আমরা বদলালে ঢাকা বদলাবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, ঢাকা আমাদের প্রাণের শহর। এই শহরকে যদি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে চাই, তাহলে আগে নিজেদের বদলাতে হবে। আমরা বদলালে ঢাকা বদলাবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ডিএসসিসির নগর ভবনে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত “ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি” কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়।

প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, আমরা চাই না পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় ঢাকা থাকুক। আমরা চাই পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও সবুজ শহরের তালিকায় ঢাকা এক নম্বরে থাকুক।

মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতার জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন, আজও তেমনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ডাকে ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ করতে তারা রাজপথে নেমেছেন।

আবদুস সালাম বলেন, আমরা একদিন চলে যাব, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকেই দেশের দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে দেশের জন্য নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান নগর ভবন থেকে শুরু হয়ে জাতীয় স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট হয়ে বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।




পথচারী-যান চলাচল নির্বিঘ্ন রেখেই হকার পুনর্বাসন হচ্ছে : ডিএসসিসি প্রশাসক

পথচারী চলাচল ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন নিশ্চিত করেই হকারদের সুশৃঙ্খল পুনর্বাসনের কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

শনিবার (২ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ এর আওতাধীন হক আবাসিক সোসাইটি এলাকায় রাস্তা উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নে লেন ও বাই-লেনের পাইপ নর্দমাসহ প্রায় ১ দশমিক ১ কিলোমিটার রাস্তা উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৬৭ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার কাজে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সিটি করপোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় নাগরিক সমস্যা সমাধান ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।

ফুটপাতে হকার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, অতীতে হকাররা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করার ফলে জনভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো। এখন থেকে ফুটপাত বা রাস্তার নির্ধারিত স্থানে, নির্দিষ্ট সংখ্যক হকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসতে পারবেন। আমরা পথচারী ও যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা নিশ্চিত করেই হকারদের সুশৃঙ্খল পুনর্বাসনের কাজ করছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, নতুন সরকারের কাছে জনগণের যে প্রত্যাশা, ডিএসসিসি তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে তা পূরণ করবে বলে আমার বিশ্বাস। উন্নয়নমূলক কাজে নতুন সংযুক্ত এলাকাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়ায় তিনি প্রশাসককে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ কাউন্টার অপসারণ

রাজধানীর সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও যানজট নিরসনে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। টিটিপাড়া মোড় থেকে ধোলাইপাড় পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় অনুমোদনহীন ও অবৈধ বাস কাউন্টারসমূহ উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ডিএসসিসি জানায়, গত ১০ মার্চ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতি, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিবহন মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিক কমিটির সঙ্গে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রাথমিক জরিপে টিটিপাড়া মোড় থেকে ধোলাইপাড় পর্যন্ত সায়েদাবাদ কাউন্টারকেন্দ্রিক মোট ২৪০টি অবৈধ বাস কাউন্টার চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে চিহ্নিত অবৈধ স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের ভবিষ্যতে সড়ক বা ফুটপাত দখল না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। এই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পর্যায়ক্রমে ২৪০টি অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে জানানো হয়েছে, সায়েদাবাদের পাশাপাশি রাজধানীর আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ফুটপাত দখলমুক্ত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। মগবাজার মোড় থেকে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণি হয়ে কাকরাইল মসজিদ, মৎস্য ভবন ও আব্দুল গনি রোড হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন এলাকা এবং বাংলামোটর থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, হেয়ার রোড ও শিক্ষা ভবন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

দীর্ঘদিন ধরে সায়েদাবাদ এলাকায় অবৈধ বাস কাউন্টার স্থাপনের ফলে তীব্র যানজট ও যাত্রীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল। জনস্বার্থে এবং নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ডিএসসিসি এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। অবৈধ কাউন্টারসমূহ সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।




বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রকৌশলীদের কাজে লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মহানগর (ঢাকা) নিয়ে খুবই সিরিয়াস। তিনি সব সময় ওনার নলেজে রাখতে চান যে আমরা কী কাজ করছি, কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং কোথায় কী কাজ করতে হবে। ইতোমধ্যে আমাদের দুইজনকে মহানগরের দায়িত্ব দেওয়ার পর আগে যে শহরের অবস্থা ছিল, তার চেয়ে কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মীদের বোনাস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিনরাত যারা কাজ করে, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ঈদের উপহার দিয়েছেন, বোনাস দিয়েছেন। সেটা আমরা আজকে দিয়েছি। কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছে, ধন্যবাদটা আমরা ওনাকে পৌঁছে দিয়েছি।’

তবে প্রধানমন্ত্রী এই অগ্রগতিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) বললেন, এতে আমি খুশি না, যতটুকু হয়েছে আরও আরও কাজ করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-নর্দমা যা আছে এগুলোকে কীভাবে আরও আধুনিকীকরণ করা যায়, এ সমস্ত বিষয়ে উনি দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ এ সমস্ত বিষয়ে আরও কাজ হবে।’

দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান, বিদেশ থেকে আমরা কেন আমদানিনির্ভর হবো? আমাদের এখানে লোকাল যারা স্টুডেন্ট আছে, ইঞ্জিনিয়াররা আছে, মহানগরকে ক্লিন করার জন্য যে সমস্ত ভেহিক্যালস (যানবাহন) বা ডাম্পিং ট্রাক দরকার, সেগুলোর ব্যাপারে উনারা কতটুকু সাহায্য করতে পারবে, লোকালি বানিয়ে দিতে পারবে কি না– এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুবই সিরিয়াস। আমরা আমদানিনির্ভর না হয়ে আমাদের দেশের ওপর নির্ভর হতে চাই, এটাই ওনার ইচ্ছা। উনি চান লোকাল স্পেয়ার পার্টস বা লোকাল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করুক।’

ঈদকেন্দ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঈদকেন্দ্রিক নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। এটা নিয়ে আমরা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রেরা সাথে সাথে দুই-তিনটা মিটিং করে ফেলেছি। ঈদের সময় যারা শহর ছেড়ে যাবে, তারা যাতে নির্বিঘ্নে যেতে পারে, সে জন্য বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলো যেখানে আছে, সেখানকার রাস্তাঘাটগুলো কিছুটা সংস্কার করে দিয়েছি।’

তিনি জানান, প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহেই তাদের কাছে জানতে চান এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের এখানে আসা।

মশার উপদ্রবে সৃষ্ট অস্বস্তিকর পরিবেশ এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মশা নিয়ে কাজ করতে গেলে একটু সময় লাগে। আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে তা সবাই বলছে। আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অলরেডি উত্তর সিটি করপোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কি না, এটি তদারকির জন্য একটা কমিটি করে দিয়েছি। আমাদের যে সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে, তা দিয়ে কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই লোকাল ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা সহযোগিতা করছি।’

মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মশা শুধু ওষুধ দিয়ে নিধন করা যায় না। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফলে যে সমস্ত খাল, নর্দমা এবং ড্রেন রয়েছে– ওষুধের পাশাপাশি সেগুলো পরিষ্কার করার ক্রাশ প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে অনেকগুলো খাল ও নর্দমা পরিষ্কার করেছি এবং এটা অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে। অনেক জায়গায় খালগুলোর মুখ বন্ধ হয়ে গেছে, সেটা খনন করার ব্যবস্থা করেছি। পরিকল্পনামতো দ্রুতই আগামী বর্ষার আগেই যাতে আমরা মোটামুটিভাবে শতভাগ না হলেও তার কাছাকাছি যেতে পারি। ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব, এটা আমাদের করতেই হবে।’

নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সচিবালয়ে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এহসান সাংবাদিকদের জানান, বর্জ্য অপসারণে স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বুয়েট উদ্ভাবিত ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বাস্তবায়ন এবং দেশেই প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি উন্নয়নের বিষয়েও কাজ চলছে। তবে এখনো এর কোনো সময়সীমা নির্ধারণ হয়নি।




ঢাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন হাট-বাজারের লাইসেন্স নিতে হবে

ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় হাট-বাজার পরিচালনায় লাইসেন্স বা অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ডিএসসিসির ফেসবুক পেজে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (বেসরকারি বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা) প্রবিধানমালা, ২০২২ এর আলোকে সরকার ব্যতীত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অধিক্ষেত্রে ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পূর্বনির্ধারিত অথবা দর কষাকষির মাধ্যমে কেনাবেচা হয়ে থাকে এমন ক্ষেত্রে (সুপারশপ ও শপিংমল ছাড়া) বেসরকারি বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সিটি করপোরেশন এলাকায় বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




লাইসেন্স ছাড়া বাজার বসালে ব্যবস্থা নেবে ডিএসসিসি

লাইসেন্স ব্যতীত কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সিটি করপোরেশন এলাকায় বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯’ এর ধারা ৯২ এর অধীন পঞ্চম তফসিলের ১ ও ৩ ক্রমিকে বর্ণিত অপরাধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (বেসরকারি বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা) প্রবিধানমালা, ২০২২’-এর আলোকে ‘সরকার ব্যতীত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অধিক্ষেত্রে এক বা একাধিক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন কোনও জমি, স্থায়ী বা অস্থায়ী অবকাঠামো বা খোলা জায়গা, যে স্থানে বহু সংখ্যক ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে খাদ্যদ্রব্য, ভোগ্যপণ্য, শাক-সবজি, পানীয়, পশু-পাখিসহ দৈনন্দিন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পূর্বনির্ধারিত অথবা দর কষাকষির মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় সম্পাদিত হয়ে থাকে’ এমন ক্ষেত্রে (সুপারশপ ও শপিংমল ব্যতীত) বেসরকারি বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।

অন্যথায় লাইসেন্স ব্যতীত কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সিটি করপোরেশন এলাকায় বাজার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করলে তার বিরুদ্ধে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯’-এর ধারা ৯২ এর অধীন পঞ্চম তফসিলের ১ ও ৩ ক্রমিকে বর্ণিত অপরাধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




ঢাকার দুই সিটিতে এবার বসছে ১৯টি কোরবানির পশুর হাট

আসন্ন ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় এবার ১৯টি অস্থায়ী কোরবানি পশুর হাট বসছে। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসসিসি) বসছে ১০টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) বসছে নয়টি হাট। ঈদুল আজহার দিনসহ মোট ৫ দিন নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু বেচাকেনার জন্য হাট বসবে।

ইতোমধ্যে দুই সিটি কর্পোরেশনই হাটের ইজারা চূড়ান্ত করতে দরপত্র আহ্বান করেছে। সর্বোচ্চ দরদাতাকে হাটের ইজারা দেওয়া হবে। তবে কোনো হাটে কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া না গেলে সেটি আবারো ইজারা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুই সিটির সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা।

১০টি অস্থায়ী হাট বসাতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এর মধ্যে ভাটারা সুতিভোলা খালসংলগ্ন খালি জায়গা ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরসংলগ্ন বউ বাজার এলাকার খালি জায়গা ৮ কোটি ৯০ লাখ, বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং আফতাবনগরের এম-৪, এম-৫ ও এন-৪ ব্লক (লেকের উত্তর পার্শ্বে আংশিক), সানভ্যালি (আংশিক) এর খালি জায়গা ১ কোটি ৭৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা, মিরপুর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা ১ কোটি ৩৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৮৬ টাকা, মোহাম্মদপুর বছিলার ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা ২ কোটি ২০ লাখ টাকা, ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা ৬৪ লাখ ২ হাজার ৪শ’ টাকা, খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ার খালি জায়গা ১ কোটি ৭ হাজার ৫শ’ টাকা, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে ১০নং সেক্টর রানাভোলা স্লুইসগেট পর্যন্ত খালি জায়গা ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা, মিরপুর কালশী বালুর মাঠের খালি জায়গা ৮০ লাখ টাকা এবং খিলক্ষেত বনরূপা আবাসিক এলাকার খালি জায়গা ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা সরকারি ইজারা মূল্য ধরা হয়েছে।

