এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান রহমান পুনর্নির্বাচিত

কামরান তানভিরুর রহমান মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। হাবিবুল্লাহ এন করিম জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং সিমিন রহমান সহ-সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তারা ২০২৫ সালের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

 

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) এমসিসিআইয়ের ১২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তা অনুমোদন করা হয়। এর আগে গত ২৬ নভেম্বর এমসিসিআইয়ের নতুন পর্ষদের প্রথম সভায় সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত করেন।

এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান বাংলাদেশের পাট ও চা খাতের একজন নেতৃস্থানীয় উদ্যোক্তা। তিনি পূবালী জুট মিলস লিমিটেড এবং কাপনা টি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ চা অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য। তিনি অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই) এবং একই গ্রুপের কিছু সাবসিডিয়ারি বা সহযোগী প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন। কামরান রহমান এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ সালে এমসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ছিলেন।

 

এমসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি সিমিন রহমান দেশের অন্যতম বৃহৎ ও সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় সংগঠন ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি ট্রান্সকম গ্রুপের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ওষুধ, পানীয়, ভোগ্যপণ্য, ইলেকট্রনিকস, বিতরণ, মিডিয়াসহ ট্রান্সকম গ্রুপের অধীন সব সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। মিডিয়া ওয়ার্ল্ড লিমিটেড (দেশের শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার–এর প্রকাশক), রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স এবং পূবালী ব্যাংকের অন্যতম প্রধান অংশীদার ট্রান্সকম লিমিটেড।

এ ছাড়া সিমিন রহমান এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস, মিডিয়াস্টার লিমিটেড ও ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান অংশীদার।

 

এমসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন- মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজ (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ তারেক মো. আলী, শেলটেক (প্রা.) লিমিটেডের এমডি তানভির আহমেদ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ নাসের এজাজ বিজয়, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি তপন চৌধুরী, অ্যাগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানির পরিচালক উজমা চৌধুরী, অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (এসিআই) এমডি আরিফ দৌলা, পিকার্ড বাংলাদেশের এমডি মো. সায়ফুল ইসলাম, সাতগাঁও টি এস্টেটের ব্যবস্থাপনা অংশীদার আরদাশীর কবির, ডব্লিউ অ্যান্ড ডব্লিউ গ্রেইনস কর্পোরেশনের পরিচালক আনিস এ খান, রহমান রহমান হকের জ্যেষ্ঠ অংশীদার আদিব হোসেন খান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম মইন উদ্দীন ও এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোম্পানির অংশীদার হাসান মাহমুদ।




অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে: এমসিসিআই

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশের অর্থনীতি সাময়িক উন্নতি করেছে। অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে বিশেষ করে আমদানি, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রিজার্ভের পতন ঠেকানোর মাধ্যমে পরিবর্তিত সময়ে প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখছে বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।

তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, সরকারি ব্যয় হ্রাস, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়ার মত চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছে শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রকাশিত অর্থনীতির ত্রৈমাসিক পর্যালোচনায় এমসিসিআই বলেছে, অর্থনীতিকে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার এখন সবচেয়ে জরুরি অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার।

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ; এই সময় মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৬৫৪ কোটি ২৭ লাখ ডলার। প্রান্তিকের শেষ মাস সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮০ দশমিক ২২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহ কমে গেছে। এই সময় ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির হার ছিল ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

দেশীয় ঋণের মধ্যে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ২০ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। অর্থাৎ বেসরকারি ঋণপ্রবাহ অবশ্য তেমন একটা কমেনি। কিন্তু এই সময় সরকারি খাতের ঋণ ও ব্যয় অনেকটাই কমেছে।

এমসিসিআই দেখিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির গতি অনেকটাই কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ঋণ নিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্রড মানির প্রবৃদ্ধিও কমে এসেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্রড মানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ; যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ১১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ১৬০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। তবে প্রান্তিকের শেষ মাস সেপ্টেম্বরে আগস্টের তুলনায় রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।

জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে আমদানি বেড়েছে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ; এই সময় মোট আমদানি হয়েছে ১৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৬১৭ কোটি ডলারের সম্পদ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫ দশমিক ৯১ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৫৯১ কোটি ডলারের।




দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে এমসিসিআইয়ের উদ্বেগ

দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। বুধবার (৭ আগস্ট) এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি. রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ জানান তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে (বিদেশি বিনিয়োগসহ) মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশের সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, সংবাদমাধ্যমে জানতে পেরেছি পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা কর্মবিরতি পালন করছেন। আশা করছি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন এবং শিগগির এ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে। সব রাজনৈতিক দলসহ দেশের জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে অনুরোধ ও আহ্বান জানান তারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যেসব শিক্ষার্থী ও নাগরিক নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। হতাহতের প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাসহ গুরুতর আহতদের চিকিৎসায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এতে আরও বলা হয়, দেশে শিগগির একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আশা করছি যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার খুব দ্রুতই তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। তারা সব গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক পুনর্গঠন করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে নেতৃত্ব দেবেন।

দায়িত্বশীল ব্যবসায়ীদের সংগঠন হিসেবে এমসিসিআই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা দিতে বদ্ধপরিকর বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।




ক্ষতিগ্রস্ত ১৪২ ব্যবসায়ীকে অনুদান দিলো এমসিসিআই

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন ১৪২ ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে
মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) সংগঠনটির ঢাকার মতিঝিল অফিসে বঙ্গবাজার মার্কেটে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে চেম্বারের সদস্য, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি, ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনাকরীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ হাজারেরও বেশি দোকান পুড়ে যায়, যার ফলে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়। এই ঘটনায় বর্তমানে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার জীবিকা পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করছেন। এই অনুদানের মাধ্যমে এমসিসিআইয়ের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সমর্থনে এগিয়ে আসেন।

এমসিসিআইয়ের পক্ষে সব ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত দুরূহ। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে মোট ১৪২ জনের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার নগদ চেক অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছে, যেন ঈদের আগেই তারা খানিকটা ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানান এমসিসিআইয়ের সভাপতি মো. সায়ফুল ইসলাম। এই কঠিন সময়ে ব্যবসায়ীদের সহায়তার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন,
ব্যবসায়ীদের সংগঠন হিসেবে আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে এমসিসিআইয়ের এই মহতী প্রয়াসের প্রশংসা করেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করার জন্য অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতি আহ্বান জানান।

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এই ১৪২ জন ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করতে সোসাইটি ফর ন্যাশনাল চ্যারিটি নামে একটি বেসরকারি স্বতন্ত্র দাতব্য সংস্থার সহায়তা নেওয়া হয়। সংস্থাটি সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য থেকে ১৪২ জনকে চিহ্নিত করে। এমসিসিআই সভাপতি তাদেরকেও ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে এমসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি কামরান টি. রহমান জানান, বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আগের অবস্থা পুনরুদ্ধারের কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাবে এমসিসিআই।