ট্রাস্ট ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ট্রাস্ট ব্যাংক পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আজ ২৯ অক্টোবর দুপুর ২ টা ৪৫ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ বিতরণ

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংক ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ সমাপ্ত হিসাববছরে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ এবং ৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।

কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাববছরের নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।




ট্রাস্ট ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ৩১ জুলাই দুপুর ২ টা ৪৫ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




বন্ড ছেড়ে ৫শ কোটি টাকা তুলবে ট্রাস্ট ব্যাংক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করবে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি বাজার থেকে ৫শ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করতে এই অর্থ ব্যবহার করবে ব্যাংকটি।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ট্রাস্ট ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র অনুসারে, আলোচিত বন্ডটি হবে একটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। এটি হবে অরূপান্তরযোগ্য। মেয়াদ শেষে এই বন্ডের সম্পূর্ণ অবসায়ন ঘটবে। বন্ডটির বিপরীতে কোনো জামানত রাখা হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।




বেশি দামে ডলার বিক্রিতে শাস্তি পাবেন ১০ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান

ডলারের জন্য ঘোষিত হারের তুলনায় বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর আগের ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়নি। তাই গত সোমবার ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি বছর ডলারের দাম নিয়ে কারচুপির দায়ে ১০ ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে কেন জরিমানা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ডলারের জন্য ঘোষিত হারের তুলনায় বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর আগের ব্যাখ্যা গ্রহণ করা হয়নি। তাই গত সোমবার ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ১০৯(৭) ধারা অনুযায়ী কেন ব্যাংকগুলোর ট্রেজারি প্রধানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এই ধারায় বলা আছে, আইন লঙ্ঘনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করতে পারে।

চিঠি পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো—সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক।

ডলার কারচুপির অভিযোগে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়।

গত বছর ডাচ্-বাংলা, প্রাইম, সিটি, সাউথইস্ট, ব্র্যাক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, এনসিসি, এইচএসবিসি, মার্কেন্টাইল, ঢাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও ব্যাংক এশিয়াসহ ১২ ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল।

এরপর ডাচ-বাংলা, সাউথইস্ট, প্রাইম, সিটি, ব্র্যাক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডকে তাদের ট্রেজারি প্রধানদের মানবসম্পদ বিভাগে বদলি করার নির্দেশ দিলেও পরে বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

গত বছর থেকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন ও এবিবি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনানুষ্ঠানিক নির্দেশে ডলারের দাম নির্ধারণ করে আসছে।

গত ৩১ আগস্ট প্রতিষ্ঠান দুটি সেপ্টেম্বর থেকে অভিন্ন বিনিময় হার কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেসময় ১০৯ টাকা ৫০ পয়সায় ডলার কিনে ১১০ টাকায় বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।




নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠিয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এর বাইরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। অর্থাৎ ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ পেয়েছেন ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা।

২০২২ হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫২ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৯৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৪ টাকা ১০ পয়সা।

 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য সাড়ে ১২ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। আগের হিসাব বছরে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ট্রাস্ট ব্যাংকের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৩৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা কমেছে ২৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা বা ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৫৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৯২ পয়সা।




মুনাফা বেড়েছে ট্রাস্ট ব্যাংকের

প্রথম প্রান্তিকে কমলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন সময়ে ব্যাংকটি শেয়ার প্রতি আয় বা মুনাফা বেড়েছে ৪৮ পয়সা।

রোববার (১৬ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১১০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। তাতে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৪২ পয়সা। আগের ২০২২ সালের একই সময়ে যা ছিল ৯৪ পয়সা। সেই বছর কর পরবর্তী ব্যাংকটির মুনাফা হয়েছিল ৭২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়েছে ৩৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ৩৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। অর্থাৎ শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ৪০ পয়সা করে।

আর চলতি বছরের দুই প্রান্তিক মিলে সমন্বিতভাবে শেয়ারপ্রাতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৭ পয়সা। সে হিসেবে ২০২৩ সালে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৩৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ১৫৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। সেই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা।

সে হিসেবে ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট মুনাফা কমেছে ২৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা বা ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৩৮ পয়সা করে।

সব মিলে ৩০ জুন ২০২৩ সালে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৫৭ পয়সায়। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ২৫ টাকা ৯২ পয়সা।

২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৭৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮৮ হাজার ১৩২টি। ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে জন্য মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন জন্য ২০ জুলাই বেলা ১১টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) দিন নির্ধারণ করেছে।

এর আগের বছর শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।




দুই কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (১০ জুলাই) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি দুইটি হলো-পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভা আগামী ১৭ জুলাই, বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ সদস্যরা এই প্রতিবেদন অনুমোদন শেষে সবার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা দিতে পারে। আগের বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।

ট্রাস্ট ব্যাংক: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভা আগামী আগামী ১৫ জুলাই, দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ সদস্যরা এই প্রতিবেদন অনুমোদন শেষে সবার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হবে।