এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণ

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মে মাসের জন্য দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ১ হাজার ৯৪০ টাকায় পাওয়া যাবে ১২ কেজির সিলিন্ডার। তবে কিছু সিলিন্ডারের দাম সামান্য বাড়ানো হয়েছে।

রোববার (৩ মে) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই দাম ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এর আগে গত এপ্রিল মাসেই দুই দফায় বাড়ানো হয় এলপিজির দাম। এপ্রিলের শুরুতে প্রতি কেজিতে বেড়েছিল ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এরপর গত ১৯ এপ্রিল প্রতি কেজিতে বাড়ানো ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

চলতি মে মাসে সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮৮৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ২১ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৪২৬ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৫৮৭ টাকা, ১৮ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৯১১ টাকা, ২০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ২৩৪ টাকা নির্ধারণ করে।

পাশাপাশি ২২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা, ২৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪৩ টাকা, ৩০ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৮৫১ টাকা, ৩৩ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৩৬ টাকা, ৩৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৬৬০ টাকা ও ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৭ হাজার ২৭৭ টাকা নির্ধারণ করে।




চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজিবাহী দুই জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এলপিজি বোঝাই দুটি জাহাজ পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি এলএনজি ও এলপিজিবাহী জাহাজ পর্যায়ক্রমে দেশে আসছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছেছে।

তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং জাহাজ আসার কথা রয়েছে। সোমবার মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে পল জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। এছাড়া আগামী ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে দেশে পৌঁছাবে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল আসবে এলএনজিবাহী লবিটো।

এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাসের মিশ্রণ, যা সিলিন্ডারে ভরে বাসাবাড়ি ও রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজে এবং যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি বহনযোগ্য হওয়ায় পাইপলাইন বিহীন এলাকায় গৃহস্থালি ও ক্ষুদ্র শিল্পের তাপ উৎপাদনে প্রধান ভরসা।

অন্যদিকে এলএনজি হলো অতিশীতল প্রাকৃতিক গ্যাস যা মূলত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং বড় বড় শিল্প কারখানায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সার কারখানা, টেক্সটাইল ও সিরামিকের মতো ভারী শিল্পে উচ্চ তাপ নিশ্চিত করতে পাইপলাইনের মাধ্যমে এটি সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সমুদ্রগামী জাহাজ ও দূরপাল্লার ভারী ট্রাকের জ্বালানি হিসেবেও এলএনজির ব্যবহার হয়।




বিকল্প দেশ থেকে আনা হচ্ছে এলপিজি, রমজানের আগেই সমাধান: জ্বালানি উপদেষ্টা

ইরান থেকে আসা এলপিজির জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের বাজারে এলপিজির সংকট হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি বলেছেন, বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আনা হচ্ছে। রমজানের আগেই সমস্যার সমাধান মিলবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, যারা এলপিজি আমদানি করেন গতকাল আমরা সবার সঙ্গে বসেছিলাম। কোম্পানিসহ বড় আমদানিকারকদের সঙ্গে বসেছিলাম। বিঘ্নটা হলো কেন? সমস্যার কারণ হিসেবে তারা জানিয়েছে, আগে আমাদের দেশে ইরান থেকে এলপিজি আসত। এগুলো আগেও আমাদের জানিয়েছিল যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আছে। তো এবার তারা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার জন্য যে জাহাজগুলো ইরানি এলপিজি বহন করত, সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এখন তারাই তো এই অঞ্চলে এলপিজি আনে, এজন্যই সমস্যাটা হয়েছে। এখন তারা বিকল্প উৎস থেকে আনছে।

রমজানের আগেই এলপিজি সংকটের সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এলজিপি যারা বিক্রি করে তারা রিসিট দেয় না— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল কোর্ট করে আমরা চেষ্টা করছি যতটা কমানো যায়। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে যতটা সম্ভব সব চেষ্টা করা হচ্ছে, গ্রাহক যাতে এলপিজি কম দামে পায়।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এটার মূল সমস্যা হয়ে গেছে— এলপিজি যেহেতু বেসরকারি খাত এখানে সরকারি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিইআরসির মাধ্যমে এটার মূল্য সমন্বয় হয়। আমরা এলপিজির আমদানি আগে থেকে মনিটরিং করতাম না। এখন চিন্তা করছি বিইআরসি ও জ্বালানি বিভাগের মধ্যে একটা সিস্টেম ডেভেলপ করব, যাতে করে আগাম বুঝতে পারি।




১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ২৮ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমানো হয়েছে। ২৮ টাকা দাম কমিয়ে মার্চ মাসের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ টাকা।

ফেব্রুয়ারি মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৪৭৮ টাকা। এরও আগে গত জানুয়ারি মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৪৫৯ টাকা।

এছাড়া ৫.৫ কেজি সিলিন্ডারে দাম ৬৬৪ টাকা, ১২.৫ কেজির দাম ১ হাজার ৫১০ টাকা, ১৫ কেজির দাম ১ হাজার ৮১২ টাকা, ১৬ কেজির দাম ১ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ কেজির দাম ২ হাজার ১৭৫ টাকা, ২০ কেজির দাম ২ হাজার ৪১৬ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৬৫৮ টাকা, ২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ২০ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৬২৪ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৮৭ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ২২৮ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের ৫ হাজার ৪৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংস্থাটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ নতুন দাম ঘোষণা করেন।

২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।




এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো

ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসের জন্য ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। এই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম মে মাসের তুলনায় জুনে ৩০ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টায় নতুন এই দাম ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন জানান, ১২ কেজির এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে টানা ৮ মাস বাড়ার পর গত এপ্রিল মাসে কমেছিল এলপি গ্যাসের দাম। সেই ধারাবাহিকতায় গত মে ও জুন মাসেও কমে এলপিজির দাম।




আবারও বাড়লো এলপিজির দাম

আবারও বাড়লো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

 

রোববার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টায় বিইআরসির কার্যালয়ে নতুন দর ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন। আজ সন্ধ্যা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

 

এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে বোতলজাত এলপিজির ৫.৫ কেজির দাম ৬৭৬ থেকে বেড়ে ৬৭৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১ হাজার ৫৩৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫৪৪ টাকা, ১৫ কেজি ১ হাজার ৮৪৩ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৫৩ টাকা, ১৬ কেজি ১ হাজার ৯৬৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৭৬, ১৮ কেজি ২ হাজার ২১১ থেকে বেড়ে ২ হাজার ২২৩ টাকা, ২০ কেজি ২ হাজার ৪৫৭ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪৭০ টাকা, ২২ কেজি ২ হাজার ৭০৩ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৭১৭ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৭২ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৮৮ টাকা, ৩০ কেজি ৩ হাজার ৬৮৬ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৭০৬ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৫৪ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৭৬ টাকা, ৩৫ কেজি ৪ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৩২৩ ও ৪৫ কেজির এলপিজির দাম ৫ হাজার ৫২৯ থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫৫৮ টাকা হয়েছে।

বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মাল্য প্রতি কেজি ১১৯ দশমিক ৬৯ টাকায় এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ০.২৬৬০ টাকায় বা প্রতি ঘনমিটার ২৬৬ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ৬৮ দশমিক শূন্য ৫ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন বলেন, ডলারের দাম না বাড়লেও জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৪১ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।




আবারও বাড়লো এলপিজির দাম

আবারও বাড়লো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৮ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

 

রোববার (৩ মার্চ) বিকেল ৩টায় বিইআরসির কার্যালয়ে নতুন দর ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন। আজ সন্ধ্যা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

 

এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে বোতলজাত এলপিজির ৫.৫ কেজির দাম ৬৭৬ থেকে বেড়ে ৬৭৯ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ১ হাজার ৫৩৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৫৪৪ টাকা, ১৫ কেজি ১ হাজার ৮৪৩ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৫৩ টাকা, ১৬ কেজি ১ হাজার ৯৬৬ থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৭৬, ১৮ কেজি ২ হাজার ২১১ থেকে বেড়ে ২ হাজার ২২৩ টাকা, ২০ কেজি ২ হাজার ৪৫৭ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪৭০ টাকা, ২২ কেজি ২ হাজার ৭০৩ থেকে বেড়ে ২ হাজার ৭১৭ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৭২ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৮৮ টাকা, ৩০ কেজি ৩ হাজার ৬৮৬ থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৭০৬ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৫৪ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৭৬ টাকা, ৩৫ কেজি ৪ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৩২৩ ও ৪৫ কেজির এলপিজির দাম ৫ হাজার ৫২৯ থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৫৫৮ টাকা হয়েছে।

 

বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মাল্য প্রতি কেজি ১১৯ দশমিক ৬৯ টাকায় এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ০.২৬৬০ টাকায় বা প্রতি ঘনমিটার ২৬৬ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ৬৮ দশমিক শূন্য ৫ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে।

 

বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন বলেন, ডলারের দাম না বাড়লেও জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে এলপিজির দাম বাড়ানো হয়েছে।

 

গত ফেব্রুয়ারিতে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৪১ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।




এলপিজির দাম কমানোর সুযোগ নেই : সংসদে প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, আমদানি নির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম না কমালে রেগুলেটরি কমিশন থেকে এলপিজির মূল্য কমানোর সুযোগ নেই।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

নসরুল হামিদ বলেন, দেশের বেসরকারি এলপিজি আমদানি নির্ভর হওয়ায় (মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ) আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য না কমালে রেগুলেটরি কমিশন কর্তৃক বেসরকারি এলপিজির মূল্য কমানোর সুযোগ নেই। প্রতি কেজি বেসরকারি এলপিজির মূল্য ১২২.৮৬ টাকা। সে অনুযায়ী বহুল ব্যবহৃত বেসরকারি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৪৭৪ টাকা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে এলপিজি গ্যাস আরো সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার জন্য কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মাতারবাড়ি এলাকায় বৃহদাকার এলপিজি টার্মিনাল এবং চট্টগ্রামের লতিফপুর মৌজায় বটলিং প্ল্যান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এছাড়া বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট স্থাপনে উৎসাহ করতে নীতিমালা সংশোধনের কার্যক্রম চলছে। এতে এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভোক্তাপর্যায়ে মূল্য সহনীয় রাখা সম্ভব হবে।




আবারো বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ১২ কেজিতে আরও ৪১ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ টাকা, যা গতমাসে ছিল এক হাজার ৪৩৩ টাকা।

আজ রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুরেটরি কমিশনে (বিইআরসি) এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের অন্য সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে সৌদি আরামকো কম্পানির প্রপেন ও বিউটেনের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি। ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। তার পর থেকে প্রতি মাসে একবার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।




এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৩ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে ডিসেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম সমন্বয় করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

চলতি মাসের প্রথম কর্মদিবস রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ মূল্য ঘোষণা করা হয়, যা কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।

প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এলপিজির সমন্বয়কৃত দর ঘোষণা করে বিইআরসি।

সমন্বয়কৃত মূল্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৪০৪ টাকা, যা নভেম্বরে ছিল ১ হাজার ৩৮১ টাকা। অর্থাৎ রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে চলতি মাসে ক্রেতাকে ২৩ টাকা বেশি গুনতে হবে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর তথা মূসকসহ সাড়ে পাঁচ কেজি এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে ৬৪৪ টাকা। এ ছাড়া ১৫ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৭৫৫ টাকা, ২০ কেজির দাম দুই হাজার ৩৪০ টাকা, ২৫ কেজির দাম ২ হাজার ৯২৬ টাকা ও ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৫১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।




