আবারও প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের সিইও হলেন আব্দুল হামিদ
দেশের বীমা শিল্পে অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে আবারও প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে দায়িত্ব পেলেন অভিজ্ঞ বীমা পেশাজীবী আব্দুল হামিদ, এফসিএ। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) তার পুনঃনিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। নতুন মেয়াদে তিনি ১১ জুন ২০২৫ থেকে ৩১ মে ২০২৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নিয়োগ অনুমোদনের বিষয়টি আইডিআরএর পরিচালক (নন-লাইফ) সালেহীন তানভীর গাজী স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে ১ জুলাই জানানো হয়। এতে আবারও প্রমাণিত হলো, পেশাগত দক্ষতা, সততা এবং দৃষ্টিভঙ্গির জন্য আব্দুল হামিদ বীমা খাতে আস্থা ও প্রভাবের জায়গা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।
অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই পেশাজীবী ২০২২ সালের ১ জুন প্রাইম ইন্স্যুরেন্সে সিইও হিসেবে যোগ দেন। তার নেতৃত্বে কোম্পানিটি ব্যবসায়িক অগ্রগতি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং গ্রাহকসেবায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।
অবিচল নেতৃত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়ন চিন্তার এই মানুষটি এর আগে মেঘনা ও ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইস্টার্ন, এশিয়া ও নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ছাড়াও মেঘনা পেট্রোলিয়ামে উচ্চপর্যায়ের দায়িত্ব পালন করে কৌশলগত দিক থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোর অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সিতে পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনকারী আব্দুল হামিদ বর্তমানে আইসিএবির ফেলো সদস্য। পাশাপাশি, তিনি ইনস্টিটিউট অব ইন্টারনাল অডিটরস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রেরও ফেলো সদস্য।
বীমা খাতের মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে রূপান্তরের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) টেকনিক্যাল মিশনে অংশ নিয়ে তিনি ‘নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টিং ফরম্যাট’ প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, পেশাগত জ্ঞান বিস্তারে তিনি বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি ও আইসিএবির জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করছেন। একই সঙ্গে Financial Reporting Council (FRC) এবং আইসিএবির বিভিন্ন কার্যক্রমেও সক্রিয় অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের বর্তমান ও আগামী নেতৃত্বে তার পুনঃনিয়োগ কেবল একটি পেশাগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং দেশের বীমা খাতে সুশাসন, দূরদৃষ্টি ও দায়িত্বশীলতার প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তার এই নিয়োগ নতুন প্রজন্মের বীমা পেশাজীবীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম হয়ে থাকবে।
