ডিএমপির নতুন কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদকে ডিএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

রোববার (১৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

 

উল্লেখ্য যে, গত ২৬ মার্চ ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার। পুলিশ সদরদপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, নতুন কমিশনার যোগদান না করা পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। এর একদিন আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ছিল।

সরকারি চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অবসরে যান ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। শেষ কর্মদিবস শেষ করে তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলামের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। যাকে আবার একই সপ্তাহে পৃথক প্রজ্ঞাপনে অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করেছিল সরকার। তবে নতুন কর্মস্থলে তিনি যোগ দেননি। ১৪ মে আইজিপি ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেন নজরুল ইসলামকে। আজ সরকারি প্রজ্ঞাপনে ডিএমপির কমিশনার হলেন সিআইডি প্রধান মোসলেহ্ উদ্দিন।

গত ১৬ মার্চ সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান ১৫তম ব্যাচে বিসিএস দিয়ে পুলিশে যোগ দেওয়া মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। সিআইডিতে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন ডিরেক্টরেটের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে (সিএমপি) দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কুষ্টিয়া, ভোলা ও শেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পেশাগত জীবনে জাতিসংঘের আফ্রিকান ইউনিয়ন-ইউনাইটেড নেশনস হাইব্রিড অপারেশন ইন দারফুর-এ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

বুধবার (১৩ মে) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।




ডিএমপির নতুন কমিশনার হাবিবুর রহমান

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হাবিবুর রহমানকে ডিএমপির পুলিশ কমিশনার পদে বদলি বা পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

২০২২ সালের ২৩ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান খন্দকার গোলাম ফারুক। আগামী ১ অক্টোবর তিনি অবসরে যাচ্ছেন। তার পদে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন তা নিয়ে ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। গুরুত্বপূর্ণ এ পদটি পেতে দৌড়ঝাঁপে ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার চার কর্মকর্তা। শেষ পর্যন্ত চারজনের মধ্যে হাবিবুর রহমান হলেন ডিএমপির নতুন পুলিশ কমিশনার।

গত বছরের ১০ অক্টোবর অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি হাবিবুর রহমান ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান হন।

২০১৯ সালের ১৬ মে হাবিবুর রহমান ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজির (প্রশাসন) দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা ১৯৬৭ সালে গোপালগঞ্জের চন্দ্র দিঘলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৭তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে তিনি সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন।

অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ২০১৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা করেন ‘উত্তরণ ফাউন্ডেশন’। বর্তমানে সাভার ছাড়াও মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও সিংড়া এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বেদে জনগোষ্ঠী ছাড়াও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার যৌনকর্মী ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়েও কাজ করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। দৌলতদিয়ার যৌনপল্লির শিশুদের জন্যও কাজ শুরু করেছেন তিনি, সেখানে গড়ে তুলেছেন উত্তরণ ফাউন্ডেশন নামে একটি ফাউন্ডেশন। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে টেলিকম ভবনে পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর গড়ায়ও তার ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া তিনি একজন ক্রীড়া সংগঠকও, কাজ করছেন দেশের কাবাডি নিয়ে।




ডিএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪৮

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার (১৯ আগস্ট) সকাল ছয়টা থেকে আজ রোববার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮৮৯১ পিস ইয়াবা, ৫ কেজি ৯০৫ গ্রাম গাঁজা, ১২.৫ গ্রাম ২০ পুরিয়া হেরোইন, ১১ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০০ বোতল দেশি মদ উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৫টি মামলা রুজু হয়েছে।




রমজানে যানজট কমাতে ট্রাফিক পুলিশের ১৫ নির্দেশনা

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে যানজট নিরসনে ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এবার নগরবাসীকে সহনীয় যানজট উপহার দিতে চায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ ১৫ নির্দেশনার তথ্য জানান।

ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনাগুলো হলো:
১. ঢাকা মহানগরীতে দূরপাল্লার ও আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের অভ্যন্তরে কোনো বাসই সড়কে বাস রেখে বা থামিয়ে যাত্রী ওঠানো যাবে না।টার্মিনালের ভেতরে থাকা অবস্থায় যাত্রীদের বাসের আসনগ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বাসের প্রতিনিধিদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

