আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের বন্ড ইস্যুর আবেদন বাতিল

পুঁজিবাজারে প্রকৌশলখাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বন্ড ইস্যু করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ

সোমবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, কোম্পানিটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গত ৮ অক্টোবর একটি চিঠির মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকার এআইএল কনভার্টেবল বন্ড বাতিল করে দিয়েছে। এর আগে ২০২২ সালের ২৬ মে ওই বন্ড ইস্যু করার বিষয়ে কোম্পানিটিকে সম্মতি দিয়েছিল বিএসইসি।

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। যার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘এআইএল কনভার্টঅ্যাবল বন্ড’। বন্ড ইস্যু করার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি অপর একটি কোম্পানির অংশীদারিত্ব গ্রহণ করতে চেয়েছিল।

তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তেনের পর পুনর্গঠিত বিএসইসির কমিশন সার্বিক দিক বিবেচনা করে কোম্পানিটির বন্ড ইস্যু করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে।




একীভূত হচ্ছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ ও আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত আলিফ গ্রুপের দুটি কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড একীভূত (এমালগেশন) হচ্ছে। কোম্পানি দুটির পরিচালনা পর্ষদ একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

মূলত আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে একীভূত হবে। এর পর কোম্পানিটি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ নামে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানি দুটির পরিচালনা পর্ষদের পৃথক বৈঠকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক, শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, পাওনাদার এবং হাইকোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে আলোচিত সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ ২০১৭ সালে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এ কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩৩.৩৫ শতাংশ উদ্যোক্তারা ধারণ করছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৫৪.৪৪ শতাংশ শেয়ার।

অন্যদিকে, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ওই সময়ে কোম্পানিটির নাম ছিল সিএমসি কামাল টেক্সটাইল। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২৫৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এ কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০.৪৬ শতাংশ উদ্যোক্তারা ধারণ করছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৬৫.৩২ শতাংশ শেয়ার।




শেষ কার্যদিবসে ডিএসই‌‌’র লেনদেন আবারও ৪০০ কোটির নিচে

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারের পর শেষ কার্যদিবসে আবারও ৪০০ কোটির নিচে নামল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ। এ ছাড়া কমেছে একটি সূচকের মান।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। লেনদেন হয়েছে ৩৮০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার। আর গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪১৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার। লেনদেন কমেছে ৩৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৩৮৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার।

তবে ডিএসইতে এদিন একটি বাদে বেড়েছে সব কটি সূচকের মান। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৯৭ দশমিক ২৪ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক শূন্য দশমিক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

তবে কমেছে ডিএসইএস সূচকের মান। সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৯৭ পয়েন্ট। সূচকটি অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৬৮ দশমিক ০৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুডস। এ ছাড়া আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, খান ব্রাদার্স, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, সোনালী পেপার এন্ড বোর্ড মিলস, দেশবন্ধু পলিমার, রূপালী লাইফ ইন্সুরেন্স, সি পার্ল, লিগাসি ফুটওয়ার ও লিগাসি ফুটওয়ার ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ৩২৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টি কোম্পানির, কমেছে ৮৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।




আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের বন্ডে আবেদনের সময় বাড়ল

আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে বন্ড ইন্স্যু করে ৩০০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য আরও ছয় মাস সময় দিয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির বন্ড ইস্যুর জন্য আবেদনের সময় আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের বন্ডে আবেদনের মেয়াদ ছিল গত ২৫ মে পর্যন্ত। কোম্পানিটি সেই সময়ের আগেই আরও ৬ মাস সময়ে চেয়ে আবেদন করে। কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ৬ মাস সময় বাড়িয়ে দিয়েছে বিএসইসি।

বন্ডটির বৈশিষ্ট হচ্ছে- কনভার্টেবল, ফেসভ্যালু ১ লাখ টাকা, সুদহার ৭ শতাংশ। এছাড়া বন্ডটি ১০ শতাংশ হারে নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে।

বন্ডটির ইন্টারেস্ট বছরে ২ বার বণ্টন করা হবে। একটি ৩০ জুন সমাপ্ত সময়ে। আরেকটি ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত সময়ে। বন্ডটির লভ্যাংশ বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অনুমোদন করা হবে। বন্ডটির মেয়াদ হবে ৬ বছর।

বন্ডটিতে আবেদন করতে হলে ইউনিট হোল্ডারদের ন্যূনতম ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা। কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বশেষ ২০২২ সালে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগের বছর ২০২১ সালে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪২ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৯টি।

৪৪ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধিত কোম্পানির বাজার মূল্য ৩৪৩ কোটি ৩৯ লাখ ২৯ হাজার ৫১৪ টাকা।