব্যাংকার্স ওয়েলফেয়ার ক্লাব বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ব্যাংক ও ব্যাংকারদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

ড. আতিউর রহমান বলেন, আমাদের দেশে কৃষক থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আমাদের গ্রামে-গঞ্জে সাব ব্রাঞ্চ আছে। আমাদের অনলাইন ব্যাংকিং চলছে। আমাদের ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের অংশ হিসেবে মোবাইল ব্যাংকসহ মোট ১৭ কোটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আমাদের এজেন্ট ব্যাংকিং সবজায়গায় বিরাজমান। বাংলাদেশে যত ব্যাংক আছে সব ব্যাংকের মালিক হচ্ছে আমানতকারীরা এবং সেই আমানতকারীদের স্বার্থ দেখে ব্যাংকাররা। সুতরাং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবধরনের কাজকে এগিয়ে নিতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকা ব্যাংকারদের উদ্দেশ্যে বলেন, এদেশের মানুষকে ভালো রাখার জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এগুলো নিয়ে কাজ করে। একটি গভর্মেন্টের যে লক্ষ্য, গভর্নমেন্ট যেখানে যেতে চায়, সে জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপনারা একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। সরকার এ জাতিকে এবং দেশকে যে উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়, সেই উচ্চতায় যাওয়ার জন্য আপনারা সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছেন। আপনাদেরকে সেজন্য আমরা সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।

ব্যাংকার্স ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সভাপতি ড. তাপস চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লায়ন হামিদুল আলম সখার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।




নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জ: নসরুল হামিদ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনও বিকল্প নেই। নিজেদের দেশকে নিজেরাই গড়তে চাইলে দেশজ খনিজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। আর একাজে গবেষণা যত বেশি হবে আমাদের খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনের পথ তত সুগম হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তর করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

রবিবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ব বিভাগের মধ্যে কোঅপারেশন ইন এনার্জি রিসার্চ অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং শীর্ষক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। আমাদের দেশেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান ও উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দেবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের কোনও বিকল্প নাই।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব এ কে মিজানুর রহমানের এর সঞ্চালনায় ও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, ভূ-তত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সুব্রত কুমার সাহা।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মোমতাজ উদ্দিন ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক খেনচান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারক সই করেন। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. নূরুল আলম সভাপতিত্বে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।




দেশকে সামনের দিকে নিতে যা যা করার আমরা করে যাচ্ছি : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। এই স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে ঘরে আমরা পৌঁছে দেব। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলাম, সেটি বাস্তবায়ন করেছি। এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যা যা করার আমরা করে যাচ্ছি।

রোববার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে আমরা সরকার ক্ষমতায় আছি। ২০০৯ সাল থেকে আজকে ২০২৩, এটি এখন এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকের ছাত্র-ছাত্রীরা উপলব্ধি করতে পারবে না ২০ বছর আগে কেমন বাংলাদেশ ছিল। সেখানে ক্ষুধা-দারিদ্র ছিল, বৈজ্ঞানিক কোনো কিছু ছিল না। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শিক্ষা চালু করি।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন চেয়েছিলেন তেমন বাংলাদেশ গড়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আমার কাছে প্রধানমন্ত্রীত্ব কিছু না। প্রধানমন্ত্রী হলে বহু আগেই হতে পারতাম। কিন্তু আমি সেভাবে চাইনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, ক্ষমতা হবে জনগণের কল্যাণ সাধন করার। জাতির পিতা যেভাবে চেয়েছেন সেভাবেই দেশকে গড়ে তোলা। সেই প্রচেষ্টাই আমি চালিয়ে যাচ্ছি। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে পথ চলায় আজকে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা আমরা পেয়েছি। যা বাস্তবায়ন হবে ২০২৬ সাল থেকে। জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে যদি রাষ্ট্র পরিচালনা হয়, তাহলে এই বাংলাদেশ আর পেছনে ফিরে তাকাবে না। অনেক দেশই আমাদের সঙ্গে হয়েছিল, অনেকেই পিছিয়ে গেছে। আমরা কিন্তু পিছিয়ে যাইনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর আমাদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছিল। অনেক ইতিহাস মুছে ফেলা হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা শুরু করি। ১৫ আগস্টের পর থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই ভাষণ বাঁজিয়েছিল এবং তা মানুষকে শুনিয়েছিল। আমি জানি না পৃথিবীর কোনো দেশে কোনো ভাষণ এতবার শোনা হয়েছে কি না। আজকে সেই ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্ব প্রামাণ্য দলিলে মানুষকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যা বাঙালি জাতির ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাই আমাদের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক সবাই আমাদের এই যে অর্জনগুলো ধরে রাখেন। এর মাধ্যমেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। জাতির পিতা এই বাংলাদেশের জন্য যে মহান আত্মত্যাগ করে গেছেন, সেটি আমাদের ভুললে চলবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বলেন, ২০১০ সালের ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় জাতির পিতার প্রতি যে বহিষ্কারাদেশ ছিল, প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। আজকে জাতির পিতাকে ডক্টর অব লজ ভূষিত করেছেন, আমি জানি না আপনাদেরকে কীভাবে ধন্যবাদ জানাবো। আমি কন্যা হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাই।

