মিয়ানমারে বাড়ছে ইয়াবা কারখানা, পাচারের ৪৫ রুট চিহ্নিত করল বিজিবি
দেড় বছরে ৭০০ কোটি টাকার মাদক জব্দ, গ্রেফতার ১৩০৫
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী ইয়াবা-আইসের মূল ৪৫টি রুট চিহ্নিত করেছে বিজিবি। এই রুটগুলো কক্সবাজার সীমান্তের মাধ্যমে দেশে মাদক আনার প্রধান চ্যানেল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
বিজিবির তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ২৩ মে পর্যন্ত কক্সবাজার সীমান্ত ও এর আশপাশে সনাক্তকৃত এই রুটগুলোতে নিবিড় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার মাদক জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৩০৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় প্রথম দিকে ৩৫টি স্থানে ৩৭টি ইয়াবা কারখানা থাকলেও এখন তা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১৫০টি কারখানায় পৌঁছেছে। মংডু, বুচিডং ও রাথেডং এলাকায় সর্বাধিক সংখ্যক উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিজিবি এই ৪৫টি পাচার রুট চিহ্নিত করার পর থেকে সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
কক্সবাজার বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, “মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে আমাদের নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।