আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে ফু-ওয়াং ফুড
শ্রমিক অসন্তোষের জেরে দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকার পর আবারও সীমিত আকারে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেড। তবে এই উৎপাদন এখনো পুরোপুরি নিয়মিত নয়; ধাপে ধাপে (ইন্টারমিটেন্ট) চালু রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি। এর আগে গত ২২ জুন ডিএসই এক চিঠিতে কোম্পানিটির কাছে উৎপাদন কার্যক্রমের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চায়। যার জবাবে কোম্পানিটি ডিএসইকে এই তথ্য জানিয়েছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ফু–ওয়াং ফুড একটি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কেক, ব্রেড, বিস্কুট, টোস্ট, স্ন্যাকস ও ইনস্ট্যান্ট নুডলসসহ নানা ধরনের কনফেকশনারি পণ্য উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির একটি পৃথক বিভাগে বিভিন্ন স্বাদের চকলেট, চকলেট-কোটেড পণ্য ও ওয়েফার বার উৎপাদন করা হয়। একই সঙ্গে পানীয় শিল্পেও রয়েছে ফু–ওয়াং ফুডের কার্যক্রম, যেখানে বোতলজাত পানীয় জল ও কার্বনেটেড ড্রিংকস উৎপাদন করা হচ্ছে।
ব্যাখ্যায় আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কারখানায় শ্রমিকদের অসন্তোষের কারণে কয়েক দিনের জন্য উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় বর্তমানে সীমিত পরিসরে উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ধারায় ফিরলে কোম্পানির ব্যবসায়িক গতি বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২০০০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ফু-ওয়াং ফুডের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১১০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণির (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৯২ দশমিক ১৫ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে দাঁড়িয়েছে ১২ টাকায়।