ইউনিয়ন ক্যাপিটালের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৩ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৩-মাচ’২৩) কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর সমন্বিতভাবে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৪৮ পয়সা।

গত ৩১ মার্চ, ২০২৩ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট দায় ছিল ৫২ টাকা ২৩ পয়সা।




ইউনিয়ন ক্যাপিটালের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা করেছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির বোর্ড সভা আগামী ২৭ জুন বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ মার্চ, ২০২৪ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকাশ করা হবে।




প্রাইম ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল

ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে। এখন দুই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরী বলেন, “ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সঙ্গে আমাদের (প্রাইম ব্যাংক) ব্যবসায়িক সম্পর্কটা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের দুটো অপশনই (সুযোগ) দিয়েছে। ব্যাংকের পর্ষদ বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে, কোন অপশনে আমরা যাব।”

বাংলাদেশ ব্যাংক যে চিঠি দিয়েছে, সেখানে ‘মার্জার অথবা পার্টনারশিপ’– এই দুই বিকল্পের কথা বলা হয়েছে। প্রাইম ব্যাংক কোনটি বেছে নেবে তা ঠিক করবে পরিচালানা পর্ষদ। তবে যাই ঘটুক, তাতে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের ওপর প্রাইম ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএনএম গোলাম সাব্বিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংক এমন এক সময়ে এই অনুমোদন দিল, যখন দেশের ব্যাংকিং খাতে একীভূতকরণ বা মার্জারের আলোচনা তুঙ্গে।

দুই অঙ্কের ঘরে খেলাপি ঋণ নিয়ে লোকসানের বোঝা টানছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। গত পাঁচ বছর ধরে লোকসান দেওয়ায় ২০১৮ সালের পর থেকে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি।

খেলাপি ঋণের ভারে ন্যুজ এ কোম্পানি বাঁচাতে ২০২১ সালে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ঋণ বিতরণে লাগাম টানে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক কোটি টাকার উপরে ঋণ বিতরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়।

কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৯ মাসে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল শেয়ার প্রতি লোকসান দিয়েছে সাত টাকা ৩৯ পয়সা। মোট শেয়ারের বিবেচনায় কোম্পানি এ সময় লোকাসন গুনেছে ১২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

লোকসান থেকে বের হতে না পেরে ইউনিয়ন ক্যাপিটালই এক বছর আগে প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছিল।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইউনিয়ন ক্যাপিটাল মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) দিয়েছিল ২০২৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।

বিনিয়োগকারীদের জানাতে ওই পিএসআইতে বলা হয়েছিল, “প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের। যৌথ উদ্যোগে ব্যবসায়িক সম্ভাবনার দুয়ারগুলো উন্মুক্ত করার চেষ্টা করা হবে এই সমঝোতার আলোকে।’’

সমঝোতা বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন নিয়েই এগোনোর কথা সে সময় ইউনিয়ন ক্যাপিটালের তরফ থেকে বলা হয়েছিল।

দেশের ব্যাংক ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক– দুই কোম্পানিই পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত। ফলে ব্যবসায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি বিএসইসির অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক।

নিয়ম অনুযায়ী, স্বতন্ত্র নিরীক্ষক দিয়ে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সম্পদ ও দায় নিরীক্ষা করে প্রাইম ব্যাংক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা জমা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।

আবেদন পেয়ে গত এক বছর দুই কোম্পানির আগ্রহ ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা মূল্যায়ণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি অনুমোদন করে।

সেই পরিকল্পনায় তিন ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে একটি হল, নামের স্বকীয়তা ধরে রেখে নিজ নিজ গ্রাহকদের একই ধরনের সুবিধা দেয়ার চুক্তি। এতে এক কোম্পানি আরেক কোম্পানির গ্রাহক, সম্পদ ও জনবলের ব্যবহার করবে।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার কিনে পর্ষদে পরিবর্তন এনে কোম্পানি ঢেলে সাজানোর মত উদ্যোগ নিতে পারে প্রাইম ব্যাংক। তখন প্রাইম ব্যাংকের প্রযুক্তি ও ভৌত কাঠামোর মত খাত নির্দিষ্ট মাশুলের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারবে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।

আর তৃতীয় প্রস্তাবে অর্থায়ন করে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের নিয়ন্ত্রণ সাবসিডিয়ারি হিসেবে প্রাইম ব্যাংকের হাতে নেওয়ার কথা বলা হয়।




দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৩৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০১টির শেয়ারদর বেড়েছে। এর মধ্যে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, সোমবার (১৫ জানুয়ারি) ডিএসইতে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা ১ পয়সা বা ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে।

দর বৃদ্ধির দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সের শেয়ারদর বেড়েছে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

