পদত্যাগ করেছেন ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ মে) ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সেলিম আর এফ হোসেন পদত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

সেলিম আর. এফ. হোসেন বলেন, আমি বোর্ডের কাছে পদত্যাগপত্র দিয়েছি, বোর্ডও এটা গ্রহণ করেছে। এখন তারা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাবে। আশা করছি বাংলাদেশ ব্যাংকও এটা গ্রহণ করবে। এখানে কোনো চাপ নেই বা অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা নেই। ব্যক্তিগত কারণে আমি নিজেই পদত্যাগ করেছি। এখানে অন্য কোনো চাপ নেই।

পদত্যাগ নিয়ে ব্যাংকটির কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি লেখেন, প্রিয় সহকর্মীরা, সব ভালো জিনিসেরই শেষ আছে। আর সেই ধারাবাহিকতায় ব্র্যাক ব্যাংকে আমার সময়েরও শেষ হতে চলেছে। আমি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। কিছু আনুষ্ঠানিকতা ও প্রক্রিয়া এখনো বাকি রয়েছে। তবে, আশা করি সেগুলো কোনো সমস্যা সৃষ্টি করবে না। আজই সম্ভবত আমার ব্রাক ব্যাংকে শেষ কর্মদিবস। গত প্রায় দশ বছর ধরে আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য একটি বড় সম্মানের বিষয় ছিল। আমরা একসঙ্গে একটি অসাধারণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি, যা দেশের ব্যাংকিং খাতে এক অনুকরণীয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ব্র্যাক ব্যাংক ভবিষ্যতেও উন্নতি অব্যাহত রাখবে এবং দেশের অর্থনীতি ও সমাজে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আপনাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে আগামী দিনে আরও সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করছি। আপনাদের এবং আপনাদের পরিবারের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। অনুগ্রহ করে আমাকে ও আমার পরিবারকে আপনাদের প্রার্থনায় রাখবেন।




বাধ্যতামূলক ছুটিতে আরও পাঁচ ব্যাংকের এমডি

বাংলাদেশ ব্যাংকের গঠিত টাস্কফোর্সের পরামর্শে আরও পাঁচ ব্যাংকের এমডিকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এসব ব্যাংকের এমডিদের ছুটিতে পাঠানোর বিষয়টি স্ব স্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদন হয়। ব্যাংকগুলো হলো- এক্সিম ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।

রোববার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গতকাল শনিবার দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। এস আলম গ্রুপকে অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ ছাড়ে তার দায়িত্বে অবহেলা পায় কর্তৃপক্ষ। আজ রোববার থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটিতে থাকবেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক নিরীক্ষার সুবিধার্থে আরও পাঁচ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে ৫ ব্যাংকের চেয়ারম্যানদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ ব্যাংকগুলোর এমডিদের সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




১৪ কোম্পানিকে বিএসইসি’র হুঁশিয়ারি, দ্রুত লভ্যাংশ বিতরণের নির্দেশ

সর্বশেষ হিসাব বছরে লভ্যাংশ ঘোষণা করার পর তা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ না করায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪টি কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও কোম্পানি সচিবকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলোকে দ্রুত শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিতরণ করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- লুব রেফ বাংলাদেশ লিমিটেড, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ভিএফএস থ্রেড ডাইং লিমিটেড, ফরচুন সুজ লিমিটেড, অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন লিমিটেড, দেশ গার্মেন্টস লিমিটেড, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বিচ হ্যাচারি লিমিটেড, অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, লিবরা ইনফিউশন লিমিটেড, প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

রোববার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সিকিউরিটিজ কমিশন ভবনের মিটিং রুমে ১৪টি কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও কোম্পানি সচিবদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা বিএসইসি এসব নির্দেশনা দিয়েছে।

