ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১০ অঞ্চলে একযোগে ডিএসসিসির ‘ক্লিনিং ডে’
পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত নগর গঠনে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে একযোগে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সচেতনতামূলক র্যালি এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’ প্রতিপাদ্যে এ কর্মসূচি আয়োজন করে ডিএসসিসি। এ সময় নগর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শান্তিনগরে অঞ্চল-১ ও অঞ্চল-২-এর যৌথ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
ডিএসসিসি জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবসকে আরও কার্যকর করতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার সংস্থাটির আওতাধীন এলাকায় ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করা হচ্ছে।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক র্যালি, লিফলেট বিতরণ এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রচারণা চালানো হয়। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, শপিং কমপ্লেক্স এবং আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের নিজ নিজ আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মো. আবদুস সালাম বলেন, পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ে তোলা শুধু সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখলে এবং কোথাও পানি জমতে না দিলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেললে নগর যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি খাল ও ড্রেন সচল থাকায় জলাবদ্ধতাও হ্রাস পাবে। পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে জনসচেতনতা ও আচরণগত পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।l
কর্মসূচিতে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব মো. জয়নুল আবেদীন, বিভিন্ন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।