তথ্য গোপন করে এসএসসির অতিরিক্ত খাতা মূল্যায়ন : ৩ পরীক্ষককে শোকজ

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে তথ্য গোপন ও নিয়ম-বহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত খাতা নেওয়ার অভিযোগে ৩ পরীক্ষককে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে। একইসঙ্গে বোর্ডের নিয়ম-নীতি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা আলাদা তিনটি চিঠির মাধ্যমে এ নোটিশ জারি করা হয়।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত পরীক্ষকদের মধ্যে রাজবাড়ীর কালুখালীর লাড়ীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা ২য় পত্রের (বিষয় কোড-১০২) পরীক্ষক খোরশেদ আলম একজন পরীক্ষকের জন্য নির্ধারিত ৩০০টি উত্তরপত্রের স্থলে অনৈতিকভাবে তথ্য গোপন করে ৯০০টি উত্তরপত্র গ্রহণ করেন।

অন্য দুই পরীক্ষক হলেন নরসিংদীর মাধবদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ১ম পত্রের (বিষয় কোড-১০৭) পরীক্ষক মনির হোসেন এবং নরসিংদী বিয়াম জিলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের একই বিষয়ের পরীক্ষক মশিউর রহমান। তারা দুজনেই নির্ধারিত ৩০০টি খাতার বিপরীতে ৪৫০টি করে উত্তরপত্র গ্রহণ ও মূল্যায়ন করেছেন।

বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকেরা বোর্ডের নিয়ম-নীতি বহির্ভূত কাজ করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যে এত বিপুল সংখ্যক খাতা মূল্যায়নের বিষয়টি বোর্ডের শৃঙ্খলা পরিপন্থি।

একইসঙ্গে এই অনৈতিক কাজের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার লিখিত জবাব পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানোর জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।