চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে বাংলাদেশের ৬ পুরস্কার অর্জন

দশম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে ‘Outstanding Exhibition Organizer’ হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হয়।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পক্ষে ব্যুরোর পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন এবং উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এসময় কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

বাংলাদেশ এ বছর ৪টি ক্যাটাগরিতে ৬টি পুরস্কার অর্জন করে। বাংলাদেশের ৩টি প্রতিষ্ঠান আড়ং, সাসটেইনেবল বাংলাদেশ এবং ক্লে ইমেজকে বেস্ট অ্যাক্সিবিটর হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া বেস্ট প্যাভিলিয়ন ও বেস্ট বুথ ডিজাইন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পুরস্কৃত হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন এবং পুরস্কার দেন ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের উপ-মহাপরিচালক সুন মিং।

 

জানা গেছে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনসুলেট এর সহযোগিতায় চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের Dianchi International Convention & Exhibition Centre এ গত ১১ জুন মেলা ও থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো।

এসময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালসহ সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, খালেদ হোসেন মাহবুব, সুলতানা জেসমিন, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, কুনমিং এ নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল, বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকতা এবং বাণিজ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া মেলার সাইড লাইন ইভেন্ট ‘Big Market for all: Export to China’ এ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ চীনে বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে কী নোট স্পীকার হিসেবে বক্তব্য দেন।

 

এ বছর বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি মেলায় অংশগ্রহণ করে।

এ মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশ থেকে ২৩০০ এক্সিবিটর অংশগ্রহণ করছে। বাণিজ্য মেলার দ্বিতীয় দিনে Bangladesh Day পালন করা হয়।