এদিকে সভায় কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানিয়েছে, তহবিল কম থাকার কারণে কোম্পানিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের ঘোষণা করা লভ্যাংশ বিতরণ করতে পারেনি। তবে কোম্পানিগুলোর এ বক্তব্য যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেনি কমিশন। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ না করায় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি। এছাড়া কোম্পানিগুলো যতদ্রুত সময় শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিতরণ করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ হিসাব বছরে উল্লিখিত ১৪টি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করে। কিন্তু লভ্যাংশ ঘোষণা করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোম্পানিগুলো তা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করেনি। ফলে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে কোম্পানিগুলোকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে সম্প্রতি কিছু কোম্পানি ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদান করার কারণে ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে উন্নীত করা হয়েছে। তবে কী কারণে কোম্পানিগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে প্রদান করেনি, সভায় তার ব্যাখ্যা শুনেছে কমিশন। একইসঙ্গে কোম্পানিগুলোকে দ্রুত লভ্যাংশ বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরেও যদি কোম্পানিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি পর্ষদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে কমিশন। এই বার্তা দিতেই ১৪টি কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও কোম্পানি সচিবকে তলব করা হয়েছে।

যেসব কোম্পানি যথাসময়ে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান করে না, সেসব কোম্পানি বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল। কোম্পানিগুলো সম্প্রতি সময়ে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান না করার কারণে পুঁজিবাজারে বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কঠোর অবস্থান গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি।

বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম রাইজিংবিডিকে বলেন, আজকের সভায় কোম্পানিগুলো যথাসময়ে কেন শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিতরণ করতে পারেনি তা জানতে চাওয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলো জানিয়েছে, তাদের তহবিল কম থাকার কারণে লভ্যাংশ বিতরণ করতে পারেনি। তাই কোম্পানিগুলোকে যতদ্রুত সম্ভব শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত লভ্যাংশ বিতরণে ব্যর্থ হলে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।

তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এবং পুঁজিবাজারের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিশন খুবই আন্তরিকভাবে কাজ করছি। আগামীতে অতিদ্রুত স্বল্প সময়ের মধ্যে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া, টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার করা হবে। এর ফলে আগামীতে আমরা শিগগিরই উন্নত পুঁজিবাজার দেখতে পাব বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।




ডিএসইর এমডি হিসেবে যোগ দিলেন তারিকুজ্জামান

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. এটিএম তারিকুজ্জামান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন পরবর্তী এক্সচেঞ্জটির পঞ্চম এমডি হিসেবে যোগ দিলেন তিনি। গত ৮ আগস্ট তার নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন করে বিএসইসি।

তারিকুজ্জামান সাবেক এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়ার পর আগামী তিন বছরের জন্য ডিএসইর এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তারিক আমিন ভূঁইয়া ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে ডিএসইর এমডি হিসেবে কাজ করেন প্রয়াত অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, কেএএম মাজেদুর রহমান, কাজী ছানাউল হক।

উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট তারিকুজ্জামানের নিয়োগের বিষয়ে ডিএসইর চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো বিএসইসির সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, এক্সচেঞ্জটির পর্ষদের পাঠানো সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে কমিশন ড. এটিএম তারিকুজ্জামানকে এমডি হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদন করেছে।

ড. এটিএম তারিকুজ্জামান গত ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কমিশনে কাজ করেছেন। ডিএসইর এমডি হিসেবে তার নিয়োগের বিষয়টি অনুমোদনের পরে তিনি কমিশনের চাকরি থেকে অবসর নেন।




ফের নতুন এমডি খুঁজছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

আবারও নতুন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুঁজছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৩ মে) কয়েকটি জাতীয় দৈনিক ও ওয়েবসাইটে এমডি পদে যোগ্য ও ভালো প্রার্থী চেয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ডিএসই।

 

গত বছরের ২৩ আগস্ট ডিএসইর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তারিক আমিন ভুঁইয়ার পদত্যাগের পর থেকে বেশ কয়েক দফায় এ পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের পর দুই দফা সময় বাড়ানোর পরও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই। একাধিকবার সময় দিয়েও যোগ্য ব্যক্তির মনোয়ন ডিএসইর কাছ থেকে পায়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তাই, এবার ডিএসইকে পুনরায় এমডি নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ওই নির্দেশনার আলোকেই এমডি নিয়োগে ফের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলো ডিএসই।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৩ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক ডিএসইর এমডি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ২২ জুনের মধ্যে অনলাইনে https://career.dse.com.bd:9000/ এবং https://www.dsebd.org/career.php আবেদন জমা দেওয়া যাবে।