২. ঢাকা মহানগরীতে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসগুলো টার্মিনাল সংলগ্ন প্রধান সড়কের অংশ দখল করে দাঁড়াবে না।

৩. ভ্রমণকালে ঢাকা মহানগরের প্রবেশ ও বাহির পথের গণপরিবহনগুলো শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে যেন কোনো অযাচিত যানজটের সৃষ্টি না হয়।

৪. ঢাকা মহানগরী থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন থেকে নিবৃত থাকতে হবে।

৫. আন্তঃজেলা পরিবহনের যাত্রীরা বা গমনপ্রত্যাশীদের প্রধান সড়কে এসে অপেক্ষা বা দাঁড়িয়ে না থেকে টার্মিনালের ভেতরে অবস্থান করতে হবে।

৬. ঢাকা মহানগর থেকে দূরপাল্লার রুট পারমিটবিহীন বা অননুমোদিত রুটে কোনো বাস চলাচল করবে না। বাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই এ বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবেন।

৭. বাসের ভেতরে যাত্রীদের অপরিচিত কারও কাছ থেকে কিছু না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো।

৮. সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা অবশ্যই যানবাহনে টিকিট সঙ্গে রাখবেন।

৯. যাত্রীদের মালামাল নিজ হেফাজতে সাবধানে রাখবেন।

১০. কোনো যানবাহনেই ছাদের ওপর অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবে না।

১১. যাত্রী তোলার ক্ষেত্রে বাসচালকরা এমন কোনো অসম প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন না। এতে সড়কের শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটে ও জীবনহানির শঙ্কা থাকে।

১২. সকালে অফিসে গমনকারীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বাসা থেকে রেব হওয়া।

১৩. ইফতার সন্নিকটে বাসায় রওনা না দিয়ে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া।

১৪. স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে রিকশা, সিএনজি, বাস ইত্যাদি বাহন ব্যবহার না করে হেঁটে যাওয়া।

১৫. টার্মিনালভিত্তিক কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন করতে হবে।




রমজানে হকারদের ফুটপাতে বসার সুযোগ দেবে ডিএমপি

সারা বছর রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাতে ব্যবসা পরিচালনা করেন হকাররা। তাদের উচ্ছেদে অভিযানও চালানো হয় বিভিন্ন সময়। তবে রমজান মাসে বিশেষ দৃষ্টিতে ফুটপাতে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। কিন্তু কোনও হকারকে ফুটপাত ছাড়িয়ে রাস্তার ওপর বসতে দেওয়া হবে না। সেই সঙ্গে ফুটপাতে কোনও ইফতার সামগ্রীর দোকানও বসতে দেওয়া হবে না। যারা সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে রাস্তার পাশে ইফতার সামগ্রী বানায় তা বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষরা রমজান ও ঈদ উপলক্ষে কোনও ধরনের সমস্যার সম্মুখীন যেন না হয় সে বিষয়টি বিবেচনা করে ফুটপাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফুটপাত থেকে অনেকে কেনাকাটা করেন। তবে ফুটপাত ছেড়ে কোনও ব্যবসায়ী যাতে রাস্তার ওপরে বসতে না পারে সে ব্যাপারে থানা পুলিশকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ৫০টি থানায় এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২২ মার্চ) রাজধানীর নিউমার্কেট, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রমজানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন হকাররা। তাদের কারণে বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতে হাঁটা অনেকটাই দায় হয়ে দাঁড়ায়। ঘটে নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা। ঈদ যত সামনে আসতে থাকবে, রাস্তায়-শপিং মলের মুখে কেনাকাটা করার জন্য লোকজন বাইরে বের হবেন। ঈদ সামনে রেখে ফুটপাতগুলোতেও চাপ বাড়বে।

