মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ঋণ দেবে জাপান

মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের জন্য বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (প্রায় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে জাপান সরকার। এ বিষয়ে একটি বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এনইসি-২ মিলনায়তনে বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তিতে সই করেন। জাপানের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বিনিময় নোটে এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদ ঋণচুক্তিতে সই করেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলামের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঋণচুক্তির আওতায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে। এ ঋণের বাৎসরিক সুদের হার: নির্মাণকাজের জন্য ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ফ্রন্ট ইন্ড ফি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট (৬০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট) আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে। প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি (সরকারি তহবিল) ৬ হাজার ৪০৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। জাইকা দেবে ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা সিপিজিসিবিএলের নিজস্ব ব্যয় ১ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ কোটি টাকা।

প্রকল্পের মেয়াদকাল ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাইকা পর্যায়ক্রমে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, এর আগে ছয়টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েনের ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের ৪৪তম উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) লোন প্যাকেজের (দ্বিতীয় ব্যাচ) আওতায় সপ্তম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, জাপান সরকারের ৪৪তম ওডিএ লোন প্যাকেজের দ্বিতীয় ব্যাচের আওতাধীন মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্টের সপ্তম পর্যায়ে ঋণের জন্য বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত জাপান সরকার বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দিয়েছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে জাপান সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্পে ঋণ ও বিভিন্ন ধরনের অনুদান সহায়তা হিসেবে আজ পর্যন্ত ৩০ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।




বাংলাদেশের মৎস্য খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান

বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে বিশেষ করে মৎস্য খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন। সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বশেষ জাপান সফর, বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের বিনিয়োগ, উভয় দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান যে ভূমিকা পালন করছে তা নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা আমরা আরও সামনে এগিয়ে নিতে পারি। দুই দেশের জনগণ এবং উভয় দেশের সরকারের মধ্যে বিদ্যমান বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আগামী বছরগুলোতে আরও শক্তিশালী হবে।

এ সময় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘ বন্ধুত্বের ইতিহাস আছে। বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতিতে বিশেষ করে মৎস্য খাতে জাপান সহযোগিতা দিতে আগ্রহী।

এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে যৌথ পরামর্শ সভা হতে পারে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ থাকায় সহজেই এক দেশে অন্য দেশে সহজেই পণ্য পরিবহন সম্ভব।

এ সময় তিনি বাংলাদেশে খাদ্য পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী। ভবিষ্যতে জাপান-বাংলাদেশ দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে জাপানের বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। যার মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ইত্যাদি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছ।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাপান বাংলাদেশের গুণগত উন্নয়নে ব্যাপক সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং ঢাকা মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে এ সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করছি। এ খাতে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে। দুই দেশের মধ্যে এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি সহযোগিতাও বিনিময় হতে পারে। আশা করি, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগের পরিধি আরও বাড়বে।

এ সময় বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিজাত পণ্যের বহুমুখীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনে জাপানি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলেও জাপানের রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, অতিরিক্ত সচিব নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, এ টি এম মোস্তফা কামাল ও মো. তোফাজ্জেল হোসেন, যুগ্ম সচিব অন্দ্রিয় দ্রং, নীলুফা আক্তার ও ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের তৃতীয় সচিব শিমমুরা কাৎসুমি প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।




‘জাপানে ফ্লাইট চালু হওয়ায় দেশে বিনিয়োগ বাড়বে’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জাপানে সরাসরি ফ্লাইট চালু করায় যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন সহজ হবে। বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ বাড়বে। রোববার সন্ধ্যায় টোকিওতে একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপান এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিম জাপান প্রবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিমানের যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ পেলে কাউকেই ক্ষমা করা হবে না। বিমানের সেবার মান ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে। অনুষ্ঠানে জাপানে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা বিমানের সেবার মান বাড়ানো এবং বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। জাপানে ফ্লাইট চালু করায় দু’দেশের বাণিজ্য বাড়বে এবং সম্পর্ক জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চেম্বারের নেতারা। সরাসরি ফ্লাইট চালু করায় তারা বিমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। ১৭ বছর আগের মতো যেন ফ্লাইট বন্ধ না হয়, সে দাবি জানান তারা।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, সরাসরি ফ্লাইট না থাকলে জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে যেতে আগ্রহী হন না। বাংলাদেশিদেরও জাপান থেকে দেশে যেতে দীর্ঘ সময় লাগে। প্রবাসী কেউ মারা গেলে মরদেহ বিনা খরচে দেশে নেওয়ার আহ্বান জানান তারা। জাপান চেম্বারের সভাপতি বাদল খন্দকার বলেন, ‘আমরা সব সময় চাই জাপানিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক। কিন্তু সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় বাংলাদেশে একবার গেলে দ্বিতীয়বার যেতে অনেক বিনিয়োগকারী আগ্রহী হতেন না। পণ্য পরিবহনেও খরচ বেশি হয়।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল, বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ইন জাপানের সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হক মো. সানাউল, ব্যবসায়ী নেতা কামরুল হাসান লিপু, মো. রেজাউল করিম, ইসলাম মোহাম্মদ রফিকুল, বিপ্লব মল্লিক, মুকিত এম এফ মাহমুদ প্রমুখ। গত শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে ২৩০ যাত্রী নিয়ে জাপানের নারিতায় আসে বিমানের ফ্লাইট।




বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস জাপানের

স্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে জাপান। ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরি এ আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত। সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে জাপানের প্রতি আহ্বান জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

মাহবুব আলী বলেন, বাংলাদেশ পর্যটনের অপার সম্ভাবনার দেশ। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে কাঙ্ক্ষিতমানে বিকশিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী মহা-পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। মহা-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প নতুন যুগে প্রবেশ করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী জাপান বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মাধ্যমে এ শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ইওয়ামা কিমিনরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, আগামী অক্টোবরে জাইকার অর্থায়নে নির্মিত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ১ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হতে যাওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পর্যটন মহা-পরিকল্পনা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, এভিয়েশন সেক্টরে চলমান উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নেও জাপান সহযোগিতা করবে।




দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৯ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি। ১৫ দিনের সফর শেষে ঢাকায় ফেরেন তিনি।

এর আগে ৪ মে, প্রধানমন্ত্রী রাজা এবং রানি হিসেবে তৃতীয় চার্লস ও তার স্ত্রী ক্যামিলার অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিন দেশ সফরের তৃতীয় ধাপে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে লন্ডনে যান।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে ৬ মে তিনি ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানির অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

লন্ডনে শেখ হাসিনা রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি এবং তার স্ত্রী সুসানা স্পার্কসও লন্ডনের ক্লারিজ হোটেলে তার বাসভবনে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী একই দিনে ক্লারিজ হোটেলের ফয়ের প্রাইভেট ডাইনিং রুমে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার কর্তৃক আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন।

তিনি সেখানে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক এবং রানি জেটসুন পেমার সঙ্গে বৈঠক করেন।

এছাড়া শেখ হাসিনা রাজা তৃতীয় চার্লসের অভিষেক অনুষ্ঠানে মিশর ও রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট, সিয়েরা লিওন, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, গাম্বিয়া, নামিবিয়া ও উগান্ডার প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং কমনওয়েলথ মহাসচিব ব্যারনেস প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ডও ৭ মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আবাসস্থলে সাক্ষাৎ করেন।

একই দিনে লন্ডন ম্যারিয়ট হোটেলে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেন এবং তিনি বিবিসিকে একটি সাক্ষাৎকারও দেন।

এর আগে তিনি তার জাপানি সমকক্ষ ফুমিও কিশিদার আমন্ত্রণে জাপানের টোকিওতে তার চার দিনের সরকারি সফর শেষ করে ২৯ এপ্রিল তার তিন দেশ সফরের দ্বিতীয় ধাপে ওয়াশিংটন ডিসি পৌঁছেন।




জাপানে বিএসইসি-বিডার ‘রোড শো’ শুরু

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পুঁজিবাজারের প্রসার বাড়ানো ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টে এবার এশিয়ান দেশ হিসেবে জাপানে রোড শো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) জাপানের টোকিওতে দ্যা ওয়েস্টিন টোকিও হোটেলে সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টা) রোড শো শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘দ্যা রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়ালস অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামের রোড শো পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশননের (বিএসইসি) ষষ্ঠতম আয়োজন।

জাপানের রোড শোতে এবারও বিএসইসির সঙ্গে আয়োজক হিসবে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)। এছাড়া পার্টনার হিসবে রয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া সহযোগিতায় রয়েছে গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, মিনোরি জাপান বাংলাদেশ ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো)।

রোড শোতে উপস্থিত রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামসহ বিএসইসি’র প্রতিনিধিরা।

জাপানের রোড শোতে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং স্টেকহোল্ডাররা অংশ নিয়েছেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আগত অতিথিরা বিভিন্ন সেক্টর নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। সেখানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি, শেয়ারবাজার ও সার্বিক অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং এফডিআই’র বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা অতিথিদের সামনে তুলে ধরা হবে।

এছাড়া, দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কীভাবে শেয়ার বাজারে সরাসরি বিনিয়োগ করবেন তার কৌশল ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় তুলে ধরা হবে।

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ও শহরগুলোতে ধারাবাহিক রোড শো করার পরিকল্পনা করেছে বিএসইসি। এর আগে প্রথম দফায় দুবাইতে, দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রে, তৃতীয় দফায় সুইজারল্যান্ড, চতুর্থ দফায় যুক্তরাজ্য ও পঞ্চম দফায় কাতারে সাফলতার সঙ্গে রোড শো সম্পন্ন করেছে বিএসইসি। এছাড়া সিঙ্গাপুর, জার্মানি, কানাডা, রাশিয়া, ইতালি, হংকং, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ধারাবাহিকভাবে রোড শো আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।




