এবি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডের কুপন রেট ঘোষণা

পুঁজিবাজারে বন্ড খাতে তালিকাভুক্ত এবি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডের ট্রাস্টি কমিটি চলতি বছরের অর্ধবার্ষিকী পর্যন্ত কুপন রেট ঘোষণা করেছে। আগামী ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১২ জুন ২০২৬ পর্যন্ত এই রেট থাকবে।

আলোচ্য সময়ের জন্য বন্ডহোল্ডাদের বছরে ১০ শতাংশ কুপন হারে রিটার্ন (মুনাফা) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাস্টি কমিটি।

 

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বন্ডের ট্রাস্টি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। করপোরেট বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে গ্রিন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড।

কুপন রেট ঘোষণা করলেও এই মুনাফাপ্রাপ্তিতে যোগ্য বন্ডহোল্ডার নির্ধারণ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।

বুধবার এবি ব্যাংক পারপেচ্যুয়াল বন্ডের লেনদেনের ওপর কোনো মূল্য সীমা থাকবে না।




এবি ব্যাংকের এমডির পদত্যাগ

বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের এমডি তারিক আফজাল কানাডা থেকে পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ই-মেইলে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের একাদিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দীর্ঘ ছুটি শেষে রোববার আফজালের যোগদান করার কথা ছিল। যোগদান না করে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। সেখানে শারিরীক নানা অক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন।

তারিক আফজাল ২০১৮ সালে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে এবি ব্যাংকে যোগদান করেন। ২০১৯ সালের ৮ জুলাই তিনি প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর হন। তার আগে তিনি বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানর এমডিসহ উচ্চপদস্থ পদে কর্মরত ছিলেন।




এবি ব্যাংকের বন্ড ইস্যুর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএসইসি

পুঁজিবাজারের ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত এবি ব্যাংক পিএলসির নতুন বন্ড ইস্যুর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে “এবি ব্যাংক সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডস-৫” নামে নতুন বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। রিডিমেবল, নন-কনভার্টেবল, ফ্লোটিং রেটের বন্ডটির মাধ্যমে ব্যাংকটি ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে এবি ব্যাংকের নতুন বন্ড ইস্যুর আবেদনে অসম্মতি প্রকাশ করেছে বিএসইসি। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবি ব্যাংক পিএলসি।




 এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী

এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি ২০০১ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব উইলভার হ্যাম্পটন থেকে স্নাতক, ২০০২ সালে সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন ও লন্ডনের লিঙ্কনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

এছাড়া ব্যারিস্টার চৌধুরী বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

 




পাঁচশ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে এবি ব্যাংক

বন্ড ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ব্যাংক খাতের কোম্পানি এবি ব্যাংক লিমিটেড। সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে এই অর্থ উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বন্ডটির নাম হচ্ছে ‘এবি ব্যাংক সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড-ভি’। ব্যাংকটি টিয়ার-২ শর্তপূরণে বন্ড ইস্যু করবে। পর্ষদ অনুমোদনের পর এবার চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করবে ব্যাংকটি। সংস্থা দুটির সম্মতির পরপর বন্ড ইস্যু করে অর্থ উত্তোলন করবে।

১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৮৭৮ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। ৮৭ কোটি ৮১ লাখ ৩২ হাজার ১০৭টি শেয়ারের ব্যাংকটি সর্বশেষ ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। তার আগের বছর ৫ শতাংশ (৩ শতাংশ বোনাস ও ২ শতাংশ নগদ) লভ্যাংশ দিয়েছিল।




বোনাস লভ্যাংশ দিলো এবি ব্যাংক

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশের শেয়ার শেয়ারহোল্ডারদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (৬ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, এবি ব্যাংক ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৬ আগস্ট বিও হিসাবে পাঠিয়েছে।

উল্লেখ্য, আলোচ্য বছরে এবি ব্যাংক লিমিটেড ২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ।




এবি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন সময়ের ব্যবসায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এবি ব্যাংকের মুনাফা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। এতে অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি থেকে জুন) হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফায় উন্নতি হয়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে সম্পদের পরিমাণ। তবে ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক অবস্থানে রয়েছে।

কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ডিএসই জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৩১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয় ২৩ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি মুনাফা ৮ পয়সা বেড়েছে।

এদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৪৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৪১ পয়সা। অর্থাৎ ছয় মাসের হিসাবে শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ২ পয়সা।

কোম্পানিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৬ পয়সা, যা ২০২২ সালের জুন শেষে ছিল ২৯ টাকা ৬৬ পয়সা।

অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ৪১ পয়সা।




এবি ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

এবি ব্যাংক লিমিটেড-এর ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী।

সভায় ব্যাংকের পরিচালক, প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজালসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের সার্বিক অবস্থান তুলে ধরেন এবং সামনের দিনগুলোতে ব্যাংকের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে সুশাসন নিশ্চিতকরণের উপর জোর প্রদান করেন, বিশেষত ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনের আলোকে মানিলন্ডারিং এবং এনপিএল (নন-পারফর্মিং লোন) সম্পর্কে সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনসহ শেয়ারহোল্ডার এবং গ্রাহকদের নিকট প্রদত্ত অঙ্গীকার আক্ষরিকভাবে বাস্তবায়নে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এবং একইসাথে তিনি ২০২৩ ব্যাংক কোম্পানি সংশোধনী আইনের ধারার উপর জোর দিয়ে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সভায় ফিরোজ আহমেদকে পরিচালক হিসেবে পুনঃনিয়োগ করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা মো. এস্কান্দার মিয়াকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তির অনুমোদন প্রদান করেন।

সভায় পরিচালকদের প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন-২০২২ গৃহীত হয়। এছাড়া, ব্যাংকের নিরীক্ষক হিসেবে এমএম রহমান অ্যান্ড কোম্পানিকে বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক এবং এস এফ আহমেদ অ্যান্ড কোং-কে কর্পোরেট গভর্নেন্স কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষক হিসেবে ২০২৩ সালের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।




এনআরবিসি ও এবি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার অনুমোদন

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত দুই ব্যাংকের বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ব্যাংক দুইটি হলো- এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (এনআরবিসি) ও এবি ব্যাংক লিমিটেড।

ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এনআরবিসি বিদায়ী বছরে শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। আর এবি ব্যাংকের পর্ষদ শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।

পর্ষদ ঘোষণার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিএসইসির কাছে আবেদন করে এই ব্যাংক। কমিশন সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলোর বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে দুটির। মঙ্গলবার (২৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই জানায়, এনআরবিসি পর্ষদ গত ২ মে বোর্ড সভায় জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মধ্যে সাড়ে ৪ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সেই সিদ্ধান্তের আলোকে বিএসইসিকে মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাড়ে ৪ শতাংশ বোনাস শেয়ার ছাড়ার জন্য আবেদন করে। কোম্পানির আবেদনের বিষয়ে সম্মতিপত্র বিএসইসি দিয়েছে। কোম্পানির রেকর্ড ডেট অনুষ্ঠিত হবে ৩১ মে।

এবি ব্যাংকের পর্ষদ ডিএসইকে জানিয়েছে যে, পর্ষদ গত ২ এপ্রিল বোর্ড সভায় জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিএসইসির কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে। বিএসইসি আবেদনের বিষয়ে সম্মতিপত্র দিয়েছে। কোম্পানির রেকর্ড ডেট আগামী ৩১ মে অনুষ্ঠিত হবে।