জনবান্ধব ভূমি অফিস গড়তে গিয়ে চক্রান্তের কবলে সহকারী কমিশনার

দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যমুক্ত জনবান্ধব ভূমি অফিসের কার্যক্রম হাতে নিয়ে চক্রান্তের কবলে পড়েছেন ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাসিত সাত্তার। খিলখেত কার্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিকে ঘুষ, দুর্নীতি ও দালালমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়ায় সংঘবদ্ধ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রোষাণলে পড়েছেন তিনি।

যাদের একটি অংশ ইতিমধ্যে নানা অপপ্রচার চালিয়ে এই জনবান্ধব কর্মকর্তার মনোবল ভেঙে দিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার পায়তারা চালাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে সেই ষড়যন্ত্র অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে সুদক্ষ এই কর্মকর্তার প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং সচেতন স্থানীয় জনগণের তৎপরতায়।
চক্রান্তকারীদের একটি অংশ ইতিমধ্যে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিয়েছে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে।

 

সূত্র জানায়, গত মে মাসে বাসিত সাত্তার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই দালালদের দৌরাত্ম্য এবং ঘুষ বন্ধে পদক্ষেপ নেন।
এতে অস্বস্তিতে পড়ে যায় সুবিধাভোগী অসাধু চক্রটি, যারা বিগত সময়ে ভূমি অফিসের প্রতিটি স্তরে সিন্ডিকেট বানিয়ে কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্যে লিপ্ত ছিল। এই চক্রটি দ্রুতই তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু কথিত নিউজ পোর্টালে মনগড়া অভিযোগ, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল- তাঁকে সরিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আবারও প্রতিষ্ঠা করা।

বাসিত সাত্তারের সহকর্মীরা গণমাধ্যমে তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “উনি নিয়মের বাইরে একচুলও যান না। তাঁর মতো অফিসারই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারে। মিথ্যা অপবাদ শুনে আমরা ব্যথিত। অফিস স্টাফদের অনেকেই মুচলেকার ঘটনার পর বলছেন-
এটি আইনের প্রতি সম্মান এবং সত্য প্রতিষ্ঠার জয়।

ভূমি অফিসের একজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, “আগে দালাল ছাড়া কাজ হতো না। এখন সরাসরি গিয়ে দেখা করা যায়, অফিসার সাহেব নিজেই কথা বলেন। এমন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করলে কার স্বার্থ রক্ষা হয়?