উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করেছে এক্সিম ব্যাংক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোক্তা জুবায়ের কবির ব্যাংকটির ৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করেছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার বিক্রি করেন তিনি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৩ আগস্ট ডিএসইতে এ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৭৩৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক ৬১ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮ দশমিক ৯১, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৯০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

 

ডিএসইতে গতকাল ব্যাংকটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১০ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১০ টাকা ৪০ থেকে ১০ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।




বন্ড ছেড়ে ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে এক্সিম ব্যাংক

বন্ড ছেড়ে আরও ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ লিমিটেড। অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকার এই কোম্পানিটির মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করে এই টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০০৪ সালে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের ১৭২তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৬০০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করা হবে। এটি হবে ব্যাংকটির পঞ্চম বন্ড। এর আগে আরও চারবার বন্ড ছেড়ে মূলধন সংগ্রহ করা হয়েছে।

সভায় বলা হয়, এ বন্ডের অর্থ দিয়ে ব্যাংকটি তাদের টায়ার-টু মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করবে। মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড এই বন্ডটির মেয়াদ হবে ৭ বছর। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে অনুমোদন চাইবে ব্যাংকটি।

ব্যাংকটি ২০২২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে ব্যাংকিটির ১৪৪কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪টি শেয়ার বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা ১৪৪কোটি ৭৫ লাখ লভ্যাংশ পাবেন। এর আগের বছরও একই সমান লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ ব্যাংকটির শেয়ারের মূল্য ছিল১০ টাকা ৪০ পয়সা।