জাপানে ‘রোড শো’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

 

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পুঁজিবাজারের ব্যপ্তি বাড়ানো ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধারাবাহিকভাবে ‘রোড শো’ আয়োজন করা হচ্ছে। এবার এশিয়ান দেশ হিসেবে জাপানে আগামী ২৭ এপ্রিল রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের রোড শোটি উদ্বোধন করবেন বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

 

‘দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়ালস অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে জাপানের ওয়েস্টিন টোকিওতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া রোড শো বিএসইসি’র ষষ্ঠতম আয়োজন।

জাপানের রোড শোতে এবার বিএসইসির সঙ্গে আয়োজক হিসবে রয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা)। এছাড়া পার্টনার হিসবে রয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এছাড়া সহযোগিতায় রয়েছে গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, মিনোরি জাপান বাংলাদেশ ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো)।

জানা গেছে, এবার জাপানের রোড শো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। এ সময় উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামসহ বিএসইসি’র প্রতিনিধিরা।

 

জাপানের ‘রোড শো’তে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং স্টেকহোল্ডাররা অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আগত অতিথিরা বিভিন্ন সেক্টর নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। সেখানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি, শেয়ারবাজার ও সার্বিক অর্থনীতির পরিস্থিতি এবং এফডিআই’র বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা অতিথিদের সামনে তুলে ধরা হবে।

এছাড়া, দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলতে বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কীভাবে শেয়ার বাজারে সরাসরি বিনিয়োগ করবেন তার কৌশল ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয় তুলে ধরা হবে।

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ও শহরগুলোতে ধারাবাহিক রোড শো করার পরিকল্পনা করেছে বিএসইসি।

এর আগে প্রথম দফায় দুবাইতে, দ্বিতীয় দফায় যুক্তরাষ্ট্রে, তৃতীয় দফায় সুইজারল্যান্ড, চতুর্থ দফায় যুক্তরাজ্য ও পঞ্চম দফায় কাতারে সাফলতার সঙ্গে রোড শো সম্পন্ন করেছে বিএসইসি। এছাড়া সিঙ্গাপুর, জার্মানি, কানাডা, রাশিয়া, ইতালি, হংকং, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ধারাবাহিকভাবে রোড শো আয়োজন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিএসইসি’র ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘এবার এশিয়ার দেশ হিসেবে জাপানে রোড শো আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২৭ এপ্রিল এ রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। শেয়ারবাজারের এসব অর্জনসহ দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিস্থিতি জাপানের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং স্টেকহোল্ডারদের কাছে রোড শো’র মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।’




চট্টগ্রাম বন্দরে জাপানের দুই যুদ্ধজাহাজ

শুভেচ্ছা সফরে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জাপান মেরিটাইম সেলফ ডিফেন্স ফোর্সের (জেএমএসডিএফ) দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘উরাগা’ ও ‘আওয়াজি’। রোববার (৯ এপ্রিল) নৌ-বাহিনীর সুসজ্জিত বাদক দল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনের মাধ্যমে জাহাজ দুটিকে স্বাগত জানায়।

পরে চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চলের চিফ স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন ফয়েজ জাহাজ দুটির অধিনায়কদের স্বাগত জানান। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের প্রতিনিধিসহ নৌ-বাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নৌ-বাহিনী জানায়, বাংলাদেশে অবস্থানকালে সফরকারী জাহাজ দুটির অধিনায়ক ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূতসহ একটি প্রতিনিধিদল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল এবং কমান্ডার বিএন ফ্লিটের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া জাহাজ দুটির কর্মকর্তা ও নাবিকরা চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল অ্যাকাডেমি, স্কুল অব মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার অ্যান্ড ট্যাকটিক্স (এসএমডব্লিউটি) এবং নৌ-বাহিনী মেরিটাইম মিউজিয়ামসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।

পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকরা জাহাজ দুটি পরিদর্শন করবেন। ১৪১ মিটার এবং ৬৭ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ দুটির অধিনায়ক কমান্ডার মাতসুনাগা আকিহিতু এবং কমান্ডার তাগুছি তাকুমার নেতৃত্বে কর্মকর্তাসহ মোট ১৮৮ জন সদস্য এ শুভেচ্ছা সফরে অংশগ্রহণ করছেন।

এর আগে বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সফরকারী জাহাজ দুটিকে স্বাগত জানায়। জাহাজ দুটির শুভেচ্ছা সফর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

তিন দিনের শুভেচ্ছা সফর শেষে জাহাজ দুটি আগামী ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ ত্যাগ করার কথা রয়েছে।