খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় আরও ছয় মাস বাড়লো

 

খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী প্যাকেটজাত ভোজ্যতেল সরবরাহ করতে কোম্পানিগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়াই এর কারণ। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির সঙ্গে ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সচেতনতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সফিকুজ্জামান বলেন, সয়াবিন তেলে ভেজাল দেওয়া, সয়াবিন বলে পাম তেল বিক্রি করাসহ নানা কারণে বাজারে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ১ আগস্ট থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া শুরু করে ভোক্তা অধিদপ্তর। কিন্তু কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, প্যাকেটজাত ভোজ্যতেলের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। এ কারণে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির সময় ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, অবৈধ মজুতদার, কালোবাজারিসহ অনৈতিক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিদপ্তর যে সাহসী ভূমিকা রাখছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে অধিদপ্তর যেন ব্যবসায়ীসহ কারও প্রতিপক্ষ না হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। আগামী শুক্রবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী দিনে ‘শুধু আইন দিয়ে ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়’ বিষয়ে ইডেন মহিলা কলেজ ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।




আজ থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ

আজ মঙ্গলবার (১ আগস্ট) থেকে বাজারে মিলবে না খোলা সয়াবিন তেল। সরকারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে মাঠে থাকবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

গত ২৬ জুলাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় এ বিষয়ে অভিযানের কথা জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান।

তিনি বলেন, আইন অনুসারে আগামী ১ আগস্ট থেকে প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে, খোলা তেল বিক্রি করা যাবে না। আমরা খোলা তেল বিক্রি বন্ধে মাঠে নামবো।

সারাদেশে একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে ভোক্তা অধিকারকে সহযোগিতা করবে জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশন।

এর আগে গত বছরের ২০ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয় যে, ২০২৩ সালের ৩১ জুলাইয়ের পর বাজারে আর খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করা যাবে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেই সিদ্ধান্তের আলোকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযানে নামবে।




বন্ধ হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল  বিক্রি

আগামী ৩১ জুলাইয়ের পর বাজারে আর খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করা যাবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করতে ১ আগস্ট থেকে অভিযানে নামবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (২৬ জুলাই) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) অডিটোরিয়ামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় অভিযানের কথা জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান।

তিনি বলেন, আইন অনুসারে আগামী ১ আগস্ট থেকে প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে, খোলা তেল বিক্রি করা যাবে না। আমরা খোলা তেল বিক্রি বন্ধে মাঠে নামবো।

সারাদেশে একযোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে ভোক্তা অধিকারকে সহযোগিতা করবে জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশন।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ইআরএফ আয়োজিত কর্মশালায় এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইআরএফের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মীরধা।

এর আগে গত বছরের ২০ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ নেয় যে, ২০২৩ সালের ৩১ জুলাইয়ের পর বাজারে আর খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করা যাবে না। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেই সিদ্ধান্তের আলোকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযানে নামবে।