রাজধানীর মিরপুরের ফুটপাতের ব্যবসায়ী শফিকুল  বলেন, রমজান মাস শুরু হচ্ছে। আমি আগে থেকেই এখানে ব্যবসা করছিলাম। এবার ভেবেছিলাম ব্যবসা করতে পারি কিনা। তবে এবার ব্যবসা চালিয়ে নিতে পারবো।

রাজধানীর নিউমার্কেটের হকার কাইয়ুম  বলেন, রমজান শুরু হচ্ছে। এখন লোকজন একটু কম। তবে ১০ রমজানের পর থেকে মানুষ বিভিন্ন মার্কেটে আসবে। আসা-যাওয়ার পথে আমাদের বেচাকেনাও বাড়বে। আমরা আগে থেকে ব্যবসা করে আসছি। ঈদ উপলক্ষে ব্যবসায় কোনও সমস্যা হবে না বলে পুলিশ আমাদের আশ্বস্ত করেছে।

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা সোহাগ  বলেন, ঈদের আগে ফুটপাতে হকারদের কারণে হাঁটা দায় হয়ে পড়ে। অনেকেই নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সম্মুখীন হয়। তবে পুলিশ সদস্যরা যদি তৎপর থাকে তাহলে এসব ঘটনা এড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে নারীদের চলাফেরার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার বলেন, সারা বছর যেসব হকার ফুটপাতে ব্যবসা করেন তাদের রমজানে উচ্ছেদ করা হবে না। তবে রাস্তার ওপর কোনও হকার বসতে পারবে না।




ডাচ্-বাংলার টাকা ছিনতাই মূল পরিকল্পনাকারী সোহেল গ্রেফতার

ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের সোয়া ১১ কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী সোহেল রানাকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। শুক্রবার (১৭ মার্চ) সাভারের হেমায়েতপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে সাড়ে ৮৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন সোহেল।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১২ জন গ্রেফতার হলেন। আর সোয়া ১১ কোটি টাকার মধ্যে চতুর্থ দফায় এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে সাত কোটি ৮৯ লাখ ছয় হাজার টাকা। সবশেষ সাড়ে ৮৭ লাখ টাকা উদ্ধার হয়।

শনিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীদের অন্যতম সোহেল রানা। তিনি এক সময় মানি প্ল্যান্ট লিংক কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন। গাড়িচালক থাকার কারণে কোম্পানির টাকা আনা-নেওয়ার খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতেন তিনি। গাড়িচালক থাকার সময় লুট করা গাড়ির নকল চাবিও বানিয়েছিলেন সোহেল রানা। তার কাছ থেকে মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির একটি আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়।

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ঘটনার দিন তিন কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার হলেও কোনো গ্রেফতার ছিল না। এরপর ১১ মার্চ ২ কোটি ৫৩ লাখ ৯৯ হাজার টাকা উদ্ধার ও ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে ১৪ মার্চ ৫৮ লাখ ৭ হাজার টাকাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে ডিবি। সবশেষ শুক্রবার ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, এবং ২০ লাখ টাকা মূল্যের মাইক্রোবাসসহ সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, সোয়া ১১ কোটি টাকা লুট হয়। এর আগে গ্রেফতার আকাশ লুটের টাকা থেকে ২০ লাখ টাকায় মাইক্রোবাস কিনেন বলে ডিবিকে জানিয়েছিলেন।

গ্রেফতার আরেক মূল পরিকল্পনাকারী আকাশকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ৯ মার্চ ঘটনার দিন তিনি ২০ লাখ টাকা দিয়ে একটি নোহা মাইক্রোবাস কেনেন। পরবর্তীতে ডিবি মিরপুর জোনাল টিম রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে উদ্ধার করে মাইক্রোবাসটি।

এর আগে ৯ মার্চ রাজধানীর উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের টাকা ছিনতাই হয়। সশস্ত্র একটি চক্র মানি প্ল্যান্ট লিংকের গাড়ি ঘিরে ধরে টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। গাড়িটি বুথে টাকা ঢোকাতে ঢাকা থেকে সাভার ইপিজেড যাচ্ছিল।