নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট
রাজধানীর যানজট নিরসন, অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু এবং কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। প্রধানমন্ত্রী ঈদের পর রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সিগন্যালিং সিস্টেম নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাজধানীতে অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা কার্যকর করতে ধাপে ধাপে কাজ চলছে। এরইমধ্যে নির্ধারিত কাজের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের ছুটির পর আবারও কাজ শুরু হবে এবং এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক এলাকায় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হবে।
তিনি জানান, নগরীতে মোট ২২টি পয়েন্টে অটো ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর সুফলও এরইমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। যানবাহন সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করছে। তবে যানজট পুরোপুরি কমাতে রিকশা ও গণপরিবহনকে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অনেক স্থান থেকে হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে, বাকি এলাকাগুলোতেও ঈদের পর অভিযান চালানো হবে। এসব কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানীর ট্রাফিক পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু ঢাকার নয়, সারা দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও চিন্তা করছেন। বিশেষ করে গাবতলী থেকে পোস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহ দেখিয়েছেন। ঈদের পর তিনি এ প্রকল্প পরিদর্শন করবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, এই সড়কের কাজ দ্রুত শেষ করা গেলে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনকে আর যাত্রাবাড়ী হয়ে যেতে হবে না। একইভাবে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গমুখী যানবাহনও ঢাকা শহরের ভেতরে প্রবেশ না করেই চলাচল করতে পারবে। এতে রাজধানীর যানজট অনেকাংশে কমে আসবে।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন ঢাকা শহরের কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করা হয়। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর সুবিধার্থে লাখ লাখ বস্তা বিতরণ করা হয়েছে, যাতে কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলা যায়।
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই যেন কোরবানির বর্জ্য ড্রেনে বা যত্রতত্র ফেলা না হয়। সবাই সহযোগিতা করলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই নগরী পরিষ্কার রাখা সম্ভব হবে।
Posted ৩:০৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
Desh Arthonity | Rina Sristy
Lk Cyber It Bd