আখাউড়া স্থলবন্দরে ২ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

বিশ্বকর্মাপূজা উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ২ দিন বন্ধ থাকবে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে বন্ধের সময় স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিশ্বকর্মাপূজা উপলক্ষ্যে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর দুইদিন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখবেন বলে জানিয়েছেন। পূজার ছুটি শেষে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে যথারীতি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে দেড় লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয় উত্তরপূর্ব ভারতে। রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে হিমায়িত মাছ, প্লাস্টিক, রড, সিমেন্ট ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ইত্যাদি।




আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে এলো ১১ টন পেঁয়াজ

প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আবারও পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে।

শনিবার (০৮ জুলাই) বিকেলে একটি ট্রাকে করে বন্দর দিয়ে ১১ টন পেঁয়াজ এসেছে ভারত থেকে।

এর মাধ্যমে আবারও সচল হলো বন্দরের আমদানি বাণিজ্য।
বিডিএস করপোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান পেঁয়াজগুলো আমদানি করেছে। আগামীকাল (০৯ জুলাই) দুপুরে বন্দর থেকে পেঁয়াজগুলো খালাস করা হবে বলে জানা গেছে।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আদনান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল আমদানিকৃত পেঁয়াজের কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরের সুপারিন্টেনডেন্ট মো. সামাউল ইসলাম জানান, বিডিএস করপোরেশন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ২০০ টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। প্রথম চালানে গত ১২ জুন ১০ টন পেঁয়াজ আসে। দ্বিতীয় চালানে প্রায় এক মাস পর আজ আরও ১১ টন পেঁয়াজ এসেছে। আমদানি পণ্য থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত হারে শুল্ক এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মাশুল পাবে বলে জানান তিনি।




৩ মাস পর ফের সচল আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি বাণিজ্য

প্রথমবারের মতো জেলার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে ভাঙা পাথর। এর মধ্য দিয়ে তিন মাসেরও বেশি সময় পর আবারও সচল হলো স্থলবন্দরের আমদানি বাণিজ্য।

রোববার (০৫ মার্চ) বিকেলে দুইটি ট্রাকে করে ৩৮ টন ভাঙা পাথর আখাউড়া স্থলবন্দরে এসে পৌঁছায়।

পাথরগুলো আলফাজ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান আমদানি করেছে। আর এগুলো খালাসের কাজ করবে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজ।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আলফাজ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মো. মোজাম্মেল হক জানান, প্রতি টন ভাঙা পাথর ১৩ মার্কিন ডলারে আমদানি করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চালানে ৩৮ টন পাথর আনা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পাথরগুলো খালাস করা হবে।

এর আগে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের নভেম্বরে চার দফায় দুই হাজার ৭০০ টন চূর্ণপাথর আমদানি করা হয়। ওই পাথরগুলোর আমদানিকারক ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত নির্মাণাধীন চার লেন মহাসড়কের কাজে ব্যবহারের জন্য পাথরগুলো আমদানি করে প্রতিষ্ঠানটি।