এমডি হতে আগ্রহীদের ব্যবসায়, অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, গণিত বা আইনসহ স্নাতক ন্যুনতম ১০ বছরের ব্যবস্থাপনা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া ফিনটেক, ইনফরমেশন টেকনোলজি ও গভর্নেন্স বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। তবে পুঁজিবাজারে আন্তর্জাতিক এক্সপোজারসহ ব্যতিক্রমী প্রার্থীর বিষয়ে যোগ্যতা শিথিল করতে পারে বোর্ড। এছাড়াও পুঁজিবাজার-ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন সম্পর্কিত বৈদেশিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন তৎকালীন এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়া। নিয়ম অনুযায়ী, ডিএসইর এমডি পদ খালি হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিএসইসি এই পদে নিয়োগ দেবে। সে লক্ষ্যে এমডি পদে নিয়োগের জন্য গত বছরের ৬ অক্টোবর জাতীয় পত্রিকা ও ডিএসইর ওয়েবসাইটে এমডি পদের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

এরপর বিএসইসির কাছে ৪৫ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করলে ডিএসইকে এক মাস সময় দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যেও প্রস্তাব জমা দেয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় আবারও সময় বাড়ানোর আবেদন করে ডিএসই। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ মাস সময় বাড়ায় বিএসইসি।

এদিকে, প্রবিধান অনুসারে ডিএসইর এমডি নিয়োগের প্রক্রিয়ার ধাপগুলো হলো—প্রথমত, ডিএসইর নমিনেশন ও রিমুনেরেশন কমিটি এমডি পদের জন্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে কমপক্ষে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন করবে। দ্বিতীয়ত, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ নমিনেশন ও রিমুনেরেশন কমিটি দ্বারা নির্বাচিতদের মধ্য থেকে কমপক্ষে তিনজন প্রার্থীর জন্য সুপারিশ করবে। এবং সবশেষে বিএসইসি উল্লিখিত পদের জন্য বোর্ডের সুপারিশকৃতের মধ্যে থেকে একজন আবেদনকারীকে অনুমোদন দেবে। এছাড়া, প্রবিধানে লেখা আছে যে, যদি পরিচালনা পর্ষদ এমডি বা সিইও নিয়োগে ব্যর্থ হয়, তাহলে কমিশন একজনকে নিয়োগ করতে পারে।

তারিক আমিন ভূঁইয়া ২০২১ সালের ২৫ জুলাই ডিএসইর এমডি হিসেবে যোগ দেন। তিনি প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ। তিন বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দেয় বিএসইসি। কিন্তু, ১৩ মাসের মাথায় তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তার আগে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর কাজী ছানাউল হক ডিএসইর এমডি হিসেবে থাকবেন না বলে পদত্যাগপত্র জমা দেন।




এমডি নিয়োগে ডিএসইকে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ

নির্ধারিত সময়ের পর দুই দফা সময় বাড়ানোর পরও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। একাধিকবার সময় দিয়েও যোগ্য ব্যক্তির মনোয়ন ডিএসইর কাছ থেকে পায়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তাই, এবার ডিএসইকে পুনরায় এমডি নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

সম্প্রতি এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়ে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি বরাবর একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি। চিঠিতে এমডি নিয়োগের বিজ্ঞাপনে বেশকিছু যোগ্যতা উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগের নির্দেশনা ও চিঠির বিষয়ে উল্লেখ করে বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, এমডি পদের জন্য ডিএসইকে উপযুক্ত এবং যোগ্য প্রার্থী সন্ধানের জন্য নিয়োগের একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, নতুন বিজ্ঞাপনে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বোর্ড এবং প্রশাসন) রেগুলেশন, ২০১৩-এ বর্ণিত মানদণ্ড থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ফিনটেক, আইটি এবং গভর্নেন্স সম্পর্কিত জ্ঞান অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএসইর নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে এম সাইফুর রহমান মজুমদার দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন তৎকালীন এমডি তারিক আমিন ভূঁইয়া। নিয়ম অনুযায়ী, ডিএসইর এমডি পদ খালি হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিএসইসি এই পদে নিয়োগ দেবে। সে লক্ষ্যে এমডি পদে নিয়োগের জন্য গত বছরের ৬ অক্টোবর জাতীয় পত্রিকা ও ডিএসইর ওয়েবসাইটে এমডি পদের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।

