সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু ২১ ডিসেম্বর

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর। চলবে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত।কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এজন্য ন্যূনতম বিনিয়োগের (সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ স্থিতি ৫০ হাজার টাকা) জন্য কাট-অফ ডেট বা রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ ডিসেম্বর। এর আগে বিএসইসির ৮৮২তম কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, সিকদার ইন্স্যুরেন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে বাজারে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে। আর এর মাধ্যমে ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সমাপ্ত বছরের নিরিক্ষিত আর্থিক বিবরনী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) (পুনঃমূল্যায়ন ছাড়া) ২৮ টাকা ৭৩ পয়সা। আলোচিত বছরে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ১ টাকা ২২ পয়সা।

আইপিওতে কোম্পানিটি ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে সোনারবাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আর কোম্পানির নিরীক্ষক হিসেবে আছে জি কিবরিয়া অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পূর্বে কোম্পানিটি কোন প্রকার লভ্যাংশ, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।




সিকদার ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন বাতিল করলো বিএসইসি

বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ক্লিয়ারেন্স না পাওয়ায় বীমা খাতের কোম্পানি সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন বাতিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) বিএসইসি থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কোম্পানির চেয়ারম্যান এবং সিইও বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে সিকদার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন করেছিল। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছে সোনার বাংলা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

আইপিওর টাকা দিয়ে কোম্পানির নামে ফ্ল্যাট কেনা, এফডিআরে বিনিয়োগ, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ এবং আইপিও ব্যয় খরচ করবে বলে প্রসপেক্টাসে জানানো হয়েছিল।

প্রসপেক্টাস অনুসারে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ওই বছর কোম্পানির প্রিমিয়াম বাবদ নিট আয় হয়েছিল ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার ৯৫৩ টাকা। তার মধ্যে বিমা দাবি পরিশোধ করেছে ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৬৫ টাকা। তাতে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৭৪ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ব্যবসা শুরু করে।




ট্রাস্ট ইসলামি লাইফের আইপিওতে বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন ৩৬ শেয়ার

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে বীমা খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এই লক্ষ্যে গত ৩ এপ্রিল (সোমবার) সকালে আইপিওতে আবেদন শুরু হয়ে চলে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত।

কোম্পানিটি ১ কোটি ৬০ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে। ১৬ কোটি টাকার কোম্পানির শেয়ার পেতে ৩০৫ কোটি টাকার আবেদন জমা করেন বিনিয়োগকারীরা। যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৯ দশমিক ৭ গুন বেশি। ফলে প্রতি লট প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে দেশি বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন ৩৬টি শেয়ার এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন ৭২টি করে শেয়ার।

মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) স্টক এক্সচেঞ্জ ইলেক্ট্রনিক সাবস্ক্রিপশন সিস্টেমের (ইএসএস) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রো-রাটা ভিত্তিতে ট্রাস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার বরাদ্দ প্রদান অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। ডিএসই টাওয়ারে (নিকুঞ্জ-২) অবস্থিত লিস্টিং হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ডিএসইর প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ, ট্রাস্ট ইসলামি লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কোম্পানি সচিব চৌধুরী ফরিদ উদ্দিন, সিএফও আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্টের এফএভিপি আজিজুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ডিএসই’র লিস্টিং ডিপার্টমেন্টের হেড রবিউল ইসলাম এবং এমআইএস ও ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের হেড আবদুল কাদের খন্দকার প্রো-রাটা ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এতে জানানো হয়, কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ৩০৫ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৯ দশমিক ৭ গুন বেশি। প্রতি ১০ হাজার টাকা আবেদনের বিপরীতে নিবাসী বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩৬ টি শেয়ার এবং অনিবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের ৭২টি শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়।