এশিয়া‌টিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ার ‘লক-ইন’—এ নতুন নির্দেশনা

এশিয়া‌টিক ল্যাবরেটরি‌জ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডাদের (প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১৮৩ জন/প্রতিষ্ঠান) ধারণ করা শেয়ারের ‘লক-ইন’ এর বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করা অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লক-ইন সময়ে শেয়ার বিক্রি করা যায় না।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদ্যমান লক-ইন অবমুক্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর বা প্রস্তাবিত ৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজের সমাপ্তি ও বাণিজ্যিক ব্যবহার চালু করার (রাজউকের অকুপেন্সি সার্টিফিকেটসহ) মধ্যে যেটি পরে সম্পন্ন হবে ততদিন পর্যন্ত লক-ইন বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিদর্শন প্রতিবেদনের সুপারিশ, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।

বিএসইসি জানিয়েছে, ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত ৮৩৭তম কমিশন সভায় এশিয়া‌টিক ল্যাবরেটরি‌জ লিমিটেডের ৯৫ কোটি টাকা প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে উত্তোলন করার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

এই আইপিও’র মাধ্যমে ৯৫ কোটি টাকা পুঁজি উত্তোলন করে কোম্পানিটি ব্যবসায় সম্প্রসারণ (যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ইনস্টলেশন), ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে মর্মে কোম্পানিটির প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কোম্পানিটি এখন পর্যন্ত আইপিও’র মাধ্যমে উত্তোলন করা অর্থ বা আইপিও ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেনি বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, আইপিও ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন না করেই প্রকল্প মূল্যায়ন, সম্ভাব্যতা যাচাই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন (রাজউক কর্তৃক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ইত্যাদি) ব্যতিরেকে এবং পূর্বঅভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছাড়াই কোম্পানিটি ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণের উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা সম্পর্কিত প্রাইস সেনসিটিভ ইনফরমেশন প্রকাশ করে।

৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিং নির্মাণ তথা রিয়েল এস্টেট/হোটেল ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও কোম্পানিটির সংঘস্মারকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে পরিদর্শন পরিচালিত হয় এবং ওই পরিদর্শন প্রতিবেদনেও উপরোল্লিখিত অসংগতি উদঘাটিত হয় বলে জানিয়েছে বিএসইসি।

এদিকে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ ও তথ্যপ্রকাশকারীর সুরক্ষা প্রদান) বিধিমালা, ২০২৬’ এর খসড়া কমিশন সভায় অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত খসড়াটি জনমত যাচাইয়ের জন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ও কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে।




এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৪-ডিসেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৭২ পয়সা। গত বছর একই সময়ে আয় হয়েছিল ৬২ পয়সা।

হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই’২৪-ডিসেম্বর’২৪) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯৬ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিল ১ টাকা ৫৪ পয়সা।

গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫২ টাকা ৯৫ পয়সা।




এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর বিকাল ৫ টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র অনুসারে, আলোচিত সভায় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই’২৪-সেপ্টেম্বর’২৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।




এশিয়াটিকের আইপিও অর্থের ব্যবহার তদন্তে কমিটি গঠন

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার এবং বিগত ৬ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন খতিয়ে দেখতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. আল মাসুম মৃধা, বিএসইসির সহকারী পরিচালক মোসাব্বির আল আশিক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপক স্নেহাশিষ চক্রবর্তী।

বিএসইসির নির্বাহী মুখপাত্র বলেন, গঠিত তদন্ত কমিটি ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আর্থিক রেকর্ড পর্যালোচনা করবে এবং আইপিওর অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল তা তদন্ত করবে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তথ্য মতে, মিথ্যা জমির মালিকানা দাবি, ভুল আর্থিক এবং জালিয়াতি শেয়ার মানি ডিপোজিটের অভিযোগ উঠায় ২০২২ সালের জানুয়ারিতে আইপিও সাবস্ক্রিপশন প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়েছিল। পরে তদন্তে জাল জমির মালিকানা নথি, ভুল আর্থিক বিবরণী এবং জালিয়াতি শেয়ার মানি ডিপোজিটের প্রমাণ পাওয় যায়। এরই ধরাবাহিকতায় বিএসইসি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরির প্রত্যেক পরিচালক ও ইস্যু ম্যানেজারকে ৫০ লাখ টাকা করে জরিমানা করে। এছাড়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদ, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা এবং কোম্পানি সচিবকে ২৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহিত অর্থে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, উৎপাদন ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে বলে জানিয়ে ছিল কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেছে শাহজালাল ইকুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।




সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৩৯৪ কোম্পানির ২ হাজার ৭৬৪ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী সপ্তাহে (২১ এপ্রিল-২৫ এপ্রিল) কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ৩১ কোটি ২৭ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ অবদান এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের।

লেনদেন তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে আসা তাওফিকা ফুডস এন্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির বিদায়ী সপ্তাহে গড় লেনদেন ছিলো ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৫০ টাকা।

লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে সাপ্তাহজুরে প্রতিদিন গড়ে গোল্ডেন সনের ২০ কোটি ৮৩ লাখ, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ১৬ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার, বেস্ট হোল্ডিংসের ১৪ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার, মালেক স্পিনিংয়ের ১৩ কোটি ৬৪ লাখ, স্যালভো ক্যামিকেলের ১২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার, কোহিনূর কেমিক্যালের ১২ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার এবং বিচ হ্যাচারির ১১ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।




দরপতনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৪ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এদিন দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, রোববার (৩১ মার্চ) এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে ২ টাকা ৫০ পয়সা বা ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। তাতে দরপতনের শীর্ষে জায়গা নিয়েছে কোম্পানিটি।

দর হারানোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রেকিট বেনকিজারের শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় ২৪৪ টাকা ৪০ পয়সা বা ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমেছে। আর শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে যাওয়ায় তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড।

রোববার দরপতনের তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড, উত্তরা ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টস্, কেয়া কসমেটিক্স, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড, নিটল ইন্স্যুরেন্স, ফ্যামিলিটেক্স (বিডি), রূপালি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।




ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (২৪ থেকে ২৮ মার্চ) কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ।

শনিবার (৩০ মার্চ) ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৫.৭৩ শতাংশ। এতে কোম্পানিটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে।

লেনদেনের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সেন্ট্রাল ফার্মসিউটিক্যালসের ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৪.৯৪ শতাংশ।

তৃতীয় স্থানে থাকা আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ১৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৪.০৪ শতাংশ।

লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- বেস্ট হোল্ডিংসের ৩.৭১ শতাংশ, গোল্ডেন সনের ৩.২২ শতাংশ, ফু-ওয়াং সিরামিকের ৩.০৪ শতাংশ, শাইনপুকুর সিরামিকের ২.৪৮ শতাংশ, মালেক স্পিনিংয়ের ২.২০ শতাংশ, ফর্চুন সুজের ২.০৪ শতাংশ ও এমারেল্ড অয়েলের ২.০৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।




অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ জানে না এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়ার পেছনের কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠালে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে বলে জানায় কোম্পানিটি।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, গত ৬ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ২২ টাকা। রোববার (২৪ মার্চ) শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৭০ পয়সা।

অর্থাৎ ১২ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২৭টাকা ৭০ পয়সা। এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই কতৃপক্ষ।




এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের আইপিও’র স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের অর্থ উত্তোলনের উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। আইপিও-তে জনসাধারণের কাছ থেকে আবেদন জমা নেওয়া শুরুর ঠিক একদিন আগে গত ১৫ জানুয়ারি তা স্থগিত করেছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৮৮৯তম কমিশন বৈঠকে ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম।

এর আগে, বিএসইসি’র ৮৩৭তম কমিশন সভায় বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য অনুমোদন পায় এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। এজন্য চলতি বছরের ১৬ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত পাবলিক সাবস্ক্রিপশনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে, গত বছরের ১০ থেকে ১৩ অক্টোবর কোম্পানিটির শেয়ারের কাট-অব প্রাইস (প্রান্তসীমা মূল্য) নির্ধারণে বিডিং অনুষ্ঠিত হয়। বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইআই) কোম্পানিটির শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রান্তসীমা মূল্যের চেয়ে ৩০ শতাংশ বা ২০ টাকা এ দুয়ের মধ্যে যেটি কম হবে, সে মূল্যে শেয়ার ইস্যু করা হবে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হওয়ায় জনসাধারণের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রিতে আর কোনও বাধা রইল না।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে শাহজালাল ইক‌্যুইটি ম‌্যানেজম‌্যান্ট লিমিটেড। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনও প্রকার ডি‌ভিডেন্ড ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

আইপিও’র মাধ্যমে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ বাজার থেকে ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আর এই টাকার বড় অংশ ব্যয় করা হবে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণে।