টেকনো ড্রাগসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেকনো ড্রাগস লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৪ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৩ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




টেকনো ড্রাগসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

সদ্য পুঁজিবাজারে আসা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র অনুসারে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩১ পয়সা। তবে আইপিও পরবর্তী শেয়ার সংখ্যার নিরিখে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০ পয়সা।

অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই’২৩-মার্চ’২৪) কোম্পানিটির বেসিক ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা, গত বছর একই সময়ে ১ টাকা ৯০ পয়সা ছিল। তবে আইপিও পরবর্তী শেয়ার সংখ্যার নিরিখে তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ২৫ টাকা ৫১ পয়সা।




টেকনো ড্রাগসের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পক্রিয়ায় থাকা ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের শেয়ারের লেনদেন আগামী রোববার (১৪ জুলাই) থেকে শুরু হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, ডিএসইতে টেকনো ড্রাগসের ট্রেডিং কোড হবে: ‘TECHNODRUG’। এছাড়া কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে ১৮৪৯৯। টেকনো ড্রাগস ওষধ ও রসায়ন খাতে অন্তর্ভুক্ত হবে।

উল্লেখ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ৯০২তম কমিশন সভায় টেকনো ড্রাগস লিমিটেডকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, বিএমআরই (নরসিংদী কারখানা), ভবন নির্মাণ (গাজীপুর কারখানা), আংশিক ঋণ পরিশোধ ও ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৭ টাকা ৭৪ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া যা ২২ টাকা ৫৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা, বিগত পাঁচ বছরের ভারিত গড় হারে যা ৩ টাকা ২৫ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

 




টেকনো ড্রাগসের আইপিওতে রেকর্ড আবেদন

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসা টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেকর্ড আবেদন জমা পড়েছে। ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা মিলে এ পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েছেন কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার পেতে। তবে কোম্পানিটির আইপিওতে এই দুই শ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আইপিওতে কোম্পানিটির শেয়ার পেতে দেশে বসবাসকারী ও প্রবাসী মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ২৩৯ জন বিনিয়োগকারী শেয়ারের জন্য আবেদন করেছেন। এসব আবেদনকারী কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে সম্মিলিতভাবে জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে দেশে বসবাসকারী ১ লাখ ১০ হাজার ৬৩৬ জন বিনিয়োগকারী জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। আর ১ হাজার ৬০৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি জমা দিয়েছেন প্রায় ৭৬ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শর্ত অনুযায়ী, টেকনো ড্রাগসের আইপিওতে একজন বিনিয়োগকারীর সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদনের সুযোগ ছিল। বরাদ্দকৃত শেয়ারের মধ্য থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আবেদনের অনুপাত মিলিয়ে এখন শেয়ার বরাদ্দ করা হবে।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রস্তাবের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের বিক্রয়মূল্য বা অফার প্রাইস নির্ধারিত হয় ৩৪ টাকা। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ওই দামেই কোম্পানিটির শেয়ার কিনেছেন। আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৭৬ লাখ ৯২ হাজার শেয়ার। ব্যক্তিশ্রেণির সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানিটির প্রতিটি আইপিও শেয়ারের দাম ছিল ২৪ টাকা। দেশে বসবাসকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আইপিওতে বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৩০ লাখ ৭৬ হাজার ৯২৩টি শেয়ার।

টেকনো ড্রাগস সব মিলিয়ে শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে ২৬ কোটি টাকা, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫৬ কোটি টাকা। আর কোম্পানির কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৮ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার। তবে কোম্পানির কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ১৮ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫ কোটি টাকার শেয়ারের। ফলে বাকি ১৩ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বরাদ্দ করা হবে।




টেকনো ড্রাগসের আইপিও অনুমোদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেয়েছে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৯০২তম কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

আইপিওর মাধ্যমে টেকনো ড্রাগস কাট অফ প্রাইসের ৩০ শতাংশ ডিসকাউন্ট সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়নসহ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৭ টাকা ৭৪ পয়সা, পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া যা ২২ টাকা ৫৭ পয়সা। এসময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ০৮ পয়সা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ার প্রতি আয় ৩ টাকা ২৫ টাকা।

আইপিও থেকে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়, বিএমআরই (নরসিংদী ফ্যাক্টরি), ভবন নির্মাণ (গাজীপুর ফ্যাক্টরি), আংশিক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোন প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




পুঁজিবাজারে আসছে টেকনো ড্রাগস

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতের প্রাথমিক পাবলিক অফারিংয়ের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসছে ওষুধ কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এ লক্ষ্যে আগামী ১৪ অক্টোবর ঢাকায় একটি রোড শো করবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পুঁজিবাজারে থেকে টাকা নিয়ে কোম্পানিটি কারখানা নির্মাণ ও সংস্কার করবে। যন্ত্রপাতি কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও বরাদ্দ বাবদ খরচ করবে। নরসিংদী জেলায় অবস্থিত কোম্পানিটি যাত্রা শুরু করে ১৯৯৬ সালে।

প্রিমিয়ামের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এই টাকার মধ্যে ১৫ কোটি টাকা দিয়ে গাজীপুরে বিকে বাড়িতে নতুন কারখানা তৈরি করবে। নরসিংদির কারখানা সংস্কারে ব্যয় করবে ২৫ কোটি টাকা। নতুন যন্ত্রপাতি কিনবে ২৭ কোটি টাকার। কোম্পানি ঋণ পরিশোধের জন্য ব্যবহার করবে ৩০ কোটি টাকা। আর ৩ কোটি টাকা খরচ করবে আইপিও বাবদ।

২০১০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানটি জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ জুন ২০৩০ সালে আয় হয়েছে ২৭৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তাতে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা। ৩০ জুন বছরে কোম্পানির পুনঃমূল্যায়নের পর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএনভি) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৭৪ পয়সা।

দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল ওষুধ প্রস্তুতকারকারী প্রতিষ্ঠানটির এর আগের বছর আয় হয়েছিল ৫০২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। সেই বছর কর-পরবর্তী প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ৪৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। সে বছর শেয়ার প্রতি আয়(ইপিএস) ছিল ৫ টাকা ১০ পয়সা। পুনর্মূল্যায়ন ছাড়াই এনএভি ছিল ২২ টাকা ৫৭ পয়সা।

পুঁজিবাজারে আসার আগে নিয়ম অনুসারে টেকনো ড্রাগস আগামী ১৪ অক্টোবর ঢাকায় রোডশোর আয়োজন করছে। যেখানে এটি প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানটিকে তুলে ধরবে। রোড শোতে, মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার, মিউচুয়াল ফান্ড ও যৌথ বিনিয়োগ স্কিম এবং স্টক ডিলারসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা রোডশোতে অংশ নেবেন।

এরপর কোম্পানির বিডিং অনুমোদনের পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ের মাধ্যমে শেয়ারের জন্য একটি অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ১০ শতাংশ কমে প্রাথমিক শেয়ার কিনতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানটিকে বাজারে আনতে ইবিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে। আর বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ইস্যুটির রেজিস্টার হিসেবে কাজ করছে।