অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে ইউসিবি ব্যাংক

শেয়ারবাজরে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি।

প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদিত মূলধন বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করবে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকটির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।




নাম পরিবর্তন ও মূলধন বাড়াবে ইমাম বাটন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ নাম পরিবর্তন ও অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটির নাম ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজের পরিবর্তে হামি ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি রাখা হবে। অন্যদিকে কোম্পানিটি অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পরযন্ত বাড়াবে।

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে। কোম্পানিটির ইজিএম আগামী ২৯ জানুায়ারি সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ জানুয়ারি।




হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট

পুঁজিবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করবে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট। যার নাম হবে- ‘জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড’।

সোমবার (৩১ জুলাই) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে তথ্য জানা গেছে

এর আগে রোববার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০ কোটি টাকা। আর ২০ কোটি টাকা হবে এর পরিশোধিত মূলধন। কোম্পানিটির ৬৫ শতাংশ শেয়ার ধারণ করবে জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড। আগামী বছরের জুলাই মাসের মধ্যে এটি চালু হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।




মূলধন ৫ হাজার কোটিতে উন্নীত করবে ব্র্যাক ব্যাংক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড তাদের অনুমোদিত মূলধন ৩ হাজার কোটি টাকা বাড়াবে। ফলে ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হবে।

ব্যাংকটির সর্বশেষ বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, ২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির পূর্ব ষোষিত এজিএমে ২০২২ সালের জন্য পর্ষদ ঘোষিত ১৫ শতাংশ (৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার) ও অনুমোদিত মূলধন অনুমোদন করা হয়।

এর আগের পরিচালনা পর্ষদ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর ফলে ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে ১১২ কোটি ২৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯৬ টাকা দেবে। পাশাপাশি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ করে বোনাস শেয়ারও দেওয়া হবে।

এর আগের বছরও শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ (সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ আর সাড়ে ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার) লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। তার আগের বছর ২০২০ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ, আর ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল।

জানানো হয়, ২০২২ সালে সামষ্টিকভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে ৬১২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ২০২১ সালে ছিল ৪৬৫ কোটি টাকা। ব্র্যাক ব্যাংক এককভাবে ২০২২ সালে ৫৭৬ কোটি টাকা কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে, যা ২০২১ সালের ৫৫৫ কোটি টাকার তুলনায় ৩.৯০ শতাংশ বেশি।