ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের এজিএম অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩ টায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আতাউর রহমান ভূইয়া।

বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মোল্লা, পরিচালক জিল্লুর রহমান মৃধা, জাহাঙ্গির হোসেন মোল্লা, আয়াজ ওয়ারিস খান ওয়ারিসি, রাশাদ আবেদীন, রাহাদ আবেদীন, রাফিয়া নুসরাত খান ব্রতি, কাশফিয়া নুসরাত খান পূর্ণা, স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাশিম এফসিএ,এফসিএস, বেলায়েত হোসেন ও কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিপুল সংখ্যাক শেয়ারহোল্ডার।

সভায় শেয়ারহোল্ডারদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আতাউর রহমান ভূইয়া। সভা সঞ্চালনা করেন কোম্পানি সচিব চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন।

সভায় সমাপ্ত অর্থ বছর ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সালের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনের উপর আলোচনা করেন পরিচালনা পর্ষদ ও বিনিয়োগকারীরা। এতে দেখা যায়, ২০২২ সালে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের গ্রস প্রিমিয়াম আয় ৩৭ কোটি ৪৭ টাকার বিপরীতে নিট প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ১২ লাখ টাকা।

২০২১ সালে গ্রস প্রিমিয়াম আয় ছিলো ৩০ কোটি ০২ লাখ টাকা। সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৯ কোটি ০৫ লাখ টাকা যা ২০২১ সালে ছিল ৪৪ হাজার ০৯ লাখ টাকা পাশাপাশি দাবি পরিশোধের পরিমাণ আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আলোচ্য বছরে ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা দাবি পরিশোধ করেছে যা ২০২১ সালে এই দাবি পরিশোধের পরিমাণ ছিলো ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

সভায় সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদনসহ আর্থিক বিবরণী, নিরীক্ষিত স্থিতিপত্র ও লাভ লোকসান হিসাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাসহ ২০২৩ সালের জন্য অডিটর, চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট ও কমপ্লায়েন্স অডিটর, চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টের পুনঃনিয়োগ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন লাভ করে।




ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা স্থগিত

শেয়ারবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণে কোম্পানিটি পর্ষদ সভা স্থগিত করেছে।

মঙ্গলবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সভার নতুন তারিখ ও সময় পরবর্তী নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে।

কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পরবর্তীতে আলোচ্য প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেবে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

এছাড়া, আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিতে পারে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।




বিওতে জমা ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের আইপিও’র শেয়ার

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। গত ৮ মে (সোমবার) কোম্পানিটির আইপিওর শেয়ার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা করা হয়।

সিডিবিএল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে ১৮ এপ্রিল ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেম (ইএসএস) এর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রো-রাটার ভিত্তিতে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩৬টি শেয়ার এবং অনিবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৭২টি শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন। কোম্পানিটি ১ কোটি ৬০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে। ওই ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ৩০৫ কোটি টাকার আবেদন করেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রতিটি শয়ারের বিপরীতে ১৯.০৭ গুণ আবেদন বেশি পড়ে।

জানা গেছে, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ গত ৩ থেকে ৮ এপ্রিল কোম্পানিটির আইপিও আবেদন গ্রহণ সম্পন্ন করে। এর আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮৫৩তম কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬০ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা তুলবে। এই জন্য প্রতিটি শেয়ারের অফার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। উত্তোলিত অর্থ সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ, এফডিআর বিনিয়োগ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করা হবে।

২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির একচ্যুয়ারাল ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী মোট উদ্বৃত্ত ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।