অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর কমেছে ১২.৯৭ শতাংশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ কমেছে। আলোচ্য সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৭ কোটি ৬ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে লেনদেন ছিল ১ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৫২ টাকা ১০ পয়সা। সর্বশেষ গত বুধবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪৩ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে কোম্পানিটি ৩৩ টাকা ৩০ থেকে ৫৪ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ৮ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৮ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ১৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৮৪ পয়সা।

২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৮৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ১১ পয়সা। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স। এর মধ্যে ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স। ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৭ হিসাব বছরে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি একই হারে স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। আগের হিসাব বছরে ৭ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৯৮ পয়সায়।




অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের বোনাস লভ্যাংশে বিএসইসির সম্মতি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য ৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ৮ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। কোম্পানিটির বোনাস লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ২১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৮ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ১৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৮৪ পয়সা।

২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৮৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ১১ পয়সা। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স। এর মধ্যে ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স। ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৭ হিসাব বছরে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি একই হারে স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। আগের হিসাব বছরে ৭ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭২ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৯৮ পয়সায়।




অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ায় বিএসইসি’র সম্মতি

পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই-সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৮ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।

আইন অনুযায়ী, বিএসইসি’র অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানি বোনাস লভ্যাংশ দিতে পারে না। তাই, বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর তা দেওয়ার লক্ষ্যে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার সম্মতির জন্য আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। বোনাস লভ্যাংশ বিতরণে কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট ছিল ২১ সেপ্টেম্বর।