এলপিজির ডিসেম্বর মাসের মূল্য নির্ধারণ আজ

চলতি ডিসেম্বর মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করা হবে আজ। রোববার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর তিনটায় নতুন দাম ঘোষণা করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এর আগে, নভেম্বর মাসে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। অক্টোবরে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ছিল এক হাজার ৩৬৩ টাকা।

একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ায় বিইআরসি। নভেম্বর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয় ৬৩ টাকা ৩৬ পয়সা।

বাংলাদেশের এলপিজি অপারেটররা সাধারণত সৌদি সিপির ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে তাদের পণ্য আমদানি করেন। ফলে সৌদি সিপির দামের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে এলপিজির দাম বাড়ে বা কমে।




বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম

আবারও বেড়েছে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) দাম। নভেম্বর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৮ বাড়িয়ে ১৩৮১ টাকা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাম ঘোষণা করে বিইআরসি।

এটি এতদিন ১৩৬৩ টাকায় বিক্রি হয়ে আসছিল।

কমিশন জানিয়েছে, এলপিজির ১৫ কেজি সিলিন্ডার ১৭২৬ টাকা, ১৬ কেজি ১৮৪২ টাকা, ১৮ কেজি সিলিন্ডার ২০৭২ টাকা, ২০ কেজি ২৩০২ টাকা, ২২ কেজি ২৫৩২ টাকা, ২৫ কেজি ২৮৭৭ টাকা, ৩০ কেজি ৩৪৫৩ টাকা, ৩৩ কেজি ৩৭৯৮ টাকা, ৩৫ কেজি ৪০২৮ টাকা ও ৪৫ কেজি ৫১৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষিত এই দাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

বিইআরসির ঘোষণায় বলা হয়েছে, নভেম্বর ২০২৩ মাসের জন্য সৌদি আরামকো কর্তৃক প্রোপেন এবং বিউটেনের ঘোষিত সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন যথাক্রমে ৬১০.০০ মার্কিন ডলার এবং ৬২০.০০ মার্কিন ডলার এবং প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৬১৬.৫০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় নভেম্বর ২০২০ মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের ভোক্তাপর্যায়ের মূল্য এ সমন্বয় করা হলো।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১২.২৬ টাকায়, গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ০.২৪৭৩ টাকায় বা প্রতি ঘনমিটার ২৪৭.৩০ টাকায় সমন্বয় করা হলো। ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মুসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ৬৩.৩৬ টাকায় সমন্বয় করা হলো।

কোনও পর্যায়ে (এলপিজি মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ, ডিস্ট্রিবিউটর এবং ভোক্তাপর্যায়ে রিটেইলার পয়েন্টে) কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে এলপিজি (বোতলজাতকৃত এবং রেটিকুলেটেড সিস্টেমের মাধ্যমে সরবরাহকৃত)/অটোগ্যাস বিক্রয় করা যাবে না।

এর আগে, অক্টোবর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭৯ বাড়িয়ে ১৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা সেপ্টেম্বর মাসে ১২৮৪ টাকায় বিক্রি হয়ে আসছিল। আগস্ট মাসে যার দাম ছিল ১১৪০ টাকা। তারও আগে জুলাই মাসে যার দাম ছিল ৯৯৯ টাকা।




এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা আজ

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চলতি নভেম্বর মাসের দাম বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর ঘোষিত নভেম্বর মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এ মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয়ক সম্পর্কে বাংলাদেশ অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় ঘোষণা করা হবে।

বেসরকারি এলপিজির মূল্যহার সংক্রান্ত আদেশ কমিশনের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গত ২ অক্টোবর ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ানো হয় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবর মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।




এলপিজির দাম বেড়েছে ৭৯ টাকা

ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগে ছিল ১ হাজার ২৮৪ টাকা।

সোমবার (২ অক্টোবর) টিসিবি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। নতুন মূল্য আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৬১ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৯ টাকা ৭৯ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬২ টাকা ৫৪ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে, সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ১৪০ টাকা থেকে ১৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৮৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।




