কারসাজিতে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম, জড়িতদের খুঁজে বের করতে হবে: কৃষি উপদেষ্টা
পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকা বেড়েছে। এটা কারসাজি করে বাড়ানো হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করতে হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এই মুহূর্তে পেয়াজের কোনও সংকট নেই। এরপরও বেড়ে গেছে। সারেরও মজুদ আছে।
পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে অসাধু চক্রের হাত রয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে একটা চক্র আছে। এই চক্রকে খুঁজে বের করতে হবে। অনেকে আমদানির জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিল। বাজারে পেঁয়াজ আছে, কিন্তু কারসাজি করে দাম বাড়ানো হয়েছে।’
এদিকে পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে আজ থেকে সীমিত আকারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে রবিবার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়া হবে। প্রতিদিন ৫০টি করে আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হবে। প্রত্যেকটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজের অনুমোদন দেয়া হবে।
পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পেয়াজের দাম ৭০ টাকা হলে সবার জন্য ভালো। বাজারে দামের ক্ষেত্রে যোগসাজশ থাকলে কৃষি কর্মকর্তাদের চাকরি থাকবে না। ব্যবসায়ীদের কারসাজি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেখবে।’
নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশ কর্মকর্তাদের রদবদলে লটারি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় এসপি ও ওসিদের বদলি করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে কৃষি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণের বার্তা দেন তিনি।
এ ছাড়া সবজির দাম এখন সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করে কৃষি উপদেষ্টা যোগ করেন, ‘সবজির দাম মোটামুটি সহনীয় আছে। দিন যাওয়ার সাথে সাথে আরও কমবে। তবে কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’