ডিসেম্বরের মধ্যেই ‘কর্জে হাসানা’র অর্থ ফেরত দিতে হবে এজেন্সিকে

হজ ও ওমরা এজেন্সিকে ‘কর্জে হাসানা’ হিসেবে নেওয়া জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থ ফেরত দিতে হবে। না হলে এজেন্সিগুলো আগামী বছরের হজ ও ওমরা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তির কপি হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি, মহাসচিব এবং কর্জে হাসানা গ্রহণকারী হজ ও ওমরা এজেন্সির স্বত্বাধিকারী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অংশীদারকেও পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব কর্জে হাসানা গ্রহণকারী হজ ও ওমরাহ এজেন্সির অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, করোনার সময় হজ ও ওমরাহযাত্রী প্রেরণ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কারণে হজ ও ওমরাহ এজেন্সিগুলোকে তাদের জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থ কর্জে হাসানা হিসেবে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথমে এক বছরের জন্য দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এজেন্সিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরের জন্য সময় বাড়ানো হয়। সবশেষ আরও এক বছর সময় বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্জে হাসানা হিসেবে গৃহীত অর্থ ফেরত প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়। সে হিসেবে এজেন্সির কর্জে হাসানা হিসেবে নেওয়া জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থ জমা দেওয়ার মেয়াদ শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর।

এমতাবস্থায়, কর্জে হাসানা হিসেবে গৃহীত জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থের সমপরিমাণ এফডিআর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবশ্যিকভাবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে আরও বলা হয়, ওই সময়ের মধ্যে এফডিআর জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ২০২৪ সালের হজ ও ওমরাহ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।