এরপর বিএসইসির কাছে ৪৫ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করলে ডিএসইকে এক মাস সময় দেওয়া হয়। ওই সময়ের মধ্যেও প্রস্তাব জমা দেয়নি। পরে দ্বিতীয় দফায় আবারও সময় বাড়ানোর আবেদন করে ডিএসই। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ মাস সময় বাড়ায় বিএসইসি।

এদিকে, প্রবিধান অনুসারে ডিএসইর এমডি নিয়োগের প্রক্রিয়ার ধাপগুলো হলো—প্রথমত, ডিএসইর নমিনেশন ও রিমুনেরেশন কমিটি এমডি পদের জন্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে কমপক্ষে তিনজন প্রার্থী নির্বাচন করবে। দ্বিতীয়ত, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ নমিনেশন ও রিমুনেরেশন কমিটি দ্বারা নির্বাচিতদের মধ্য থেকে কমপক্ষে তিনজন প্রার্থীর জন্য সুপারিশ করবে। এবং সবশেষে বিএসইসি উল্লিখিত পদের জন্য বোর্ডের সুপারিশকৃতের মধ্যে থেকে একজন আবেদনকারীকে অনুমোদন দেবে। এছাড়া, প্রবিধানে লেখা আছে যে, যদি পরিচালনা পর্ষদ এমডি বা সিইও নিয়োগে ব্যর্থ হয়, তাহলে কমিশন একজনকে নিয়োগ করতে পারে।

তারিক আমিন ভূঁইয়া ২০২১ সালের ২৫ জুলাই ডিএসইর এমডি হিসেবে যোগ দেন। তিনি প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞ। তিন বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দেয় বিএসইসি। কিন্তু, ১৩ মাসের মাথায় তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তার আগে ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর কাজী ছানাউল হক ডিএসইর এমডি হিসেবে থাকবেন না বলে পদত্যাগপত্র জমা দেন।




সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি নুরুদ্দিন মো. ছাদেক হোসাইন

সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন নুরুদ্দিন মো. ছাদেক হোসাইন। গত ৫ এপ্রিল তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে তিনি বিভিন্ন মেয়াদে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ২০০৩ সালে এসিষ্টেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংকে যোগদান করেন। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখার শাখা প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯১ সালে প্রবেশনারি অফিসার হিসাবে ইসলামিক ব্যাংকিংয়ে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন, তিনি প্রাইম ব্যাংকেও বিভিন্ন পদে এবং বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।

ছাদেক হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সাযেন্স-বিএসএস (অনার্স) এবং মাস্টার্স অব সোশ্যাল সায়েন্স (এমএসএস) সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর (এমবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ব্যাংকিং প্রফেশনাল ডিগ্রি-(ডিএআইবিবি) অর্জন করেন।

৩২ বছরের বহুমুখী ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ছাদেক হোসাইন ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং এবং হেড অফিস উভয় ক্ষেত্রেই সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যেমন- ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (সিআরএমডি), ক্রেডিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিভিশন (সিএডি), রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (আরএমডি), অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং ডিভিশন (এএমএল এন্ড সিএফটি), রিটেইল ব্যাংকিং ডিভিশন, ইসলামী ব্যাংকিং ডিভিশন, ব্রাঞ্চেস এন্ড জেনারেল ব্যাংকিং ডিভিশন ইত্যাদি।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বিশ্বের বহু দেশ ভ্রমণ করার পাশাপাশি, দেশে-বিদেশে ব্যাংকিং বিষয়ে বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।