কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সভা স্থগিত চেয়েছে কর্মকর্তারা

নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলমান অবস্থার মধ্যে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স অনুমোদন বিষয়ক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সভা স্থগিত চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল। সংগঠনটির নেতারা মনে করছেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও সময় নিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

আজ (সোমবার) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিল নেতারা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি এ কে এম মাসুম বিল্লাহ ও সংগঠনটির সভাপতি এ কে এম মাসুম বিল্লাহসহ বিভিন্ন বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যখন নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ ও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া চলছে, ঠিক সেই সময় অল্প নোটিশে ১৬ ফেব্রুয়ারি একটি জরুরি পর্ষদ সভা আহ্বান করা হয়েছে। তারা দাবি করেন, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি ওই সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে, যা আরও বিস্তৃত ও স্বচ্ছ আলোচনার দাবি রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাতের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়। কাউন্সিল নেতারা বলেন, লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন বা বিতর্কের অবকাশ থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ব্যক্তিগত পরিচয় বা প্রভাবের বিষয় থাকলে তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তারা মত দেন।

তারা আরও উল্লেখ করেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন ও বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী মালিকানা কাঠামো ও শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক অন্তর্বর্তী সময়ে বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলেও তারা মনে করেন।

কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৬১টি তফসিলি ব্যাংক ও বহু আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের উচ্চহার এবং কিছু ব্যাংকের তারল্যসংকটের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নতুন ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের আগে এর প্রয়োজনীয়তা, সম্ভাব্য প্রভাব ও ঝুঁকি গভীরভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা, ১৬ ফেব্রুয়ারির জরুরি পর্ষদ সভা পুনর্বিবেচনা ও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানানো হয়।

তারা বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য, এবং স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াই এ ক্ষেত্রে আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে পারে।




নগদকে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদনপত্র হস্তান্তর

নগদ ডিজিটাল ব্যাংক লিমিটেডকে অনুমোদনের কপি হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এরমধ্য দিয়ে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তার কার্যালয়ে নগদ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুকের হাতে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদনের কপি বা লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) হস্তান্তর করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মোহাম্মদ নাসের, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (বিআরপিডি) মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক (বিআরপিডি) মো. মনিরুল ইসলাম ও নগদের নির্বাহী পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদ এলিট উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার শুভেচ্ছা জানান ও নগদের সফলতা কামনা করেন।

দেশের সাড়ে আট কোটি মানুষের আস্থার নাম নগদ। উদ্ভাবনী সব সেবা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল আর্থিক সেবায় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। ফলে খুব অল্প সময়ে বিশাল গ্রাহকভিত্তি ও মার্কেট শেয়ার নিতে সক্ষম হয়েছে। বাজারে প্রতিযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গ্রাহকের লাভ হয়েছে। দ্রুত এগিয়ে চলার এই পথপরিক্রমায় দেশের দ্রুততম ইউনিকর্ন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকেও স্বীকৃতি পেয়েছে নগদ।

গত তিন বছর ধরে ডিজিটাল ব্যাংকের সেবা চালু করার জন্যে নীতিনির্ধারকদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছিল নগদ। অনুমোদন পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের কাছে আধুনিক ব্যাংকিং পৌছে দিতে এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে নগদ।

ডিজিটাল ব্যাংক বিষয়ে নগদ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে অনুমোদন পেল নগদ। সাধারণ মানুষ যারা নানা কারণে ব্যাংকে আসতে বাধা অনুভব করেন তাদের কাছে সেবা নিয়ে হাজির হবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক। এ পদ্ধতিতে গ্রাহককে আর ব্যাংকে আসতে হবে না বরং ব্যাংকই মানুষের হাতে হাতে ঘুরবে। এরমধ্য দিয়ে দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি হবে। প্রথাগত ব্যবসায়ের বাইরে যারা আছেন, তাদের কোনো রকম জামানত ছাড়াই সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র সঞ্চয় স্কিম চালুসহ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজের সবকিছুর সমাধান দেবে ডিজিটাল ব্যাংক। এর মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের পথ আরও সুগম হবে।’