উত্তর সিটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ফারজানা খানম বলেন, প্রথম পর্যায়ে দরপত্র বিক্রির শেষ তারিখ ১৫ মে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৬ মে দরপত্র বিক্রি শেষ হবে। প্রথম পর্যায়ে সরকারি দরের চেয়ে বেশি দর দাখিল করলে দ্বিতীয় পর্যায়ে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নয়টি অস্থায়ী হাট বসাতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছে। এর মধ্যে উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা ১ কোটি ৭৪ লাখ ৭২ হাজার ৩৩৪ টাকা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিম পার্শ্বে নদীর পাড়ে খালি জায়গা ২ কোটি ৬৯ লাখ ৯৮ হাজার ২শ’ টাকা, দনিয়া কলেজের পূর্ব পার্শ্বে ও সনটেক মহিলা মাদ্রাসার পূর্ব পশ্চিমের খালি জায়গা ৪ কোটি ৭২ লাখ ৫ হাজার ৬১১ টাকা, সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের খালি জায়গা ও ধোলাইখাল ট্রাক টার্মিনাল ৪ কোটি ৬৪ লাখ ১৫ হাজার ২৮০ টাকা, রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৭৪ টাকা, শ্যামপুর কদমতলী ট্রাক স্ট্যান্ডসংলগ্ন খালি জায়গা ৬৬ লাখ ৯৬ হাজার ২০ টাকা, ইন্সটিটিউট অব লেদার টেকনোলজি কলেজের পূর্ব পাশের খালি জায়গা ৪ কোটি ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার ৪শ’ টাকা, কমলাপুর সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারের পূর্ব পাশের খালি জায়গা ৩ কোটি ৭৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা এবং আমুলিয়া আলীগড় মডেল কলেজের উত্তর পূর্ব পার্শ্বের খালি জায়গা ৫৩ লাখ টাকা সরকারি ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইছার মোহাম্মদ ফারাবি জানান, প্রথমে রাজধানীর আফতাবনগর ও মেরাদিয়ায় পশুর হাট বসানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত থাকলেও এর ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় এই দুই স্থানে এবার পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

দুই সিটির সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দরপত্র গৃহীত হওয়ার ৩ দিনের মধ্যে জামানত ব্যতীত অবশিষ্ট অর্থ, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর, ১০ শতাংশ আয়কর, নির্ধারিত হারে পরিচ্ছন্ন ফি সিটি কর্পোরেশনে পরিশোধ করে কার্যাদেশ গ্রহণ করতে হবে।

কুরবানির জন্য এই ১৯টি অস্থায়ী হাট ছাড়াও উত্তর সিটি এলাকায় গাবতলী পশুর হাট ও দক্ষিণ সিটি এলাকায় সারুলিয়া পশুর হাটেও কোরবানির পশু বেচাকেনা চলবে।

 




কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ: মেয়র তাপস

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি একথা বলেন।

আগামী ১৭ জুন দেশে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাবাসীকে ঈদের ২ দিনের মধ্যে কোরবানি সম্পন্ন করার আহ্বান জানান মেয়র তাপস। এসময় পশুর হাটের বর্জ্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকাবাসী খুব স্বাচ্ছন্দে কোরবানির পশু হাট থেকে কিনতে পারবেন। কোরবানির পশুর হাটের কারণে যাতে নগরে যানজট না হয় সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মানুষের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বৃষ্টির কারণে নামাজে যেন বিঘ্ন না ঘটে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নারীদের ও কূটনীতিকদের নামাজে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি নামাজ আদায় করবেন। ঈদের জামাত নির্বিঘ্ন করতে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছে।




বঙ্গবাজারে চৌকি বসিয়ে ব্যবসা শুরু

বঙ্গবাজারে চৌকি বসিয়ে বেচাকেনা শুরু করেছেন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তাদের ব্যবসা পরিচালনায় অস্থায়ীভাবে চৌকি নিয়ে বসার সুযোগ করে দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

বুধবার (১২ এপ্রিল) দুুুুপুরে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষ তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগুনে হাজারো ব্যবসায়ী নিঃস্ব হয়ে গেছেন। আগুন পুরোপুরি নেভাতে তিনদিন সময় লেগেছে। পরে সেখান থেকে কয়েক হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছি। পুরো জায়গাটা খালি করেছি।

