ইস্টার্ন হাউজিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে সেবা ও আবাসন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ২.৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন শেয়ারহোল্ডারা।

২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্র এ তথ্য জানা গেছে।

গত সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। আর শেয়ারহোল্ডারদের নির্বাচনের জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ অক্টোবর।

২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৮.২৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৬.০৪ টাকা।

২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৯.৯৯ টাকা।

এই করপোরেট ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেনের কোনো মূল্য সীমা থাকবে না।




ইস্টার্ন হাউজিংয়ের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, আলোচিত সভায় ৩০ জুন, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি। সভা শেষে লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে।




ইস্টার্ন হাউজিং কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে

পুঁজিবাজারে সেবা ও আবাসন খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের চল‌তি হিসাব বছ‌রের দ্বিতীয় প্রান্তিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০২৩) ও অর্ধবা‌র্ষিক প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতি‌বেদন প্রকাশ ক‌রা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

এদিকে কোম্পানির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.০৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ২.০৯ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা কমেছে ০.০২ টাকা।

কোম্পানির চলতি হিসাব বছরের ৬ মাস বা অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৫ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৩.১৩ টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ০.১২ টাকা।

২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮০.৮৩ টাকা।




২ কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করে তা প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানি দুইটি হলো- ইবনে সিনা লিমিটেড ও ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড।সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইবনে সিনা: কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে রেটিং হয়েছে এসটি-১। ৩০ জুন, ২০২৩ ও ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে। কোম্পানিটির রেটিং নির্ণয় করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।

ইস্টার্ন হাউজিং: কোম্পানিটির দীর্ঘ মেয়াদে ক্রেডিট রেটিং হয়েছে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদী রেটিং হয়েছে এসটি-১। কোম্পানিটির ৩০ জুন, ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত এবং অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এই রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে। কোম্পানিটির রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।




পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, ডিএসইতে লেনদেন ছাড়াল ৬০০ কোটি

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেড়েছে সব কটি সূচকের মান। তবে সিএসইতে লেনদেন কমলেও; বেড়েছে ডিএসইতে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা।

রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

ডিএসইতে রোববার বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন ছাড়িয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। এদিন লেনদেন হয়েছে ৬১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার, আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার।

ডিএসইতে এদিন বেড়েছে সব কটি সূচকের মানও। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১২ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৩১১ দশমিক ৬০ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএস-৩০ সূচক বেড়েছে ৫ দশমিক ১৭ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪৬ দশমিক ৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস সূচক ১ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

এছাড়া রোববার ডিএসইতে ৩৩২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ১২২টি কোম্পানির, কমেছে ৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এছাড়া ইস্টার্ন হাউজিং, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স, খান ব্রাদার্স, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জেমিনী সী ফুড, রূপালি লাইফ ইন্সুরেন্স, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ডেফোডিল কম্পিউটারস ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সব সূচকের মান। রোববার সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩০ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৬৩ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসসিএক্স সূচক ১৯ দশমিক ২০ পয়েন্ট ও সিএসই-৫০ সূচক ১ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১ হাজার ১৫৮ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৩০৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে।

আর সিএসই-৩০ সূচক ২৪ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪১৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসআই সূচক অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

তবে সিএসইতে রোববার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার। আর এর আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা।

সিএসইতে ১৭০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ২১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৬টির কোম্পানির শেয়ারদর।




ইস্টার্ন হাউজিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বুধবার (৩০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্য মতে, ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ অক্টোবর। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ সেপ্টেম্বর।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ৭.৩৭ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৫.৮৮ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮০.০৮ টাকা।

এর আগের হিসাব বছরে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।




লেনদেনের শীর্ষে ইস্টার্ন হাউজিং

ঢাকার শেয়ারবাজারে আজ দিনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক ও বিভিন্ন শেয়ারের দাম বেড়েছে। আজ বেশ কয়েক মাস পর ফুওয়াং ফুডকে পেছনে ফেলে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইস্টার্ন হাউজিং। এটি দেশের আবাসন খাতের অন্যতম শীর্ষ কোম্পানি। মূলত কোম্পানিটির মুনাফা ও লভ্যাংশ বৃদ্ধির খবরে এটি লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।

আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ইস্টার্ন হাউজিং বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে, গত ৩০ জুন সমাপ্ত আর্থিক বছর শেষে কোম্পানিটির মুনাফা বা শেয়ার প্রতি আয় আগের বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে তারা বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এই দুই খবরে কোম্পানিটির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে; ফলে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে এটি লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে।

এ ছাড়া খাতভিত্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে আছে খাদ্য, তথ্য প্রযুক্তি ও বিমা খাত। তবে এককভাবে অন্য কোনো কোম্পানি মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে নেই।

প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনের শীর্ষে থাকা ইস্টার্ন হাউজিংয়ের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৫৭ লাখ টাকার; দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফু ওয়াং ফুডের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা; তৃতীয় স্থানে থাকা সোনালি পেপারের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

প্রথম ঘণ্টার লেনদেনের পর দেখা যাচ্ছে, আজ ঢাকার বাজারের তিনটি সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট, ডিএসইএস সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ২০ পয়েন্ট, ডিএস ৩০ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৭১ পয়েন্ট।
দিনের প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছে ১২৯ কোটি টাকার শেয়ার।




সূচকের পতন, আবারও ৪০০ কোটির নিচে ডিএসইর লেনদেন

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কমেছে সব কটি সূচকের মান। পাশাপাশি লেনদেন কমেছে উভয় শেয়ারবাজারেই। আর ডিএসইতে লেনদেন নেমেছে ৪০০ কোটির নিচে।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

ডিএসইতে মঙ্গলবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৩৯১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার। এর আগে চলতি মাসের ২০ আগস্ট সবশেষ ৪০০ কোটির নিচে নেমেছিল ডিএসইর লেনদেন। আর গত কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪০ কোটি ০৯ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ১৪৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

এদিন ডিএসইতে কমেছে সবকটি সূচকের মানও। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৯০ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক ১ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭১ দশমিক ৪১ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ৫ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ২ হাজার ১৩৮ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এ ছাড়া এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স, জেমিনী সী ফুড, সোনালী পেপার এন্ড বোর্ড মিলস, ইস্টার্ন হাউজিং, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার্স ও এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে মঙ্গলবার ৩২০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩টি কোম্পানির, কমেছে ১২৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতেও মঙ্গলবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১০ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

সিএসইতে এদিন কমেছে সব কটি সূচকের মানও। সিএএসপিআই সূচক ২১ দশমিক ২৩ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ১৪ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬০৫ দশমিক ৭৪ পয়েন্টে ও ১১ হাজার ১২২ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে।

এ ছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ১ দশমিক ৪১ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ১ হাজার ৩০৮ দশমিক ১৭ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ১৪ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ১ দশমিক ০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৯০ দশমিক ৯২ পয়েন্টে ও ১ হাজার ১৭৪ দশমিক ০২ পয়েন্টে।

সিএসইতে ১৬০ টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০টির, কমেছে ৬৪টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।