অনুষ্ঠানিকতা এবং প্রস্তুতি শেষে স্বল্পতম সময়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের সেবা কার্যক্রম চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।




ডিজিটাল ব্যাংকের প্রস্তুতি, নগদ ফাইন্যান্সের লাইসেন্স প্রত্যাহার

ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ। এ লক্ষ্যে নগদ ফাইন্যান্স পিএলসির লাইসেন্স প্রত্যাহার করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৯ আগস্টা) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ।

গত ১০ জুলাই ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) লাইসেন্স বাতিল চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। পরে ২২ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় নগদ ফাইন্যান্সের লাইসেন্স প্রত্যহারের আবেদেন গ্রহণ করা হয়।

সম্প্রতি নগদের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ ফাইন্যান্স পিএলসিকে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দেওয়া হয়। তবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার আগেই নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সমর্পণের আবেদন করে চিঠি পাঠায়।

অনুমোদন দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছিল, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৩ এর ৪(১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি’ কে বাংলাদেশে অর্থায়ন ব্যবসা পরিচালনার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দিয়েছে।

জানা যায়, নগদের এমএফএস সেবা এই প্রতিষ্ঠানের আওতায় পরিচালনার উদ্দেশ্যেই লাইসেন্সটি নেওয়া হয়েছিল। তবে এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সমর্পণ করেছে। কারণ ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স নিতে চাচ্ছে নগদ।




ডিজিটাল ব্যাংক চায় ইসলামী ইন্স্যুরেন্স

ডিজিটাল ব্যাংক চায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, ডিজিটাল ব্যাংকে তারা সাড়ে ১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। যা ব্যাংকটির মোট মূলধনের ১০ শতাংশ। প্রস্তাবিত ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১২৫ কোটি টাকা।

কয়েকটি কোম্পানি মিলে একটি ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হবে। তবে তার আগের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন নিতে হবে।

২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত এই বীমা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪১ কোটি ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৫টি। কোম্পানিটির শেয়ার বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরু হয় ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা।




ডিজিটাল ব্যাংকে বিনিয়োগ করবে এমকে ফুটওয়্যার-কুইন সাউথ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানি ডিজিটাল ব্যাংকে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো-এমকে ফুটওয়্যার লিমিটেড ও কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড।

মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লিখিত কোম্পানি দুটি আরও কয়েকটি কোম্পানি মিলে একটি কনসোর্টিয়াম গঠনের মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবে। কোম্পানি দুটির পরিচালনা পর্ষদ ওই কনসোর্টিয়ামে যোগ দেওয়া ও প্রস্তাবিত ব্যাংকে স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার হিসেবে থাকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রস্তাবিত ব্যাংকের নাম হবে ‘ওপেন ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’ (Open Digital Bank PLC)। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন থাকবে ১২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমকে ফুটওয়্যার ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে চায়। কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে চায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।




ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে চায় পাঠাও

ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করেছে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও।

শনিবার (১৯ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানায়, পাঠাও ডিজিটাল ব্যাংক, পাঠাওয়ের এক কোটি তরুণ ভোক্তা এবং পাঁচ লাখ ড্রাইভার, ডেলিভারি এজেন্ট ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনমান প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পরবর্তী অধ্যায়।

তারা জানায়, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের যে বৃহৎ অংশ দ্রুত ঊর্ধ্বগামী ও ডিজিটাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত, তাদের বেশিরভাগ ইতিমধ্যেই পাঠাওয়ের নিয়মিত ব্যবহারকারী। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশের অর্থনৈতিক খাতে অবদানকারী এই জনগোষ্ঠীর চাহিদাগুলো অবহেলিত থেকে যায়। ঋণ গ্রহণের জন্য তাদের পর্যাপ্ত যোগ্যতা ও চাহিদা থেকে থাকলেও এজন্য তাদেরকে অনেক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়, কেননা প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই ভোক্তাদের প্রযুক্তি-নির্ভর কম পুঁজির ক্ষুদ্র ব্যবসার, যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত বিতরণ ব্যবস্থা, ডেটা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার অভাব রয়েছে।

