দুয়ার সার্ভিসের কিউআইও সাবস্ক্রিপশন স্থগিত

পুঁজিবাজারের এসএমই খাতে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা দুয়ার সার্ভিসেস পিএলসির কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) সাবস্ক্রিপশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৩৯ তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জানা গেছে, পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় দুয়ার সার্ভিসেস পিএলসি (DOER Services PLC) এর কিউআইও (Qualified Investor Offer) এর সাবস্ক্রিপশন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, পাশাপাশি উক্ত বিষয়ে তদন্তের জন্য বিএসইসি ও ডিএসই এর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য, দুয়ার সার্ভিসেস পিএলসি (DOER Services PLC) গত ২৭ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে কিউআইও এর মাধ্যমে ৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য কমিশনে আবেদন করে। কমিশনের ০৯ জুন ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ৯১১ তম কমিশন সভায় শর্তসাপেক্ষে অভিপ্রায় পত্র (Letter of Intent) প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

পরবর্তীতে কোম্পানির উক্ত শর্তসমূহ পরিপালনের শর্ত অনুযায়ী কোম্পানির নিকট হতে দলিলাদি প্রাপ্তির পর কমিশন ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত ৯৩৪ তম কমিশন সভায় সম্মতি পত্র (Consent letter) প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এ প্রেক্ষিতে উক্ত কোম্পানি কিউআইও অফারের শেয়ার বরাদ্দ (Share subscription) এর জন্য ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ হতে ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ নির্ধারণ করে। কিন্তু সম্প্রতি উক্ত কোম্পানির সাথে তার বিভিন্ন গ্রাহকের সেবা প্রদান সংক্রান্ত চুক্তি, কোম্পানির আয় ও মুনাফা সংক্রান্ত বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়। সেই প্রেক্ষিতেই কমিশন সার্বিক বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উপর্যুক্ত সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেছে। কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

 




ব্রেইন স্টেশনের কিউআইও আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর

পুঁজিবাজারে এসএমই খাতে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির কিউআইও আবেদনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৫ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কোম্পানিটির কিউআইও আবেদন চলবে।

কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ঢাকা স্টক একচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ব্রেইন স্টেশন ২৩ এর কিউআইও আবেদনে আগ্রহীদের আগামী ২১ আগস্টের আগে পুঁজিবাজারে অন্তত ৩০ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। পাশাপাশি সাবস্ক্রিপশন ফি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে।

গত ০৯ জুন বিএসইসির ৯১১তম কমিশন সভায় কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) অনুমোদন পাওয়া ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসি পুঁজিবাজার থেকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৫ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি কম্পিউটার ও আইটি সামগ্রী ক্রয় এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ১ জুলাই ২০২৩ – ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সময়কালের তিন মাসের আর্থিক বিবরণ অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৮ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।




এমকে ফুটওয়্যারের কিউআইওতে আবেদন শুরু

এসএমই বোর্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে যাওয়া এমকে ফুটওয়্যার পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

রোববার (১১ জুন) সকাল ১০টায় এ আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ১৫ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) প্রতিষ্ঠানটিকে দশ টাকা অভিহিত মূল্যে বাজার থেকে ১০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।

এরপর অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করে আজ সকাল থেকে কিউআইওর মাধ্যমে ১ কোটি শেয়ার ছেড়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের থেকে ১০ কোটি টাকা উত্তোলন করছে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা নিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ইস্যু ব্যবস্থাপনার খরচ খাতে ব্যয় করবে।

প্রসপেক্টাস অনুসারে, ২০২১-২২ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরে পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯৫ পয়সা।




এমকে ফুটওয়্যারের কিউআইও আবেদন শুরু ১১ জুন

শেয়ারবাজারে এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া এমকে ফুটওয়্যার পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) আবেদন গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির কিউআইও আবেদন গ্রহণ আগামী ১১ জুন সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে। চলবে ১৫ জুন বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির ৮৫৮তম কমিশন সভায় কোম্পানির কিউআইও অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস, ২০২২ অনুযায়ী এমকে ফুটওয়্যার ১ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে কিউআইওর মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করা হবে।

পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি বিদ্যমান যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানির ২০২১ সালের ১ জুলাই হতে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ডাইলুটেড শেয়ারপ্রতি মুনাফ (ইপিএস) ৩.১৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া ১২.৯৫ টাকা।

এসএমই প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও আন্ডার রাইটারের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।




শেয়ারবাজার থেকে টাকা তোলার অনুমোদন পেল এগ্রো অর্গানিকা

কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজের (কিউআইও) মাধ্যমে এগ্রো অর্গানিকা পিএলসি-কে ৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে বুধবার (৩১ মে) অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

তিনি জানান, কোম্পানিটি কিউআইও’র মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর) কাছে শেয়ার বিক্রি করে ৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করবে। এজন্য কোম্পানিটি ৫০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করবে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

এ টাকা তুলে কোম্পানিটি কারখানা ভবন সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি অধিগ্রহণ, কার্যকরী মূলধন এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে। ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা এবং নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৬৮ পয়সা।

