প্যাকেজের নামে মোবাইল অপারেটরদের অর্থ হরণ নজিরবিহীন : ক্যাব সভাপতি

দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো ডেটা ও ভয়েস প্যাকেজের নামে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে নজিরবিহীনভাবে অর্থ হরণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

রোববার (১৭ মে) বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ক্যাব সভাপতি অভিযোগ করেন, আমি যখন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলাম, তখন গ্রাহকদের অভিযোগ নিয়ে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে অনেক মামলা করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তারা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ডিজিটাল জীবনযাত্রা যেমন আমাদের কাজ সহজ করেছে, তেমনি সমাজ থেকে দূরেও সরিয়ে দিয়েছে। সব নাগরিকের ওপর নজরদারি করা সম্ভব হলে দেশে অনলাইন জুয়া কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়।

তিনি বলেন, গ্রাহকের ১৮০ টাকা খরচের মধ্যে ১০০ টাকাই সরকার ভ্যাট হিসেবে আদায় করে। এই ভ্যাটের অর্থ সরকার ও কমিশন কোথায় ব্যয় করে, তা জানার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালিদ বলেন, দেশের টেলিকম সেক্টরে প্রতিযোগিতা আইনের কোনো ব্যবহার হচ্ছে না। মাত্র একটি বেসরকারি অপারেটরকে যেভাবে একচেটিয়া সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তাতে রাষ্ট্রীয় অপারেটরের পাশাপাশি অন্য অপারেটরগুলো খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

এ সময় কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহীন হোসেন প্রিন্স বলেন, প্যাকেজের নামে অপারেটরদের নৈরাজ্য কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে সরকারের ৫৬ শতাংশ ভ্যাট আদায় করাও উচিত হবে না। সাইবার নিরাপত্তা ও নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষায় সরকারকে আরও যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাসদের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, আমরা মুখে ডিজিটাল উন্নতির কথা বললেও নিজেরা উন্নত হতে পারছি না। আমরা যদি প্রযুক্তি-বান্ধব দক্ষ শ্রমিক বিদেশে পাঠাতে পারতাম, তবে দেশ আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারত।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান বিশ্বে টেলিযোগাযোগ আর বিলাসিতা নয়, এটি এখন মৌলিক অধিকার ও ডিজিটাল লাইফলাইন। কিন্তু বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকেরা এখনো নেটওয়ার্কের নিম্নমান, ধীরগতির ইন্টারনেট, মূল্য বৈষম্য, অযৌক্তিক চার্জ এবং প্যাকেজ জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। একটি সংযুক্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এ সময় টেলিকম খাতের সার্বিক উন্নয়নে সংগঠনের পক্ষ থেকে ৬টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও নীতিমালার কঠোর প্রয়োগ, গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বৈষম্য দূর করে শক্তিশালী অবকাঠামো ও দুর্যোগ-সহনশীল নেটওয়ার্ক তৈরি, লুকানো চার্জ বন্ধ করে সহজবোধ্য প্যাকেজ নির্ধারণ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে গ্রাহক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন, শিক্ষার্থী ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা।

সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহিদা বেগমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট সামিউল ইসলাম, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু ও কেন্দ্রীয় সদস্য মাহফুজ।




ক্যাব ও বিএসটিআইয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিএসটিআইয়ের কাউন্সিল সভা শেষে আয়োজিত এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ক্যাবের সভাপতি এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক এস. এম. ফেরদৌস আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন।

অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া এবং বিএসটিআইয়ের কাউন্সিলর সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে মানসম্মত ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিতকরণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রমে সহযোগিতা, নকল ও ভেজালবিরোধী উদ্যোগ জোরদার, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ এবং তথ্যভিত্তিক উদ্যোগ যৌথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায্য বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।




বোতলজাত পানির মূল্যবৃদ্ধি বাতিলের দাবি ক্যাবের

বোতলজাত সব ধরনের পানির হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি অন্যায়, অযৌক্তিক ও ভোক্তা স্বার্থবিরোধী বলে মন্তব্য করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটি অবিলম্বে পানির অযৌক্তিক দাম বাতিলসহ চার দফা দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন থেকে সংগঠনটি এসব দাবি জানায়।