সমৃদ্ধ গ্রাহক ডেটা, উন্নত অ্যানালিটিকস ও উচ্চপর্যায়ের প্রকৌশল ক্ষমতা থাকার ফলে পাঠাও এই নির্দিষ্ট অংশটির আর্থিক সমস্যার সমাধানে বিশেষ উদ্ভাবনী পদ্ধতি নিয়ে এসেছে, যার একটি নমুনা ‘পাঠাও পে লেটার’– বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহৎ ‘বাই নাও পে লেটার (বিএনপিএল)’ সলিউশন।

ডিজিটাল ব্যাংকিং লাইসেন্স পাঠাওকে এমন একটি রেগুলেটরি কাঠামোর সুবিধা দেবে, যার মাধ্যমে এর সকল ভোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলো যেভাবে চায় সেভাবেই লেনদেন করতে পারবে, যখন প্রয়োজন তখনি অর্থায়ন করতে পারবে এবং যেভাবে উচিত সেভাবেই তহবিল পরিচালনা করতে পারবে ।

পাঠাওয়ের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, ‌‘পাঠাও শুধুমাত্র একটি ব্র্যান্ড বা প্রোডাক্ট নয়, এটি একটি লাইফস্টাইল। শহুরে যাতায়াত ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের গিগ ইকোনমির ক্ষেত্রে পাঠাও এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে; এবার পাঠাও ডিজিটাল ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকেও আমূলে বদলে দেবে। আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরা ক্যাটালিস্টের ভূমিকা পালন করবো।’




ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স  আবেদন ১ আগস্ট শেষ

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আবেদনের শেষ তারিখ ১ আগস্ট।

দেশের সব পর্যায়ের মানুষের কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে চালু হবে ডিজিটাল ব্যাংক। ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার আবেদন যাতে সহজে করা যায়, সেজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ২১ জুন নতুন ওয়েবসাইট https://license.bb.org.bd চালু করেছে। এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মুহূর্তে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা যাচাই-বাছাই করে যোগ্যদের লাইসেন্স দেবে। এখন পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেননি কেউ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য ওয়েবপোর্টাল চালুর পর এ পর্যন্ত কোনো আবেদন জমা পড়েনি।

ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য এ সংক্রান্ত নীতিমালার শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রস্তাবিত কোম্পানির নামে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) থেকে ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন হবে ১২৫ কোটি টাকা এবং প্রত্যেক স্পন্সরের সর্বনিম্ন শেয়ারহোল্ডিং হবে ৫০ লাখ টাকা। কোনো ঋণখেলাপি এ ব্যাংকের স্পন্সর হতে পারবে না। নীতিমালার নানা শর্ত পূরণ করে বিকাশ, নগদসহ এ জাতীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লাইসেন্সের আবেদন পেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা যাচাই-বাছাই করবে।

গত ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ডিজিটাল ব্যাংকের রূপরেখা ও নীতিমালা অনুমোদন করা হয়। এই নীতিমালা ও ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে ডিজিটাল ব্যাংক। ডিজিটাল ব্যাংকের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে ব্যাংকের যাত্রা আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। ডিজিটাল ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ, ঋণ আবেদন, ঋণ অনুমোদন সবকিছুই হবে অনলাইনভিত্তিক।




ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা অনুমোদন

প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের রূপরেখা ও নীতিমালা অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের সব পর্যায়ের মানুষের কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে চালু হবে এই ডিজিটাল ব্যাংক।

বুধবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সভায় পর্ষদ সদস্য, ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবুল বশর।

তিনি জানান, বোর্ড সভায় প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন হয়েছে। লাইসেন্স পেতে ন্যূনতম মূলধন লাগবে ১২৫ কোটি টাকা। ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। এই ব্যাংকের প্রত্যেক স্পন্সরের সর্বনিম্ন শেয়ারহোল্ডিং হবে ৫০ লাখ টাকা।

প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টাকে প্রসারিত ও ত্বরান্বিত করতে একটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের কথা বলেছেন। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। এর ধারবাহিকতায় ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নীতিমালা ও ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে ডিজিটাল ব্যাংক। ডিজিটাল ব্যাংকের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে ব্যাংকের যাত্রা আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে। ডিজিটাল ব্যাংকের আমানত সংগ্রহ, ঋণ আবেদন, ঋণ অনুমোদন সব কিছুই হবে অনলাইনভিত্তিক।