বছর শেষে নানা খাতে এগিয়ে ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স

বিদায়ী বছরের সমাপনী হিসাবে নানা খাতে অগ্রগতি হয়েছে ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের। ২০২২ সালের অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী, বছরটিতে প্রথমবর্ষ প্রিমিয়াম বাবদ ১২ কোটি ৫ লক্ষ টাকা এবং নবায়ন প্রিমিয়াম বাবদ ৫ কোটি ১০ লক্ষসহ মোট ১৭ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে কোম্পানিটি।

এই মূহূর্তে কোম্পানির এফডিআর রয়েছে ১৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে ট্রেজারি বন্ড আছে দেড় কোটি টাকার। বিগত বছরে ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার নানা ধরনের বীমা দাবি পরিশোধ করেছে ডায়মন্ড লাইফ। এই মুহূর্তে কোনো দাবি অপরিশোধিত নেই বলে জানিয়েছেন কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিপলু বিশ্বাস। ২০২২ সালের হিসাব সমাপনীতে লাইফ ফান্ডের নেতিবাচক অংক থেকে উঠে এসেছে কোম্পানিটি। ২০২১ সালের চেয়ে ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও কমেছে কোম্পানিটির।

ডায়মন্ড লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে ইতিমধ্যে ইস্যু ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ২৪ সাল নাগাদ আইপিওতে আসার পরিকল্পনা নিয়ে অন্যান্য কাজ এগিয়ে নিচ্ছে কোম্পানিটি।

মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিপলু বিশ্বাস বলেন, বীমা দাবি পরিশোধে সব ধরনের সক্ষমতা রয়েছে ডায়মন্ড লাইফের।

কোম্পানির চেয়ারম্যান মহোদয়ও কোম্পানিকে এগিয়ে নিতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন, তিনিও কাজ করে যাচ্ছেন।

আমরা আমাদের কর্মীদের যুগোপযোগি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। কোম্পানির সমস্ত কার্যক্রম এখন অটোমেটেড। গ্রাহকদের প্রিমিয়াম আত্মসাত বা বেহাত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে দিন দিন ডায়মন্ড লাইফে গ্রাহকের আস্থা বাড়ছে।




৮৯ লাখ টাকা আত্মসাতে রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

গ্রাহকের এফডিআরের সাড়ে ৮৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র অফিসার বাহাউদ্দীন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) মোহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি বাহাউদ্দিন আহমেদ সিনিয়র অফিসার (দ্বিতীয় কর্মকর্তা) হিসেবে খুলনার বয়রার মহিলা শাখায় দায়িত্ব পালনকালে শাখার কর্মকর্তাদের আইডি ব্যবহার করে এফডিআর ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সাড়ে ৮৯ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

বাহাউদ্দীন প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংক শাখায় দায়িত্বশীল পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ৭টি লেনদেনের মাধ্যমে ৮৫ লাখ টাকা এবং পরবর্তী সময়ে ওই বছরের নভেম্বর পর্যন্ত আরও ১৪ লাখ টাকাসহ মোট ওই টাকা আত্মসাত করেন। এছাড়াও চালানে প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ টাকার গড়মিলের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে তিনি ব্যাংক ব্যবস্থাপকের আইডি কৌশলে ব্যবহার করেছেন।

তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪৩০/৪৬৮/৪৭১/৪৭৭(ক) ধারাসহ ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।