শেখ হাসিনা বলেছেন, এ জাতিকে নিয়ে সবসময় একটা স্বপ্ন ছিল জাতির পিতার। তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি,এই জাতির জন্য চেয়েছেন সবসময়। অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে তার সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যাবে। আমি চাই সকল শিক্ষার্থীরা যেন এই বইগুলো ভালোভাবে পড়ে। এই বইগুলো পড়লে একদিন আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং আমাদের দেশের অবস্থানও জানতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সমাবর্তনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বঙ্গবন্ধুকন্যা ও সমাবর্তন বক্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বঙ্গবন্ধুর এই ডিগ্রি তুলে দেন।




‘পুঁজিবাজারে কম ঝুঁকির বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদে ভালো মুনাফা’

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম বলেন, সব ধরনের ব্যবসায় ঝুঁকি রয়েছে। কে কতটুকু ঝুঁকি নেবে এটি তার নিজস্ব একটি বিষয়। তবে পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে কম ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করলে দীর্ঘমেয়াদে ভালো মুনাফা পাওয়া যায়।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি আয়োজিত প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোতাহার হোসেন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. এটিএম তারিকুজ্জামান অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম৷

রুমানা ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার বিষয়ে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য দুইটি। একটি হলো পুঁজিবাজার সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করা, আর অপরটি হলো সচেতনতা বৃদ্ধি করা। পুঁজিবাজারে আমাদের সঞ্চয়ের এমন অংশ বিনিয়োগ করতে হবে যা আমাদের আগামী এক বছর কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমাদের দেশের বিনিয়োয়াগকারীগণ অনেক ক্ষেত্রে জমিজমা ও গহনা বিক্রি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে। সেটি করা যাবে না। আমাদের দেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সঞ্চয়ের কিছু অংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে উল্লেখ করে ড. রুমানা ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখনই আপনাদের ভবিষ্যত গড়ার সময়। তাই আগে সঞ্চয় করতে হবে, পরে খরচ করতে হবে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী ঝুঁকি নেবেন এবং কী পরিমাণ বিনিয়োগ করবেন সে সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা আজকের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। একজন সচেতন বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারের সম্পদ। তিনি শুধু নিজের নন, তার দ্বারা সমগ্র বাজারের উপকৃত হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এটিএম তারিকুজ্জামান বলেন, আইনি কাঠামো হলো পুঁজিবাজারের মেরুদণ্ড। এটির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা প্রদান হলো আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব। যে কোনো ধরনের কারসাজি দূর করার জন্য শক্তিশালী আইনি কাঠামো প্রয়োজন। আর এই বিষয়ে আমাদের কাজ চলমান আছে৷

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা আগামী দিনের ভবিষ্যত। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি পুঁজিবাজারের আইনি কাঠামো ঠিক রাখার ক্ষেত্রে আইন বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা অবদান রাখতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাদের গবেষণা ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আমি আশা করি, আগামীতে ডিএসই ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ এই বিষয়ে গবেষণামূলক কাজ করবে।




‘বাংলাদেশ আফ্রিকার ১৪০ কোটি মানুষকে টার্গেট করে কাজ করবে’

খুব শিগগিরই আফ্রিকার কিছু দেশে আমরা (বাংলাদেশ) ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ ও এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ শিফট করতে যাচ্ছি। মারিশাসকে কেন্দ্র করে আফ্রিকার ১৪০ কোটি মানুষকে টার্গেট করে আমরা কাজ করবো।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম এসব কথা বলেন।

ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসিনা শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল মোনায়েম এবং কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাশিহুল হক চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যা পড়ি তার সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্র্যাকটিক্যাল কাজের অনেক পার্থক্য রয়েছে। ইথিকস নিয়ে আমরা যেভাবে কাজ করতে চাই, বাস্তবতার নিরিখে অনেক কিছুই করা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন ওয়ার্ল্ডওয়াইড জিও পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজি অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। আগে দেশের মন্ত্রীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতেন বড় বড় ডোনেশন আনতে। যে মন্ত্রী যত বেশি বিদেশি সাহায্য আনতে পারতেন, তার ক্রেডিট তত বেশি হতো। বিশ্বের অনেক দেশ এখনো আমাদের বন্যা-খরা পীড়িত দারিদ্র্য দেশ হিসেবেই জানে। আমাদের দেশের কিছু পলিটিক্যাল মানুষ দেশের বিরুদ্ধেই বিদেশিদের কাছে বদনাম করে। এজন্য বিদেশিরাও আমাদের ছোট করে দেখে।

অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, আমরা যখন বিদেশিদের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কথা বলি তাঁরা অনেকেই বিশ্বাস করতে চায় না। পরে গুগলে অনুসন্ধান করে দেখে বিশ্বাস করে। আগামী মাসে আমরা প্যারিস, তুলুজ, বার্লিন এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ইনভেস্টমেন্ট সামিটের আয়োজন করছি। এ সামিটে ওসব দেশের দূতাবাসগুলো আমাদের সহযোগিতা করছে। একসময় আমরা প্যারিসে সাহায্য নিতে যেতাম। আর এখন আমরা সেখানে বিসনেস পার্টনার খুঁজতে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কখনো মিশন ভিশন ফেইল করেনি। আমরা যখন দারিদ্র্য দেশ ছিলাম তখন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ঋণ পরিশোধে আমরা ব্যর্থ হইনি। ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জনের যেই লক্ষ্য সেটিতেই আমরা ব্যর্থ হবো না।




বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ইস্তেকমাল হোসেন

বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিচালক পদে ( আগে এ পদের নাম ছিল মহাব্যবস্থাপক) পদোন্নতি পেয়েছেন ইস্তেকমাল হোসেন। গত ২১ মে বাংলাদেশ ব্যাংক তাকে এ পদোন্নতি দিয়ে নির্দেশনা প্রকাশ করে।

সোমবার (২২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ইস্তেকমাল হোসেন ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে যোগ দেন। বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়া অফিস, প্রধান কার্যালয়ের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন ও ভিজিলেন্স বিভাগ, ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ডিপার্টমেন্ট এবং সর্বশেষ ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইস্তেকমাল হোসেন বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কম্পিটেন্সি গ্রুপ’ এর সদস্য হিসেবে তিনি ফিলিপাইন ও ভারত থেকে ‘Foreign Exchange BOURSE’ সম্পন্ন করেন। তিনি মালয়েশিয়াতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আয়োজিত ‘রিজার্ভ ম্যানেজমেন্ট’ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নেন। ‘ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্ট, সুইজারল্যান্ড ছাড়াও সেন্ট পিটার্সবার্গে ও বসনিয়া-হার্জেগভিনিয়াতে ‘International Deposit Insurar’ এর বিভিন্ন কনফারেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে অংশ নেন। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের অটোমেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভারতে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

ইস্তেকমাল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স করেন। পরবর্তীতে একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে ‘ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ বিষয়েও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট আলাউদ্-দীন হোসেনের কনিষ্ঠ পুত্র।




ঢাকা ব্যাংকে পদোন্নতি পেলেন দারাশিকো খসরু

ঢাকা ব্যাংকে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়েছেন দারাশিকো খসরু।

তিনি ঢাকা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ রিস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

খসরুর প্রায় তিন দশকের পেশাদার ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি এবি ব্যাংকে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯৫ সালে ঢাকা ব্যাংকে যোগদান করেন। ঢাকা ব্যাংকে বিভিন্ন মেয়াদে খসরু ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

খসরু সফলভাবে অর্থ ও হিসাব বিভাগের প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন এবং ব্যাংকের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসারের (সিএফও) দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি ব্যাংকের চিফ রিস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জিএসডি ও প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করছেন।

খসরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (বিজ্ঞান) ও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।