কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৪ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-২৫ থেকে ডিসেম্বর-২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমেছে কে অ্যান্ড কিউ

পুঁজিবাজারে বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। এ কোম্পানিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএসইসির শর্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে।

এদিকে, ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডকে ঋণসুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে নিষেধ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।




কে অ্যান্ড কিউর প্রথম প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

রোববার (০১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ০৬ পয়সা আয় হয়েছিল।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশফ্লো ছিল মাইনাস ১৮ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে মাইনাস ৫৪ পয়সা ছিল।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৯৫ টাকা ৩৩ পয়সা।




কে অ্যান্ড কিউয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১১ নভেম্বর বিকাল ৩ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।

সভা শেষে লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে।




কে অ্যান্ড কিউ’র মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি বিদ্যমান ৫ কোটি ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা থেকে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ৫৯ হাজার ৩০৯ টাকা বাড়াবে। এজন্য কোম্পানিটি ১৭ লাখ ৮ হাজার ২৭৫টি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। কে অ্যান্ড কিউ ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ ৮২ হাজার ৭৫০ টাকা উত্তোলন করবে।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, কে অ্যান্ড কিউ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি ১৫ লাখ থেকে ৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এটা মাল্টিসোর্সিং লিমিটেডের সঙ্গে কে অ্যান্ড কিউ এর একীভূতকরণে উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে দিয়েছে।

বিএসইসির অনুমোদনের মাধ্যমে কে অ্যান্ড কিউ প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ১ কোটি ৭১ লাখ টাকার নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। যা ইস্যু করা হবে মাল্টিসোর্সিং কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে। যেগুলোর মালিক কে অ্যান্ড কিউ’র উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা। অর্থাৎ কে অ্যান্ড কিউ’র উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা ২২৩ টাকা বাজার দরের প্রতিটি শেয়ার পেতে যাচ্ছে ১০ টাকা করে।




কে অ্যান্ড কিউয়ের ৯ মাসে মুনাফা কমেছে ৪৭.৮৩ শতাংশ

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৩) ও নয় মাসের (জুলাই, ২০২২-মার্চ, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশি প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য হিসাব বছরের নয় মাসে কোম্পানিটির আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি তৃতীয় প্রন্তিকের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.১১ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৪৬ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৫ টাকা বা ৭৬.০৯ শতাংশ কমেছে।

এদিকে, নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ০.৩৬ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ০.৬৯ টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা ০.৩৩ টাকা বা ৪৭.৮৩ শতাংশ কমেছে।

২০২৩ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪.৪৬ টাকায়।




৫ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করার পর তা প্রকাশ করা হয়েছে।

কোম্পানি পাঁচটি হলো: হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড, কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্টাস্ট্রিজ লিমিটেড, লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড এবং সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড।

রোববার (২ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানি পাঁচটির মধ্যে হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড ও সায়হাম কটন মিলস লিমিটেডকে রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি), কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডকে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্টাস্ট্রিজ লিমিটেড ও লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডকে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল) এবং সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড।

হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘বিবিবি১’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-৩। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি বছরের ২৩ মার্চ পর্যন্ত সোসাল ইসলামী ব্যাংক ও ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের দায়বদ্ধতার অবস্থান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

 

কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘বিবিবি’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-৩। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্টাস্ট্রিজ লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-২। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত পাশাপাশি গুণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত পাশাপাশি গুণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।

সায়হাম কটন মিলস লিমিটেডের দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং হয়েছে ‘এ১’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-৩। ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকের দায়বদ্ধতার অবস্থান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত তথ্য অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।