আগস্টের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ঘোষণা আজ

আগস্ট মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করা হবে বুধবার (২ আগস্ট)।

এদিন বিকেল সাড়ে ৩টায় নতুন দাম ঘোষণা করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কারওয়ান বাজারে কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

গত জুলাই মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৭৪ টাকা থেকে কমিয়ে ৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে সময় দাম কমানো হয় ৭৫ টাকা।

তার আগে জুন মাসেও ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কমেছিল ১৫৯ টাকা।

এদিকে সরকার দাম নির্ধারণ করে দিলেও ক্রেতাদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কখনোই এলপিজি কিনতে পারেন না তারা। আর ডিলার ও আমদানি সংশ্লিষ্টদের দাবি, আমদানিতে খরচ বেশি, সরকার-নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব নয়।




এলপিজির চলতি মাসের মূল্য ঘোষণা আজ

ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা হবে আজ।

সোমবার (৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় নতুন দর ঘোষণা করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আমদানিকৃত পণ্যটির মূল্য নির্ধারণের কাজ করে থাকে সংস্থাটি।

এর আগে জুন মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৩৫ টাকা থেকে ১৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

ঘোষণায় বলা হয়েছিল, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ৮৯ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় বেসরকারিভাবে সরবরাহকৃত এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ৮৬ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৫০ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।




চলতি মাসের এলপি গ্যাসের মূল্য ঘোষণা আজ

ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) বিকেল ৩টায় নতুন দর ঘোষণা করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি আমদানিকৃত পণ্যটির মূল্য নির্ধারণের কাজ করে থাকে।

এর আগে গত ২ মে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ১৭৮ টাকা থেকে ৫৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

ঘোষণায় বলা হয়েছিল, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০২.৯১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ৯৯ টাকা ৬৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৫৭ টাকা ৫২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ১ হাজার ৪২২ টাকা থেকে ২৪৪ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ১৭৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।




 ২৬৮ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে রানার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড বন্ড ইস্যু করে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংগ্রহ করবে। বর্তমান বিনিময় হার অনুসারে এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এই বন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ রানার অটোমোবাইলস তাদের এলপিজি, সিএনজি এবং বিদ্যুৎ চালিত থ্রি-হুইলারের গ্রাহক পরিধি বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করবে। এছাড়া, এর একটি অংশ দিয়ে ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন রুফটপ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনে বিনিয়োগ করা হবে। আর এই প্ল্যান্টে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থ্রি-হুইলার উৎপাদন কারখানার চাহিদা পূরণে কাজে লাগানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বুধবার (১০ মে) ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৭৫তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রানার অটো ইন্টারন্যাশনালি সার্টিফায়েড সাস্টেনেবিলিটি বন্ড নামের এই বন্ডটিকে সাস্টেনেবল বন্ড হিসেবে সার্টিফাই করেছে আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সি মুডি’স। এটি হবে আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা প্রত্যায়িত দেশের প্রথম সাস্টেনেবল বন্ড। আর বন্ডটির গ্যারান্টারের দায়িত্ব পালন করবে গ্যারান্টকো।

তথ্য মতে, আলোচিত বন্ডটি হবে নন-কনভার্টেবল, আন-সিকিউরড, ট্রান্সফারেবল, রিডিমেবল, গ্যারান্টিড, সার্টিফাইড সাস্টেইনেবিলিটি বন্ড। অর্থাৎ এই বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। এর বিপরীতে কোনো জামানতও রাখা হবে না। বন্ডটি হবে হস্তান্তরযোগ্য। মেয়াদ শেষে এর অবসায়ন ঘটবে।

আলোচিত বন্ডের মেয়াদ হবে ৭ বছর। আর এর সুদের হার হবে ৮.৫০ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, কর্পোরেট ও উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মাঝে বন্ডটি বরাদ্দ করা হবে।

বন্ডটির লিড অ্যারেঞ্জার এবং উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করবে গ্রিনডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি।