রাইট শেয়ার ইস্যু করবে জেমিনি সি ফুড

পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেমিনি সি ফুড পিএলসির পরিচালনা পর্ষদ রাইট শেয়ার ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি ২:১ অনুপাতে অর্থাৎ বিদ্যমান ১টি শেয়ারের বিপরীতে ২টি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। এ জন্য কোম্পানিটি ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করেছে ৬০ টাকা।

জেমিনি সি ফুড রাইটের মাধ্যমে উত্তেলিত অর্থ দিয়ে ঋণ পরিশোধ, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং ইস্যু ম্যানেজারের ফি পরিশোধ করবে।

কোম্পানিটি রাইট শেয়ারে সম্মতির জন্য আগামী ১৮ মার্চ ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে।




জেমিনি সি ফুডের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেমিনি সি ফুড পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি বিকাল ৩ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৩-ডিসেম্বর’২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে কোম্পানি তা প্রকাশ করবে।




৭৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারবে জেমিনি সি ফুড

পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়াহোল্ডারদের দেওয়ার সম্মতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

কোম্পানিটি ১০০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সম্মতি চেয়েছিল কমিশনের কাছে। তবে কমিশন সার্বিক দিক বিবেচনা করে তা কমিয়ে ৭৫ শতাংশ দেওয়ার সম্মতি দিয়েছে। ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়াহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি আলোচ্য বছরে ১২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আর বাকি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। তবে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোম্পানিটি এখন ৭৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ও ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদান করবে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর কোম্পানির বোনাস লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে।




জেমিনি সি ফুডের আর্থিক প্রতিবেদন যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি

পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের আর্থিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতি যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গঠিত তদন্ত কমিটি কোম্পানিটির প্রকাশিত জুলাই, ২২ থেকে মার্চ, ২৩ পর্যন্ত নয় মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই করে দেখবে।

এর আগে প্রাথমিক তদন্তে কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদনে অসঙ্গতির তথ্য উঠে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএসইসি সার্বিক দিক বিবেচনা করে তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

গত মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিএসইসি এই তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির তিন সদস্যের মধ্যে রয়েছে বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মোল্লা মিরাজ-উস-সুন্নাহ, সহকারী পরিচালক আনোয়ারুল আজিম এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপক রুমানা ফেরদৌস মৌ। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত কমিটি কোম্পানির অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং অপারেশনাল দক্ষতা, নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিবেদন এবং আইন, প্রবিধান এবং নীতির সাথে সম্মতি নিশ্চিতের বিষয়টিও তদন্ত করবে। এছাড়া, পরিচালনা পর্ষদ, অডিট কমিটি এবং শীর্ষ ব্যবস্থাপনার ভূমিকা স্ক্যান করার এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে মিথ্যা এবং পক্ষপাতমূলক আর্থিক তথ্য সম্পর্কিত প্রমাণ জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আর্থিক বিবৃতিতে মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর মূল্য-সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহার করে পরিচালনা পর্ষদ, শীর্ষ ব্যবস্থাপনা এবং কোম্পানির অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সম্ভাব্য মূল্যেরও তদন্ত করবে।

জানা গেছে, জুলাই, ২২ থেকে মার্চ, ২৩ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যার মধ্যে ২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা স্থানীয় বিক্রয় থেকে এসেছে। বাকি ৩৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা রপ্তানি থেকে এসেছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে ১৬টি লেনদেনের মাধ্যমে ৭টি কোম্পানির কাছে বিক্রির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।




শেয়ারদর বাড়ার কারণ জানে না জেমিনি সি ফুড

কোনো প্রকার মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই পুঁজিবাজারে খাদ্য ও আনুসঙ্গিক খাতে তালিকা কোম্পানি জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে। উভয় পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই-সিএসই) এমন তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ও সিএসই সম্প্রতি কোম্পানিটিকে চিঠি পাঠায়। ওই চিঠির জবাবে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হযয়েছে, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম এভাবে বাড়ছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ আছিয়া সি ফুডস লিমিটেডের শেয়ারের দর ছিল ৪৪৩.৩০ টাকায়। আর ৫ এপ্রিল কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬৫ টাকায়। আর ৬ এপ্রিল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার ৭১৪.৮০ টাকায় অবস্থান করতে দেখা গেছে। ১৫ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৭১.৫০ টাকা বা ৬১.২৪ শতাংশ বেড়েছে।

এর আগে গত বছরের ২৫ অক্টোবর জেমিনি সি ফুডের শেয়ারের লেনদেনের ক্ষেত্রে অস্বভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং গতিবিধি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গঠিত কমিটিকে এ আদেশ জারি হওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ রকিবুর রহমান ও সহকারী পরিচালক ফয়সাল ইসলাম।