ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের সিইও খালেকের দেশত্যাগ রোধে পুলিশের চিঠি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংঘটিত হত্যা মামলার আসামি ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের সিইও আব্দুল খালেক মিয়ার দেশ থেকে পলায়নের শঙ্কায় তার বিদেশ গমন রোধে চেয়ে চিঠি দিয়েছে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের স্বার্থে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুরের গাছা থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ লেবু মিয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মোঃ আলমগীর হোসেন পুলিশের বিশেষ শাখার, বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন) বরাবর এই চিঠি দিয়েছেন। খালেকের পাসপোর্ট নম্বরসহ বিস্তারিত ব্যক্তিগত তথ্য উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, আসামি খালেক এখন পলাতক রয়েছেন এবং তিনি যে কোনো সময় দেশ ত্যাগ করে পালাতে পারেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সংঘটিত হত্যাকান্ডে ঈন্ধন ও অর্থ যোগান দেয়ার অভিযোগে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক মিয়ার বিরুদ্ধে এই হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও তার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট হত্যাকান্ডে ঈন্ধন ও অর্থ যোগানদাতা হিসেবে আরো দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকনের অন্যতম সহযোগী আব্দুল খালেক মামলার আসামি হওয়ার পর আত্মগোপনে থেকে কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোতে দেয়া সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ থেকে জানা গেছে। ইতিমধ্যে স্বপরিবারে দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

খালেক মিয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গাজীপুরে সংঘটিত হত্যাকান্ডের একটি মামলার ৫৪ নং আসামি। গত ১১ অক্টোবর গাজীপুরের গাছা থানায় শহীদ রায়হান আলীর বাবা মামুন সরদার ওই মামলা দায়ের করেছেন। দন্ডবিধির ১৪৭,১৪৮,১৪৯, ৩০২, ১০৯, ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও প্রতিহত করতে হত্যাযজ্ঞ চালাতে অর্থায়ন ও সার্বিক সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আব্দুল খালেকসহ মামলার ১৬৭ জন আসামি সম্পর্কে এজাহারে বলা হয়েছে, “আসামি ক্রমিক নং-২২ হতে ৬২ পর্যন্ত সকলে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার আমলে আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে সিন্ডিকেট বাণিজ্য, ব্যাংকের তহবিল আত্মসাত ও নানাভাবে অবৈধ উপায়ে বিপুল অর্থ-বিত্ত ও সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে। তারা অবৈধ সরকারের অবৈধ এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য যখন যেভাবে প্রয়োজন সেভাবে অর্থ যোগান দিয়ে সর্বমহলে সরকারের অর্থ যোগানদাতা ও শেখ পরিবারের দুর্নীতির বিপুল পরিমাণের অর্থ পাচারে সহায়তাকারী হিসেবে পরিচিত। ”

“উল্লেখিত নং-২২ হতে ৬২ পর্যন্ত আসামিগণ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য আসামি ক্রমিক নং-১ হতে ২১ এবং ৬৩ হতে ১৬৭ এদেরকে বিভিন্নভাবে নগদ অর্থ প্রদান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করার জন্য সার্বিক সহায়তা করে। উক্ত আসামিগণ বিভিন্ন সময়ে গণভবন, সচিবালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য বল প্রয়োগ পূর্বক গণহত্যা করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।”

এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দায়ের করা হত্যাকান্ডের দুটি অভিযোগের একটিতে ২৭ ও আরেকটিতে ৩৮ নং আসামি হিসেবে খালেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন করা হয়েছে।
২৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দায়ের করা হত্যাকান্ডের একটি অভিযোগে ৩৮ নং আসামি হিসেবে আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ২০ জুলাই যাত্রাবাড়িতে ছাত্রজনতার ওপর সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহীদ সোহেলের স্ত্রী আয়শা আকতার কুহেলি বাদী হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগে ২৭ নং আসামি হিসেবে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধেও আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

গত ০৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দায়ের করা হত্যাকান্ডের আরেকটি অভিযোগে ২৭ নং আসামি হিসেবে আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়িতে শহীদ মিরাজ হোসেনের বাবা আঃ রব মিয়া এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

 

 

 

 

 




ডিজিটাল ব্যাংক চায় ইসলামী ইন্স্যুরেন্স

ডিজিটাল ব্যাংক চায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, ডিজিটাল ব্যাংকে তারা সাড়ে ১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। যা ব্যাংকটির মোট মূলধনের ১০ শতাংশ। প্রস্তাবিত ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১২৫ কোটি টাকা।

কয়েকটি কোম্পানি মিলে একটি ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা হবে। তবে তার আগের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন নিতে হবে।

২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত এই বীমা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪১ কোটি ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৫টি। কোম্পানিটির শেয়ার বৃহস্পতিবার লেনদেন শুরু হয় ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা।




ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে

পুঁজিবাজারে বীমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন, ২০২৩) ও অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৩.১৭ শতাংশ।

রোববার (৩০ জুলাই) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৯ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ০.৫৬ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ০.১৩ টাকা বা ২৩.২১ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১.৩০ টাকা। আগের হিসাব বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১.২৬ টাকা। সে হিসেবে এ সময়ের ব্যবধানে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা বা ৩.১৭ শতাংশ।

২০২৩ সালের ৩০ জুন কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০.৬০ টাকায়।




৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- জনতা ইন্স্যুরেন্স, নিটল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং ইসলামী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

জনতা ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটি ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ১১ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) এক টাকা ২০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল এক টাকা ১৫ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৪ টাকা ১ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৮৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল এক টাকা ৮৩ পয়সা।

আগামী ১১ জুলাই’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ মে ২০২৩।

নিটল ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটি ১১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ১০ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ১৩ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৯৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৪ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৯ টাকা ১৬ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১২ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৩৭ পয়সা।

আগামী ২০ জুন’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৭ মে ২০২৩।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২ টাকা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪ টাকা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১ টাকা ৮৫ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩২ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৯ টাকা ৬৭ পয়সা।

আগামী ২১ জুন’ ২০২৩ দুপুর ১২টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ মে ২০২৩।

ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স : কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ১৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ২৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৪০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৮ টাকা ৬৫ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে মাইনাস ১৯ টাকা ১৬ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৯ টাকা ১১ পয়সা।

আগামী ১১ জুন’ ২০২৩ দুপুর ১২টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ মে ২০২৩।

ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে এক টাকা করে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৭২ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩১ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৮ পযসা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা।

আগামী ১৮ জুন’ ২০২৩ বেলা সাড়ে ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৪ মে ২০২৩।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড : কোম্পানিটি ১২.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৭ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ১১ পয়সা।

আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৮০ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭ টাকা ৫১ পয়সা।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৫৫ পয়সা।

এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরি প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩১ পয়সা।

আগামী ১৪ জুন’ ২০২৩ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করবে কোম্পানিটি। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ মে ২০২৩।

 




সাঈদ খোকন চেয়ারম্যান ও ইসমাইল নওয়াব ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ভাইস চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত

ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের ২৩২তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাঈদ খোকনকে চেয়ারম্যান ও আলহাজ্ব মো. ইসমাইল নওয়াবকে ভাইস চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত করা হয়েছে।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন কোম্পানির অন্যতম উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচিত সাবেক মেয়র। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থেকে কাজ করে আসছেন।

আলহাজ্ব মো. ইসমাইল নওয়াব ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তা পরিচালক ও দেশের একজন সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) নির্বাহী কমিটির সদস্য, ঢাকা মহানগর সমিতি (ঢাকা সমিতি) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সামাজিক, ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণ মূলক কাজে অবদান রেখে যাচ্ছেন।