বন্ধ এমারেল্ড অয়েলে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি, ব্যাখ্যা দেয়নি ডিএসইর চিঠির

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের উৎপাদনসহ ব্যবসায়িক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কোম্পানিটি দুই বছরের বেশি সময় ধরে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করছে না। সম্প্রতি এই কোম্পানিটির শেয়ারদর অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এ নিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ কারণ অনুসন্ধানে কোম্পানিটিকে চিঠি দিলেও তারা তাতে সাড়া দেয়নি।

 

বুধবার (৩ জুন) ডিএসই এ তথ্য জানিয়েছে।

এক্সচেঞ্জটি জানায়, গত ২৪ মে কোম্পানিটির কাছে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়। এখনো পর্যন্ত কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ওই চিঠির কোনো জবাব দেয়নি।

কোম্পানির শেয়ারদর ওঠানামার চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ৪ মে এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার দর ছিল ১৪ টাকা ১০ পয়সায়, যা ২ জুন লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৭০ পয়সায়। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে শেয়ারটির দর বেড়েছে ছয় টাকা ৬০ পয়সা বা ৪৭ শতাংশ।

 

এই দর বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক মনে করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। ফলে কোম্পানিটির দর বৃদ্ধি নিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চেয়ে ব্যাখ্যা চায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, কয়েক বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের। এছাড়া ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করছে না কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অন্ধকারে রাখা হয়েছে।

 

আর্থিক হিসাব প্রকাশ বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানিটি ২০২৩ সালের পর থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রাপ্তিও বাদ হয়ে গেছে। এ কোম্পানিটি থেকে সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি ১ টাকা বা ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।