ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে আজ। এছাড়া সারাদেশে এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবারের সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসমূহের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

বুধবারের সকাল থেকে পরের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগসমূহের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এসময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এই তিনদিন ছাড়াও আগামী পাঁচ দিনে সার্বিকভাবে দেশের আবহাওয়ার অবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানায় আবহাওয়া অফিস।




সাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, ফের বৃষ্টির আভাস

আগামী দুই দিনের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপ সৃষ্টির পর এর প্রভাবে দেশে ফের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

দুদিন আগে বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে। মৌসুমি বায়ু বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে বৃষ্টিও প্রায় বিদায় নেয়।

এরই মধ্যে অক্টোবর মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে হতে পারে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের মধ্যে ঢাকায় সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এসময় ঢাকায় সাত মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বুধবার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ মেঘলা।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের মধ্যাঞ্চলে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

বুধবার সকাল ৯ টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতি ও শুক্রবারের আবহাওয়া এমনই থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী পাঁচদিনে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সীতাকুণ্ডে ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।




আগামী ৩ দিনে আবারও বাড়তে পারে বৃষ্টি

সারাদেশে আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার সকালে অধিদপ্তরের এক পূর্বাভাসে এ কথা জানানো হয়।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এতে বলা হয়েছে, উল্লেখিত সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি লঘুচাপের বর্ধিতাংশের অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, উড়িষ্যা, পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।




সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।




টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে জলজট, ভোগান্তি

গত কয়েকদিন ঢাকায় অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে। যার কারণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসগামী মানুষ। শনিবার ঢাকায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ১৬ আগস্ট (বুধবার) পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বআবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কামাল মল্লিক লে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

রোববার (১৩ আগস্ট) সকালে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কামাল মল্লিক বলেন, বর্ষাকালে এ বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক। ১৬ আগস্টের পর বৃষ্টিপাত কমতে পারে। তবে ২০ আগস্টের পর আবার বাড়তে পারে।

আজ রোববার ভোর থেকে টানা বৃষ্টি হওয়ার কারণে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। যার কারণে অফিসগামী অনেকে ছাতা নিয়ে কিছুটা ভিজেই অফিসের পথ ধরেন। বৃষ্টির কারণে কোনো কোনো সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম ছিল। আবার কোথাও কোথাও যানবাহন থাকলেও যাত্রী ছিল না। সকাল সাতটার পর রাজধানীর সড়কে তুলনামূলক গণপরিবহন কম। তাই বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় কর্মস্থলগামী মানুষদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বিভিন্ন বাস স্টপেজে। বৃষ্টির কারণে রিকশাচালকরা বেশি ভাড়া আদায় করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।

রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। রোববার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।




বৃষ্টি কমার আভাস, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

কয়েকদিন ধরে চলা বৃষ্টির প্রবণতা আজ থেকে কমবে। পাশাপাশি তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে আপাতত বৃষ্টি কমলেও আগামী তিনদিনে বৃষ্টি ফের বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দু’দিন পর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে বুধবার সকালে সর্বশেষ সামুদ্রিক আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে জানানো হয়, সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

 




 ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা যেসব অঞ্চলে

দেশের ১৩ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাস বলা হয়েছে, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কি. মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর নৌ হুশিয়ারি সংকেত (পুনঃ) ১ নম্বর নৌ হুশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে জানানো হয়, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গা এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।




ঝড়বৃষ্টির আভাস সকল বিভাগে

দেশের পাঁচ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং তিন বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (৩ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।

চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা, ফেনী, বান্দরবান, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং কিছু স্থান থেকে তাপ কমতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় বান্দরবানে ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।




১৯৬৫ সালের পর ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা

রাজধানী ঢাকায় ৫৮ বছরের মধ্যে শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রেকর্ড করা হয়েছে। যা ১৯৬৫ সালের পর সর্বোচ্চ। ওই বছর ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। এর আগে, শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীতে তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ শনিবার (১৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, দেশের উত্তরাঞ্চল দিয়ে যে বাতাস প্রবেশ করছে, তাতে কিছুটা জলীয় বাষ্প বয়ে আসছে। এতে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় ঘামও বেড়ে যাবে। দিনের বাকি সময় গরম আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, গরমের ওই তীব্রতা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। আকাশে মেঘ না থাকায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় এখনো গরমের তীব্রতা কমছে না। আগামী ২৪ ঘণ্টায় গরমের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে, ২০১৪ সালে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ওই ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। অর্থাৎ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠেছে।




৪০ জেলায় ভয়াবহ তাপদাহ, অব্যাহত থাকবে আরও ৫দিন

দেশের ৪০টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলা, খুলনা বিভাগের ১০টি এবং বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলাসহ দেশের রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

ওমর ফারুক আরও জানান, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী দুই দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। তবে আগামী ৫ দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে বলেও জানান এই আবহাওয়াবিদ।

 

শনিবার (৮ এপ্রিল) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায় এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রাজারহাটে ১৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য কোনো সতর্কবাতা নেই এবং কোনো সংকেতও দেখাতে হবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।