সোমবার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসা অপর কোম্পানিগুলো হলো- ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, দেশবন্ধু পলিমার, নাভানা ফার্মা, রূপালী ব্যাংক, খান ব্রাদাস্‌ পি.পি. ওভেন ব্যাগ, প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স, মাইডাস ফাইন্যান্স লিমিটেড।




লোকসান বেড়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের

লোকসান বেড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের। কোম্পানিটির চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন মাসে লোকসান হয়েছে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫৭ টাকা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ১৬ কোটি ২২ লাখ ১৯ হাজার ৪১২ টাকা। অর্থাৎ ৮ কোটি টাকার বেশি লোকসান বেড়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের।

২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৪৩টি। এই শেয়ারধারীদের সর্বশেষ ২০১৮ সালে ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। তারপর থেকে লোকসান দেখিয়ে যাচ্ছে তারা, টানা চার বছর কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।

লোকসান বাড়ায় কোম্পানিটিকে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ১৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রভিশনিং করতে হয়েছে। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানির ১২৭কোটি ৫২ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে, যা ২০২২ সালে ছিল ৯৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। তাতে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩৯ পয়সা, যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৪৬ পয়সা।




শেয়ার লেনদেন শুরু ইউনিয়ন ক্যাপিটালের

রেকর্ড ডেটের পর আগামীকাল ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর শেয়ার প্রতি লোকসান ৮ টাকা ৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি দায় দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

 

আগামী ২৮ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।




শেয়ার লেনদেন স্থগিত ইউনিয়ন ক্যাপিটালের

রেকর্ড ডেটের কারণে আগামীকাল ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার লেনদেন স্থগিত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিটি লিমিটেড ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ৯৫ পয়সা। আগের বছর শেয়ার প্রতি লোকসান ৮ টাকা ৩ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি দায় দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৮৬ পয়সা।

 

আগামী ২৮ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।




ইউনিয়ন ক্যাপিটালের এজিএমের তারিখ ঘোষণা

আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করেছে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের এজিএম আগামী ২৮ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড কোনো লভ্যাংশ দেয়নি।




বড় দরপতন শেয়ারবাজারে

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় দরপতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে গতকাল রোববার ৩১০ কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১২টির দর বেড়েছে। দর হারিয়েছে ১৪৮টি এবং বাকি ১৫০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। ক্রেতার অভাবে ৮২ কোম্পানির কোনো শেয়ারের কেনাবেচাই হয়নি।

এ দরপতনে আরও ১০ কোম্পানির শেয়ার দর হারিয়ে ফ্লোর প্রাইসে নেমেছে। এতে ফ্লোর প্রাইসে পড়ে থাকা শেয়ার বেড়ে ২৪০টিতে উন্নীত হয়েছে। যে ১০ শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে নেমেছে সেগুলো হলো– পূবালী ব্যাংক, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং, সিলকো ফার্মা, দেশ গার্মেন্টস, মেট্রো স্পিনিং, মেঘনা কনডেন্সন্ড মিল্ক, নর্দার্ন জুট এবং উসমানিয়া গ্লাস।

এমন দরপতনের পেছনে প্রভাবশালী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রভাব থাকতে পারে বলে মনে করছেন শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের অনেকে। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তারা বলেন, এ খবরের প্রভাবে বাজার কী ধরনের আচরণ করে, তা দেখতে অনেকে লেনদেন পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এতে ক্রয় চাপের তুলনায় বিক্রি চাপ বেড়ে যায় এবং দরপতন শুরু হয়। পরে আতঙ্কে আরও বিক্রি বাড়লে ত্বরান্বিত হয় দরপতন। অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনে ডিএসইএক্স সূচক ২৮ পয়েন্ট হারিয়ে ৬২৮০ পয়েন্টে নেমেছে, গত ১৬ আগস্টের পর যা একদিনে সর্বোচ্চ পতন।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ফ্লোর প্রাইসের ওপরে থাকা সব খাতের অধিকাংশ শেয়ার দর হারিয়েছে। গত কিছুদিন ধরে বাড়তে থাকা বীমা খাতেও বড় দরপতন হয়েছে। এদিন তালিকাভুক্ত ৫৭ বীমা কোম্পানির মধ্যে ৫৫টির কেনাবেচা হয়েছে, যার ৪৬টিই দর হারিয়েছে। এ খাতের ৫ শেয়ারের দর বৃদ্ধির পরও সার্বিক হিসাবে বীমা খাতের প্রায় আড়াই শতাংশ দরপতন হয়েছে। দরপতনের কারণে ক্রেতাদের আগ্রহ কম থাকায় লেনদেনেও বড় হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল ৫০০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় প্রায় ২৩৫ কোটি টাকা কম। সর্বাধিক প্রায় ১০৮ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে বীমা খাতে। লেনদেন নেমেছে ২০০ কোটি টাকার নিচে।

দিনব্যাপী দরপতনের মধ্যেও ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স নামক কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হয়েছে। এ ছাড়া প্যারামাউন্ট এবং কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের দর যথাক্রমে সোয়া ৫ শতাংশ এবং প্রায় ৪ শতাংশ দর বেড়ে এর পরের অবস্থানে ছিল। বিপরীতে লভ্যাংশ ঘোষণার পর অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স পৌনে ১২ শতাংশ দর হারিয়ে ছিল দরপতনের শীর্ষে।

যমুনা এডিবল ও এমারেল্ড অয়েলের চুক্তি

উত্তরবঙ্গের রাইস ব্র্যান তেল উৎপাদক যমুনা এডিবল অয়েলের আছে কারখানা, অভাব চলতি মূলধনের। কারখানাটি সচল করতে জাপান প্রবাসী মিয়া মামুনের কোম্পানি মিনৌরি জোগান দেবে চলতি মূলধনের। উৎপাদিত তেল বিপণন করবে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল। এভাবে উৎপাদন করতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করেছে এ তিন কোম্পানি। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি হয়।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এমারেল্ডের এমডি আফজাল হোসেন, মিনৌরির মিয়া মামুন এবং যমুনা এডিবল অয়েলের এমডি লুৎফর রহমান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যমুনা এডিবলের উৎপাদন ক্ষমতা ৬২০ টন। অন্যদিকে এমারেল্ডের ৩০০ টন। যমুনা এডিবলের উৎপাদিত তেল বিপণন থেকে প্রাপ্ত মুনাফা তিন কোম্পানি ভাগাভাগি করবে। এমারেল্ড অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, এ চুক্তির ফলে তাঁর কোম্পানির ব্যবসা বাড়বে এবং টার্নওভার হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। এর মাধ্যমে শুধু এমারেল্ড অয়েলের বছরে ৩০ কোটি টাকার বেশি মুনাফা হতে পারে।




ইউনিয়ন ক্যাপিটালের অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি থেকে মার্চ, ২০২৩), দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন, ২০২৩) ও অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকের (জানুয়ারি-জুন, ২০২৩) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী আলোচ্য সকল প্রান্তিকেই কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) বেড়েছে।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে (১.৪৮) টাকা। আগের হিসাববছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ০.৬৮ টাকা। সে হিসেবে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে। ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭.৩৩ টাকায়।

এদিকে কোম্পানিটি চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৪.৪৯ টাকা। আগের হিসাববছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩.৯৫ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে।

এদিকে, কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিক প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৫.৯৭ টাকা। আগের হিসাব বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪.৬৪ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে।

২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ঋণাত্মক শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১.৮২ টাকায়।




ফনিক্স ফাইন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটালের নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত দুইটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানি দুইটি হলো- ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানি দুইটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৮.৩৬ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) ছিল ২.১১ টাকা। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৯.১৮ টাকা।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ডিসেম্বর। আর ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের মাঝে বিতরণে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ অক্টোবর।

ইউনিয়ন ক্যাপিটাল: আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১১.৯৫ টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) ছিল ৮.০৩ টাকা। ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৫.৮৬ টাকা।

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও রেকর্ড তারিখ চূড়ান্ত করেনি। এগুলো পরবর্তীতে চূড়ান্ত করে শেযারহোল্ডারদের জানিয়ে দেবে।

 




আর্থিক প্রতিবেদন বিলম্বে তৈরির ব্যাখ্যা দিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন তৈরিতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করেছে পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনিক্যাপ ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ঋণের ব্যালান্সের ওপর সুদ না নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেছে। কারণ সহযোগী কোম্পানি তার মার্জিন ঋণ ক্লায়েন্টের কাছে সুদ চার্জ করতে পারে না। ইতিমধ্যে তাদের পোর্টফোলিও ইতিমধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় যদি ইউনিক্যাপ সুদ চার্জ করে তাহলে সহযোগী প্রতিষ্ঠানে আরও ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এতে আর্থিক খাতের ওপর ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় কোম্পানিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধন্তের জন্য অপেক্ষা করছে। এর ফলে কোম্পানিটি ২০২২ সালের আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করতে পারছে না।

কোম্পানিটি আরও জানায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিস্টিং রেগুলেশন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমাপ্ত সময়ের প্রথম প্রান্তিক ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের (২০২৩ সালের ৩০ জুন) আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।




ইউনিয়ন ক্যাপিটালের চেয়ারম্যানমুন্সি শফিউল হক

পুঁজিবাজারে আর্থিক খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুন্সি শফিউল হক।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড জানিয়েছে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান হিসেবে মুন্সি শফিউল হককে নির্বাচন করেছে। এখন থেকে তিনি কোম্পানিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মুন্সি শফিউল হক ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে একজন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

মুন্সি শফিউল হক একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা। তিনি ১৯৮২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর করেন। পরে তিনি একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি এবং এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।