ক্যাবের দাবিগুলো হলো— অবিলম্বে সব ধরনের বোতলজাত পানির অযৌক্তিক, অন্যায় ও অন্যায্য মূল্যবৃদ্ধি বাতিল করতে হবে; ভোক্তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে; বোতলজাত পানির মূল্য স্বাভাবিক করতে প্রতিযোগিতা কমিশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে হবে; যেসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান জোটবদ্ধভাবে হঠাৎ বোতলজাত পানির দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়িয়ে ভোক্তা সাধারণকে কষ্টে ফেলেছে তাদের আইনানুগ বিচার ও শাস্তি দিতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। দেশে চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, মানুষ এমনিতেই নানাভাবে বিপদগ্রস্ত। এমন সময়ে হঠাৎ বাজারে বোতলজাত পানির দাম বেড়ে গেছে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই। নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে বোতলজাত পানির দাম। বেশ কয়েকটি কোম্পানি প্রতি বোতল পানির দাম বাড়িয়েছে। আধা লিটার পানির বোতল এখন বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। হঠাৎ কেন পানির দাম এত বাড়ানো হয়েছে, এর কোনো সদুত্তর মিলছে না। বাজারে যেসব বোতলজাত পানি বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে পরিচিত ব্র্যান্ডের ৫০০ মি.লি. পানির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এখন ২০ টাকা। কয়েকদিন আগে এসব ব্র্যান্ডের ৫০০ মি.লি. পানির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ছিল ১৫ টাকা। এছাড়া প্রতি ৫০০ মি. লি. বোতলজাত খাবার পানির পাইকারি মূল্য ১১-১২ টাকা। অর্থাৎ ৫০০ মি. লি. পরিমাণের প্রতি বোতল পানি খুচরা পর্যায়ে ৮/৯ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি।

তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সূত্রে জানতে পেরেছি, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে বোতলজাত পানির অস্বাভাবিক দাম বাড়ার ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করছে এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকেও জানিয়েছে। জানা আছে, দেশে পানির বাজার এখন হাজার কোটি টাকার। প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ কোটি লিটার বোতলজাত পানি বিক্রি হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে বোতলজাত পানির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী বড় বড় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেরই এখন পানির ব্যবসা রয়েছে।

তারা বলেন, আমরা জানি জনগণকে সুরক্ষা দিতে ‘প্রতিযোগিতা আইন ২০১২’ প্রণীত হয়েছে। এই আইনের লক্ষ্য হিসেবে বলা হয়েছে, ‘যেহেতু দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে ব্যবসা-বাণিজ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ উৎসাহিত করিবার, নিশ্চিত ও বজায় রাখিবার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ মনোপলি ও অলিগোপলি অবস্থা, জোটবদ্ধতা অথবা কর্তৃত্বময় অবস্থানের অপব্যবহার সংক্রান্ত প্রতিযোগিতা বিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূলের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; বিধায় প্রতিযোগিতা আইন ২০১২ প্রণীত হয়েছে।’ কিন্তু আমরা সাধারণ ভোক্তারা এই আইনের সুফল পাচ্ছি না। সব ধরনের বোতলজাত পানির হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিও এরই ধারাবাহিকতা।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বোতলজাত সব ধরনের পানির হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধি, যা অন্যায়, অযৌক্তিক ও ভোক্তা স্বার্থবিরোধী তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অবিলম্বে দাম কমানোর দাবি জানাচ্ছে।

মানববন্ধনে ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূইয়া, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাপরিচালক ও ক্যাব ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শামস এ খান, বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।




সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা ডিমের দাম বাড়িয়েছেন: ক্যাব

সিন্ডিকেট করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ডিমের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। যেসব ব্যবসায়ী এ ধরনের অনৈতিক কাজে লিপ্ত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবিও জানান সংগঠনটির নেতারা।

শনিবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরার গরীবে নেওয়াজ সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান। ‘অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে ডিমসহ অন্য নিত্যপণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে’ মানববন্ধন করে ক্যাব।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাজারে প্রায় সব পণ্যের দাম বেশি। ডিম নিয়ে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছে। পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে। ওষুধের দাম বেশি। এছাড়া সব পণ্যের দাম সিন্ডিকেট করে ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাজার পরিস্থিতি কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীর হাতে জিম্মি।

 

তারা বলেন, আমরা সরকারকে অনুরোধ করবো সরকার যেন ভোক্তাবান্ধব হয়। আমরা ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে সঠিক ওজনে পণ্য পেতে চাই। আর যেসব অসাধু ব্যবসায়ী আছেন, যারা কারসাজি করেন, মুনাফাখোর, মজুতদার, বাজারে পণ্যের সংকট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধি করেন- তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ। যেসব ব্যবসায়ী এ ধরনের অনৈতিক কাজে লিপ্ত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করতে ক্যাবের পক্ষ থেকে দাবি জানান বক্তারা।

এছাড়া বাংলাদেশের সব হাসপাতালে ডেঙ্গুরোগীদের পরীক্ষা বিনামূল্যে করার জন্য মানববন্ধন থেকে সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া, ক্যাব উত্তরা শাখা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন দেবনাথ, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মীর রেজাউল করিম, উত্তরা শাখা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা সানোয়ার হোসেন, উত্তরা প্রবীণ কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ডা. আবদুস সামাদ, প্রভাতী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী খান প্রমুখ।