মেয়র বলেন, ঈদকে সামনে রেখে আমরা বলেছিলাম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাতে এখানে ব্যবসা শুরু করতে পারি। সেটি আমরা করতে সক্ষম হয়েছি। সবার সহযোগিতায় আমরা তা করতে সক্ষম হয়েছি। এরই মধ্যে ৩ হাজার ৮৪৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর তালিকা তৈরি করেছি।

বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় দেশের সবাই এগিয়ে এসেছেন জানিয়ে শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, যারা সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন তাদের আন্তরিক ধনয়বাদ। এর মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি, বাঙালি সহায়তা করতে জানে।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, এখন আমরা স্ব স্ব জায়গায় দোকান বসিয়ে দিচ্ছি। সেভাবে সবকিছু তৈরি করে দিচ্ছি। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। যদিও ঈদের আগে এটা সামান্য। ঈদের পরে ব্যবসায়ীদের জন্য আরও কিভাবে কী করা যায়, তা নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ মার্কেট সমিতির সবাইকে নিয়ে বৈঠক করবো। আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বঙ্গবাজার সহায়তা তহবিলে অনুদান দেবো।




ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চূড়ান্ত, আজ প্রতিবেদন দেবে ডিএসসিসির কমিটি

বঙ্গবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি ইউনিটের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা দাপ্তরিক সময়ের পরে (বিলম্বে) জমা দেওয়ায় গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল সোমবার (১০ এপ্রিল) চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ কমিটি আজ মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে আশা করা যায়।

তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সংখ্যা আনুমানিক ৪ হাজার ২০০ জন জানিয়ে আবু নাছের জানান, সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রতিবেদন দাখিলের পর গণমাধ্যমকে জানানো হবে। এছাড়া এ তালিকায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত এনেক্সকো টাওয়ারের নাম নেই। ওই টাওয়ারের সব দোকানের ইন্স্যুরেন্স করা আছে। এ কারণে উনারা তালিকায় নাম দিতে চাননি।

গত মঙ্গলবার সকালে ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগে বঙ্গবাজারে। সাড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে জ্বলা আগুনে বেশ কয়েকটি মার্কেট পুড়ে ছাই হয়ে যায়।




ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যাপ্ত অনুদান দেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (৫ এপ্রিল) নগরীর খিলগাঁও এলাকায় ‘গোড়ান খেলার মাঠ’-এর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র তাপস বলেন, কোনো দুর্যোগ হলে প্রথম কাজ হলো উদ্ধার তৎপরতা। সেটি গতকাল সম্পন্ন হয়েছে। এখন আমরা মানবিক দিকগুলো বিবেচনা করে পরিপূর্ণভাবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ও পাশে থাকব। আমার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আজ সকালে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, আমরা তালিকা করে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করার পরেই সব ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পর্যাপ্তভাবে অনুদান দেবেন। যাতে করে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। তারা যেন আবার এই ব্যবসায় নামতে পারে। তাদের পুঁজি হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। সেই দিকটাই এখন আমাদের সবার অগ্রাধিকার।

তিনি আরও বলেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে তারা যাতে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তাদেরকে অনুদান দিয়ে আমরা সেটা নিশ্চিত করব। তারপর তারা যাতে সেখানে সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে সেজন্য আমরা নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়ে তাদের সঙ্গে বসব। সেটা নিশ্চিত করার পরেই আমরা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করব।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৯ আসেনর সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়ে মেন জো, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

 




প্রতারণার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত ডিএসসিসির হিসাব সহকারী

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) রাজস্ব বিভাগের হিসাব সহকারী মঈন উদ্দিন বেপারীকে অসদাচরণ, আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সংস্থাটি।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ডিএসসিসি সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে। এর আগে ডিএসসিসি সচিব আকরামুজ্জামান একটি দপ্তর আদেশের মাধ্যমে এই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চাকরি বিধিমালার ৫৫ (১) বিধি মতে, তাকে চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগ (পৌরকর শাখা) হিসাব সহকারী মঈন উদ্দিন বেপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার পর ডিএসসিসির অঞ্চল-২ সংস্থাপন ও প্রশাসন বিভাগ (সচিবের দপ্তরে) সংযুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন।