সূচকের বড় পতন, বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে
আজ ঢাকার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। দিনের প্রথম এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটে যত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানির দাম কমেছে; বেড়েছে হাতে গোনা দু-একটি কোম্পানির। প্রথম এক ঘণ্টায় মাত্র দুটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যস্তরে আটকে আছে বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার।
বাজারের দরপতন সম্পর্কে ব্রোকারেজ হাউসগুলো বলছে, সকাল থেকে সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাজার পড়তির দিকে থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাধারণত শেয়ার বিক্রি করে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, সেটাই আজ দেখা যাচ্ছে। দরপতন ঘটছে সে কারণেই।
এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরেই বাজারে এক ধরনের মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে। লেনদেন ও সূচক-উভয় ক্ষেত্রেই তা দেখা যাচ্ছে। লেনদেন ৪০০ কোটি টাকার নিচে নেমে গেছে। ফলে বাজারে এক ধরনের তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে। সে কারণে বাজারে ক্রেতা কমে গেছে। যাদের হাতে শেয়ার আছে, তাঁরা অধিক লোকসানের ভয়ে আগেভাগে শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন।
যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম মূল্যস্তরে আটকে আছে, তারা লেনদেন করতে পারছে না। যাঁরা লেনদেন করতে পারছেন, তাঁরা বড় ধরনের লোকসান এড়াতে আগেভাগে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী হওয়ার মতো সংবাদ বাজারে নেই। নতুন বিনিয়োগ নিয়ে তা-ই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজারে নতুন বিনিয়োগ না আসলে শিগগিরই বাজারের মন্দাভাব কাটবে বলে তাঁরা মনে করছেন না।
আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত তিনটি সূচকই ছিল নিম্নগামী। ডিএসইএক্স সূচকের পতন হয়েছে ৩১ দশমিক ২৬ পয়েন্ট; ডিএসইএস সূচকের পতন হয়েছে ৫ দশমিক ৭ পয়েন্ট আর ডিএস ৩০ সূচকের পতন হয়েছে ১৪ দশমিক ১১ পয়েন্ট।
দিনের প্রথম এক ঘণ্টা ৫০ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ১৯৫ কোটি টাকার শেয়ার।