রেজাউল করিম জানান, এসএমই প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।




পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের কিউআইওর আবেদন বাতিল

আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের অসংগতি থাকায় পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) আবেদন বাতিল করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে বিএসইসি।

তৈরি পোশাক খাতের কোম্পানি পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি ডিবিএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এটি তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য সুতা তৈরি করে। এটি ২০০৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে দিনে ৩৫ হাজার পিস কার্টুন সুতা উৎপাদন করে।

কোম্পানি এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে কিউআইওর মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে পাঁচ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য বিএসইসির কাছে আবেদন করেছিল। কোম্পানিটি কার্যকরী মূলধন এবং কিউআইওর খরচ মেটাতে তহবিল ব্যবহার করতে চেয়েছিল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোম্পানির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, চলতি বছরের জুনের পরে আবার কিউআইওর জন্য আবেদন করতে চান।

বিএসইসির তথ্যমতে, পার্কওয়ে প্যাকেজিং ২০২২ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য আর্থিক বিবৃতি জমা দিয়ে কিউআইও এর জন্য আবেদন করেছিল, তাও কোনো ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (DVS) নম্বর ছাড়াই। শুধু তাই নয়, আর্থিক প্রতিবেদনও যাচাই না করেই। তাই আবেদনে সম্মতি দেয়নি।

এছাড়া বিএসইসি দেখতে পেয়েছে যে, পার্কওয়ে প্যাকেজিং ব্যাংক থেকে ৩৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে ৩২ কোটি ৯ লাখ টাকা। এতে ব্যাংকে কোম্পানির মোট ৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা নগদ রয়েছে।

কোম্পানির তথ্যমতে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরে কোম্পানির গ্রস প্রফিট ১৪ দশমিক ২৩ শতাংশ থেকে ১৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ বেড়েছে। এতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ মুনাফা অতিরিক্ত দেখিয়েছে। পাশাপাশি কমিশনের পর্যবেক্ষণে এসে যে, তিন বছরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪৫ লাখ টাকা থেকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে ৬০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। তারপরও কোম্পানিটি তার সম্পদ, ইক্যুইটি, অবমূল্যায়ন-অবমূল্যায়ন এবং প্রশাসনিক ব্যয়কে অতিমূল্যায়িত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।




ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশনের জন্য ডিএসই সিএসইর সঙ্গে আল-মদিনা ফার্মার চুক্তি

পুঁজিবাজারের এসএমই প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পাওয়া আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) এবং আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মধ্যে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ মে) ডিএসই টাওয়ার, নিকুঞ্জে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডিএসই’র প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, সিএসই’র ডেপুটি ম্যানেজার মো. জাহিদুল ইসলাম এবং আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন পাটোয়ারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় ডিএসই, সিএসই, আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও ইস্যুয়ার প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাবস্ক্রিপশন ৭ মে থেকে শুরু হয়েছে। এ আবেদন গ্রহণ চলবে ১১ মে পর্যন্ত।




আল-মদিনা ফার্মার কিউআইওর আবেদন শুরু ৭ মে

স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য গঠিত এসএমই প্ল্যাটফর্মে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) তারিখ নির্ধারণ করেছে। কোম্পানিটির কিউআইওতে আবেদন গ্রহণ আগামী ৭ মে (রোববার) থেকে শুরু হয়ে চলবে ১১ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ করবে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো।

মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি ১০ টাকা মূল্যে ৫০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করবে। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বিএসইসির ৮৪৫তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির এ কিউআইও অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

এসএমই খাতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মূলধন উত্তোলনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ বিদ্যমান ব্যবসা প্রসারিতকরণ, ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে আল-মদিনা ফার্মাসিউটিক্যালস।

আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, সর্বশেষ হিসাব বছরে (৩০ জুন, ২০২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩০ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৬৫ পয়সায় (পুনঃমূল্যায়নসহ)।

বিএসইসির শর্ত অনুযায়ী, লেনদেন শুরুর পর থেকে তিন বছর কোম্পানিটি কোন বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।




এমকে ফুটওয়্যারের কিউআইও অনুমোদন

এসএমই বোর্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এমকে ফুটওয়্যার পিএলসির কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার (কিউআইও) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসির ৮৫৮তম কমিশন সভায় কোম্পানির কিউআইও অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসির অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত -উল- ইসলামের সভাপতিত্বে চার কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

সভায় দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কোম্পানিটিকে এসএমই বোডের মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে।

বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম। তিনি বলেন,বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস, ২০২২ অনুযায়ী এমকে ফুটওয়্যার ১ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ১০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করবে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে কিউআইওর মাধ্যমে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করা হবে।

পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি বিদ্যমান যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে।

কোম্পানিটির ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী ডাইলুটেড শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ৩.১৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া ১২.৯৫ টাকা।

এসএমই প্লাটফর্মে লেনদেনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩ বছর ইস্যুয়ার কোম্পানি কোনো বোনাস শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও আন্ডার রাইটারের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।